শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা, ইউরোপে কমছে চাহিদা ও আয় ◈ মাত্র তিন মাসে কোটি টাকার হিসাবের বড় উল্লম্ফন ◈ কর্মসংস্থানে আসছে ১৪ লাখ বেকার ◈ সংসদে ইংরেজিতে বক্তব্য রাখলেন জেবা আমিন, স্পিকারের রসিকতা: ‘আগামী বছরের জন্য প্র্যাকটিস করতে থাকেন’(ভিডিও) ◈ ২৪ ঘণ্টার বদলে ৪৮ ঘণ্টার হলে হয়ত আরো বেশি কাজ করা যেত, দায়িত্বের একটা চাপ অসম্ভবভাবে অনুভব করছি: তারেক রহমান  ◈ কলকাতায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে মোশাররফ করিম দম্পতি! ◈ এস আলমের বৈশ্বিক সাম্রাজ্য নিয়ে বাড়ছে নজরদারি, স্পটলাইটে রেনেসাঁ ও ফোর পয়েন্টস কেএল ◈ নিউইয়‌র্কে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, পুলি‌শের হস্ত‌ক্ষে‌পে প‌রি‌স্থি‌তি শান্ত ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী জার্মানি ◈ যখন-তখন দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়: স্পিকার

প্রকাশিত : ২১ জুন, ২০২১, ০২:১৫ দুপুর
আপডেট : ২১ জুন, ২০২১, ০২:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কামরুল হাসান মামুন: বিশ্ববিদ্যালয় কি হয় এটাই শিক্ষামন্ত্রী জানেন না অথবা বুঝে গেছেন যে দেশের মানুষও বিশ্ববিদ্যালয় কি তা বুঝে না!

কামরুল হাসান মামুন: সব জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা দিয়েছেন।
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানতম ইনগ্রেডিয়েন্টস হলো শিক্ষক। ধরুন শিক্ষকরা হলো চিনি, শিক্ষার্থীরা হলো পানি আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো গ্লাস। আমরা কত গ্লাস শরবত বানাবো সেটা কি প্রধানত কত পরিমান পানি আছে সেটা দিয়ে ঠিক করব নাকি কতটুকু চিনি আছে সেটা দিয়ে ঠিক করব। মানতেই হবে শরবত বানানোর প্রধানতম ইনগ্রেডিয়েন্টস হলো হলো চিনি বা শিক্ষক। কত গ্লাস শরবত বানাবো তা ঠিক করার জন্য প্রথমে দেখব ঘরে কতটুকু চিনি আছে।

বাংলাদেশের প্রধানতম সংকট হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পারে এমন শিক্ষকের চরম সংকট। এখন আমাদের দেশে যেই পরিমান চিনি অর্থাৎ মানসম্পন্ন শিক্ষক আছে সেই পরিমান চিনি দিয়ে বড়জোর ১০ থেকে ১৫ গ্লাস শরবত অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় বানানো যায়। সেই জায়গায় আমরা পানি ঢালছি আর গ্লাসের পর গ্লাস শরবত বানাচ্ছি। এক পর্যায়ে কি আর এগুলো শরবত হবে? ঠিক এটিই ঘটেছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আর বিশ্ববিদ্যালয় নেই। এগুলোকে কলেজ বললেও বেশি বলা হয়।

এইরকম পরিস্থিতিতে স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রী বলে জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় বানাবে। এর অর্থ হলো বিশ্ববিদ্যালয় কি হয় এটাই তিনি জানেন না অথবা উনি এত অতি চালাক যে উনি বুঝে গেছেন দেশের মানুষ বিশ্ববিদ্যালয় কি তা বুঝে না। ফলে যা ইচ্ছে তা বানিয়েই শরবত হিসাবে চালিয়ে দিচ্ছে। এই সামান্য হোমওয়ার্কটা যদি করতে না পারেন দেশ চালাবেন কিভাবে?

লেখক: শিক্ষক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়