শিরোনাম
◈ বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় উদ্যোগ: আমিনবাজার ও মাতুয়াইল প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ◈ ইরানের পাল্টা হামলায় উত্তপ্ত উপসাগরীয় অঞ্চল, নিরাপত্তা সতর্কতা জারি কয়েক দেশে ◈ ৭৯ হাজার শিক্ষার্থী পেল প্রাথমিক বৃত্তি, ট্যালেন্টপুল ৩২ হাজার ৯৬৫ ◈ মুষলধারে বৃষ্টিতে স্থবির ঢাকা: ‘২০ বছরের রেকর্ড’ দাবি কতটা সত্য, আরও কয়েকদিন থাকতে পারে ভারী বর্ষণ ◈ ঝালকাঠির নলছিটিতে সন্তান নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া সেই নারী গ্রেফতার ◈ বেলুচিস্তানে ‘অপারেশন শাবান’: আরও ১৬ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত, মোট নিহত ১০২ দাবি পাকিস্তানের ◈ বিরল অথচ বাংলাদেশে সমানে বাড়ছে ‘কোরাল রেড কুকরি’, রহস্য কী? ◈ বন্যার ভয়াবহতা আরও বাড়ছে, ছয় বিভাগে আরও ভারী বৃষ্টির শঙ্কা ◈ মুস্তাফিজের ইনজু‌রি স‌ত্বেও ইংল‌্যা‌ন্ডে উড়ি‌য়ে নি‌চ্ছে বার্মিংহাম ফিনিক্স  ◈ চল‌তি বিশ্বকাপে খেলা দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার ফুটবলারের মৃত্যু 

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২১, ১০:৫৫ দুপুর
আপডেট : ০২ মে, ২০২১, ১০:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সস্তায় চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনায় কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড দিলেন কিম

ডেস্ক রিপোর্ট: ইউরোপ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম আনার বদলে চীন থেকে সস্তায় অর্ডার দেয়ায় এক সরকারি কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। সময় টিভি

দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম ডেইলি এনকে জানায়, নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনতে পারেনি। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই সস্তায় চীন থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম অর্ডার দেন উত্তর কোরিয়ার ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। অর্ডার বাতিল করে তার মৃত্যুদণ্ড দেন কিম জং উন।

‘ডেইলি এনকে’ শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) জানায়, উত্তর কোরিয়ার ৫০ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তা ডেপুটি ডিরেক্টর পদমর্যাদার। যে হাসপাতালের জন্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হচ্ছিল তার কাজ গত বছর শুরু হলেও এখনও উদ্বোধন করা যায়নি। কিমের নির্দেশ ছিল গত অক্টোবরের ভেতরে সব কাজ শেষ করতে হবে।

ইউরোপ থেকে উত্তর কোরিয়ার ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরঞ্জাম কেনাকাটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যর্থ হন। পরে চীনের দিকে ঝোঁকেন। চলতি মাসে সেগুলো এসে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিম চীন থেকে কেনাকাটার এই চুক্তি না মেনে ওই কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

ডেইলি এনকে জানায়, উত্তর কোরিয়ার আইন এতটাই কড়া যে 'অপরাধী' হিসেবে শাস্তি দেয়া ওই কর্মকর্তার পরের তিন প্রজন্মকেও শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে। ১৯৮০ সালের দিকে ‘অপরাধীর বীজ’ নির্মূলের লক্ষ্যে এই নিয়ম চালু হয় দেশটিতে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়