শিরোনাম
◈ ছিনতাইকারীর টানে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু, গ্রেফতার আসামিদের নিয়ে যা জানালো র‌্যাব ◈ সংসদে মির্জা ফখরুলের চেয়ারে বসছেন সালাহউদ্দিন আহমদ, উপনেতা হচ্ছেন কি ◈ ঢাকায় আরও দুই রুটে মেট্রোরেল, ব্যয় বাড়ছে দ্বিগুণের বেশি! ◈ দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল সংশোধনসহ পাসের সুপারিশ, আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩য় বৈঠক অনুষ্ঠিত ◈ ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল-২০২৬’ সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটির বৈঠকে ওয়াকআউট ◈ ১৪৯৮ পর্যটন স্পট নিয়ে সমন্বিত মহাপরিকল্পনা চূড়ান্তের পথে, আসছে ‘জাতীয় পর্যটন নীতিমালা ২০২৬’ ◈ ২৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার ◈ বিমান টিকিটে সিন্ডিকেট ভাঙতে ‘জিরো টলারেন্স’: এজেন্সির নাম-লাইসেন্স ও প্রকৃত মূল্য বাধ্যতামূলক ◈ দানের সম্পত্তি নিয়ে আসছে নতুন আইন ◈ বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১১

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২১, ১০:৫৫ দুপুর
আপডেট : ০২ মে, ২০২১, ১০:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সস্তায় চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনায় কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড দিলেন কিম

ডেস্ক রিপোর্ট: ইউরোপ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম আনার বদলে চীন থেকে সস্তায় অর্ডার দেয়ায় এক সরকারি কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। সময় টিভি

দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম ডেইলি এনকে জানায়, নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনতে পারেনি। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই সস্তায় চীন থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম অর্ডার দেন উত্তর কোরিয়ার ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। অর্ডার বাতিল করে তার মৃত্যুদণ্ড দেন কিম জং উন।

‘ডেইলি এনকে’ শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) জানায়, উত্তর কোরিয়ার ৫০ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তা ডেপুটি ডিরেক্টর পদমর্যাদার। যে হাসপাতালের জন্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হচ্ছিল তার কাজ গত বছর শুরু হলেও এখনও উদ্বোধন করা যায়নি। কিমের নির্দেশ ছিল গত অক্টোবরের ভেতরে সব কাজ শেষ করতে হবে।

ইউরোপ থেকে উত্তর কোরিয়ার ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরঞ্জাম কেনাকাটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যর্থ হন। পরে চীনের দিকে ঝোঁকেন। চলতি মাসে সেগুলো এসে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিম চীন থেকে কেনাকাটার এই চুক্তি না মেনে ওই কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

ডেইলি এনকে জানায়, উত্তর কোরিয়ার আইন এতটাই কড়া যে 'অপরাধী' হিসেবে শাস্তি দেয়া ওই কর্মকর্তার পরের তিন প্রজন্মকেও শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে। ১৯৮০ সালের দিকে ‘অপরাধীর বীজ’ নির্মূলের লক্ষ্যে এই নিয়ম চালু হয় দেশটিতে।

  • সর্বশেষ