শিরোনাম
◈ করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর, জারি ৪ নির্দেশনা ◈ অসহায় মানুষের সহায়তার জন্য ৮ কোটি টাকা বিতরণে খরচ ৫৩ কোটি! ◈ জনগণের আস্থা অটুট রেখেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে: তারেক রহমান ◈ প্রথমবার আয়কর রিটার্নে মাত্র ১ হাজার টাকা, নতুন করদাতাদের জন্য এনবিআরের বিশেষ সুবিধা ◈ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক নাসির উদ্দিন সারোয়ারকে প্রত্যাহার ◈ আনিস আলমগীর, সোমা ইসলাম ও পিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় জিডি ◈ সরকারি ব্যানার-ফেস্টুনের নতুন নির্দেশনা: প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিষিদ্ধ, প্রাধান্য পাবে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ◈ চীন থেকে বৈধ পথে টাকা পাঠাতে জটিলতা, বাধ্য হয়ে হুন্ডিতে ঝুঁকছেন বাংলাদেশিরা ◈ ‌ ১২২ সরকারি প্রতিষ্ঠান ভয়ঙ্কর আর্থিক ঝুঁকিতে, মোট দায় ৮.৩৩ লাখ কোটি টাকা ◈ মেক্সিকো সিটিতে পা রাখতেই আক্রোশের মুখে ইংল‌্যান্ড দল

প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট, ২০২১, ০৪:৪৭ সকাল
আপডেট : ২৩ আগস্ট, ২০২১, ০৪:৪৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আফসান চৌধুরী: দেশ যখন ভাঙে , মানুষও ভাঙে

আফসান চৌধুরী: দেশে বড় কোনো পরিবর্তন হলে সাধারণ মানুষের জীবনে কতো আঘাত পড়ে তা আমরা ভাবি না। বড় রাজনীতির ধাক্কাটাই দেখি, শুনি। কানাডা থাকতে রাশিয়া থেকে আসা অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হতো, তাদের গল্পগুলা কষ্ট দিতো। তেমন একজন ছিলো মারিয়া। [২] মেয়েটার বয়স ৩০ এর মতো। যে টিভি চ্যানেলে মিশুক আর আমি জড়িত ছিলাম মেয়েটা,তার সঙ্গে ছিলো। মেয়েটার মাথায় এত্তো চুল, সুন্দর , কালো, ঘন। আমরা বলতাম, ‘মারিয়া তোমার চুল দেখাও। মেয়েটা হাঁসতে হাঁসতে, চলে যেতে যেতে চুলটা খুলে দিয়ে মজা করতো। আমরা তালি দিতাম।

[৩] একদিন আমাকে নিজের কথা বলতে বলতে জানালো, সে ডিভোর্স করে চলে এসেছে। ‘ আগে পয়সা ছিলো না , একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটে তার বাবা-মার সঙ্গে থাকতাম। তাও অনেক সুখে ছিলাম , ঝগড়া হলে সেই একই বিছানায় দুজনে রাতে শুতে যেতাম। ঝগড়া বেশিক্ষণ থাকে না। কিন্তু যখন রাশিয়া ভাঙতে শুরু করলো, স্বামী ব্যবসা শুরু করলো। আমরা সহসাই বড়োলোক হয়ে গেলাম। বিরাট ফ্লাট, গাড়ি সব কিন্তু আমরা দুজনে যেন একে অন্য থেকে আলাদা হয়ে গেলাম। এমনকি আলাদা ঘর, বাড়ি হয়ে গেলো। একদিন আর একসঙ্গে থাকার মানে হয় না ভেবে আলাদা হয়ে গেলাম। তারপর কানাডা চলে এলাম। গরিব থাকলে ভালো হতো। আমরা একসঙ্গেই থাকতাম।’ [৪] ইতিহাস চলতেই থাকে , কাউকে ক্ষমা করে না, পাত্তাও দেয় না। লেখক : গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

আফসান চৌধুরী: দেশে বড় কোনো পরিবর্তন হলে সাধারণ মানুষের জীবনে কতো আঘাত পড়ে তা আমরা ভাবি না। বড় রাজনীতির ধাক্কাটাই দেখি, শুনি। কানাডা থাকতে রাশিয়া থেকে আসা অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হতো, তাদের গল্পগুলা কষ্ট দিতো। তেমন একজন ছিলো মারিয়া। [২] মেয়েটার বয়স ৩০ এর মতো। যে টিভি চ্যানেলে মিশুক আর আমি জড়িত ছিলাম মেয়েটা,তার সঙ্গে ছিলো। মেয়েটার মাথায় এত্তো চুল, সুন্দর , কালো, ঘন। আমরা বলতাম, ‘মারিয়া তোমার চুল দেখাও। মেয়েটা হাঁসতে হাঁসতে, চলে যেতে যেতে চুলটা খুলে দিয়ে মজা করতো। আমরা তালি দিতাম।

[৩] একদিন আমাকে নিজের কথা বলতে বলতে জানালো, সে ডিভোর্স করে চলে এসেছে। ‘ আগে পয়সা ছিলো না , একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটে তার বাবা-মার সঙ্গে থাকতাম। তাও অনেক সুখে ছিলাম , ঝগড়া হলে সেই একই বিছানায় দুজনে রাতে শুতে যেতাম। ঝগড়া বেশিক্ষণ থাকে না। কিন্তু যখন রাশিয়া ভাঙতে শুরু করলো, স্বামী ব্যবসা শুরু করলো। আমরা সহসাই বড়োলোক হয়ে গেলাম। বিরাট ফ্লাট, গাড়ি সব কিন্তু আমরা দুজনে যেন একে অন্য থেকে আলাদা হয়ে গেলাম। এমনকি আলাদা ঘর, বাড়ি হয়ে গেলো। একদিন আর একসঙ্গে থাকার মানে হয় না ভেবে আলাদা হয়ে গেলাম। তারপর কানাডা চলে এলাম। গরিব থাকলে ভালো হতো। আমরা একসঙ্গেই থাকতাম।’ [৪] ইতিহাস চলতেই থাকে , কাউকে ক্ষমা করে না, পাত্তাও দেয় না। লেখক : গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়