শিরোনাম

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০২১, ০২:১০ রাত
আপডেট : ১২ জুলাই, ২০২১, ০২:১০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি: কয়েনের একদিকে লেখা, ‘তুমি কি ক্ষুধায় মরবা?’ অপর প্রান্তে লেখা, ‘তুমি কি মহামারীতে মরবা?’

জান্নাতুন নাঈম প্রীতি: ভয়ংকর একটা রিপোর্ট পড়লাম। ব্রিটিশ গবেষণা সংস্থা অক্সফামের প্রতিবেদনে অনুযায়ী মহামারীতে মারা যাচ্ছে প্রতি মিনিটে ৭ জন, কিন্তু ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে ১১ জন! অর্থাৎ মহামারীর থেকে ক্ষুধার অবস্থা খারাপ। তার চেয়ে ভয়াবহ হলো- গত এক বছরে এদেশে করোনায় মারা গেছে যতোজন তার চেয়ে বেশি মানুষ মরেছে আত্মহত্যা করে। মানে করোনায় মরো নাই ভালো কথা, কিন্তু ডিপ্রেশনে কি মরবা না?

এদিকে আবার দেশের প্রত্যেকের মাথাপিছু আয় প্রায় আড়াই লাখ টাকা! সেইদেশে শ্রমিক পুড়ে মরলে পায় ক্ষতিপূরণ পঁচিশ হাজার টাকা, বেঁচে থাকলে পায় ৫০০০-৬০০০ টাকা। সেই শ্রমিকদের আবার সিংহভাগ শিশু। সেই শিশুদের শিশুশ্রম আবার আইন করে নিষিদ্ধ। সেই দেশে আবার লকডাউন চলে। সেই লকডাউনে আবার স্কুল-কলেজ, যানবাহনে যাত্রী পরিবহন অনেকাংশেই বন্ধ, কিন্তু কলকারখানা খোলা।

আমার মাঝেমধ্যে মনে হয়, প্রায় আড়াই লাখ টাকা মাথাপিছু আয়ের দেশের গরিব মানুষদের একটা অদ্ভুত খেলায় নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। কয়েনের একদিকে লেখা, ‘তুমি কি ক্ষুধায় মরবা?’ অন্যদিকে লেখা, ‘তুমি কি মহামারীতে মরবা?’ তা যাই হোক! আমি খুশি যে অন্তত মরার ব্যাপারে মতামত দেওয়ার একটা সুযোগ আছে! এতো আকালের মধ্যে এইটাই বা কম কীসে? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়