শিরোনাম
◈ ‘চাঁদে গেলেও নোয়াখালী পাওয়া যায়’, বিভাগ দাবিতে ডেপুটি স্পিকারের রসিকতা (ভিডিও) ◈ পুলিশকে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মিথ্যা মামলা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ◈ সিটি কর্পোরেশনের বড় সিদ্ধান্ত ঢাকার হকারদের নিয়ে ◈ বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮-১০, দ্বিতীয় পর্ব ১৫-১৭ জানুয়ারি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো মন্ত্রীর গাড়ি উল্টোপথে চলার অভিযোগে মামলা! ◈ ৮ কোম্পানির ১৪ কাশির সিরাপে মাদক উপাদান, প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি বন্ধের উদ্যোগ! ◈ নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আসা পুরোপুরি বন্ধ ◈ গুজব রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট সড়কে হকার বসতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক ◈ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হেঁটে হেঁটে সচিবালয় থেকে ওসমানীতে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট, ২০২১, ০৪:৪৭ সকাল
আপডেট : ২৩ আগস্ট, ২০২১, ০৪:৪৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আফসান চৌধুরী: দেশ যখন ভাঙে , মানুষও ভাঙে

আফসান চৌধুরী: দেশে বড় কোনো পরিবর্তন হলে সাধারণ মানুষের জীবনে কতো আঘাত পড়ে তা আমরা ভাবি না। বড় রাজনীতির ধাক্কাটাই দেখি, শুনি। কানাডা থাকতে রাশিয়া থেকে আসা অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হতো, তাদের গল্পগুলা কষ্ট দিতো। তেমন একজন ছিলো মারিয়া। [২] মেয়েটার বয়স ৩০ এর মতো। যে টিভি চ্যানেলে মিশুক আর আমি জড়িত ছিলাম মেয়েটা,তার সঙ্গে ছিলো। মেয়েটার মাথায় এত্তো চুল, সুন্দর , কালো, ঘন। আমরা বলতাম, ‘মারিয়া তোমার চুল দেখাও। মেয়েটা হাঁসতে হাঁসতে, চলে যেতে যেতে চুলটা খুলে দিয়ে মজা করতো। আমরা তালি দিতাম।

[৩] একদিন আমাকে নিজের কথা বলতে বলতে জানালো, সে ডিভোর্স করে চলে এসেছে। ‘ আগে পয়সা ছিলো না , একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটে তার বাবা-মার সঙ্গে থাকতাম। তাও অনেক সুখে ছিলাম , ঝগড়া হলে সেই একই বিছানায় দুজনে রাতে শুতে যেতাম। ঝগড়া বেশিক্ষণ থাকে না। কিন্তু যখন রাশিয়া ভাঙতে শুরু করলো, স্বামী ব্যবসা শুরু করলো। আমরা সহসাই বড়োলোক হয়ে গেলাম। বিরাট ফ্লাট, গাড়ি সব কিন্তু আমরা দুজনে যেন একে অন্য থেকে আলাদা হয়ে গেলাম। এমনকি আলাদা ঘর, বাড়ি হয়ে গেলো। একদিন আর একসঙ্গে থাকার মানে হয় না ভেবে আলাদা হয়ে গেলাম। তারপর কানাডা চলে এলাম। গরিব থাকলে ভালো হতো। আমরা একসঙ্গেই থাকতাম।’ [৪] ইতিহাস চলতেই থাকে , কাউকে ক্ষমা করে না, পাত্তাও দেয় না। লেখক : গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

আফসান চৌধুরী: দেশে বড় কোনো পরিবর্তন হলে সাধারণ মানুষের জীবনে কতো আঘাত পড়ে তা আমরা ভাবি না। বড় রাজনীতির ধাক্কাটাই দেখি, শুনি। কানাডা থাকতে রাশিয়া থেকে আসা অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হতো, তাদের গল্পগুলা কষ্ট দিতো। তেমন একজন ছিলো মারিয়া। [২] মেয়েটার বয়স ৩০ এর মতো। যে টিভি চ্যানেলে মিশুক আর আমি জড়িত ছিলাম মেয়েটা,তার সঙ্গে ছিলো। মেয়েটার মাথায় এত্তো চুল, সুন্দর , কালো, ঘন। আমরা বলতাম, ‘মারিয়া তোমার চুল দেখাও। মেয়েটা হাঁসতে হাঁসতে, চলে যেতে যেতে চুলটা খুলে দিয়ে মজা করতো। আমরা তালি দিতাম।

[৩] একদিন আমাকে নিজের কথা বলতে বলতে জানালো, সে ডিভোর্স করে চলে এসেছে। ‘ আগে পয়সা ছিলো না , একটা ছোট্ট ফ্ল্যাটে তার বাবা-মার সঙ্গে থাকতাম। তাও অনেক সুখে ছিলাম , ঝগড়া হলে সেই একই বিছানায় দুজনে রাতে শুতে যেতাম। ঝগড়া বেশিক্ষণ থাকে না। কিন্তু যখন রাশিয়া ভাঙতে শুরু করলো, স্বামী ব্যবসা শুরু করলো। আমরা সহসাই বড়োলোক হয়ে গেলাম। বিরাট ফ্লাট, গাড়ি সব কিন্তু আমরা দুজনে যেন একে অন্য থেকে আলাদা হয়ে গেলাম। এমনকি আলাদা ঘর, বাড়ি হয়ে গেলো। একদিন আর একসঙ্গে থাকার মানে হয় না ভেবে আলাদা হয়ে গেলাম। তারপর কানাডা চলে এলাম। গরিব থাকলে ভালো হতো। আমরা একসঙ্গেই থাকতাম।’ [৪] ইতিহাস চলতেই থাকে , কাউকে ক্ষমা করে না, পাত্তাও দেয় না। লেখক : গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

  • সর্বশেষ