শিরোনাম
◈ ২০১৬ সালে ভারতের নোট বাতিলের উদ্যোগের মতোই বাংলাদেশেও ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব সংসদে! ◈ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, মহাসড়কে তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ◈ সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান ◈ ইরানে টানা দ্বিতীয় দিনের মার্কিন হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি আইআরজিসির ◈ মহাকাশ গবেষণায় জোর: আকস্মিকভাবে স্পারসো পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আধুনিকায়নের নির্দেশ ◈ ইবোলা সতর্কতায় ভারতে সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর জন্য বাধ্যতামূলক এয়ার সুভিধা ২.০ ◈ কোনো দেশের সরকারপ্রধান আরেক দেশের কাছে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যায় না, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার দক্ষিণ কোরিয়াও ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের দেশীয় সংস্করণ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ থেকে চীন কে‌নো কাঁঠাল নিতে চায়? ◈ বজ্রপাতে ১২ বছরে প্রাণ গেল ৩৮৬০ জনের, সবচেয়ে ঝুঁকিতে হাওরাঞ্চল

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২১, ১০:৫৫ দুপুর
আপডেট : ০২ মে, ২০২১, ১০:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সস্তায় চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনায় কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড দিলেন কিম

ডেস্ক রিপোর্ট: ইউরোপ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম আনার বদলে চীন থেকে সস্তায় অর্ডার দেয়ায় এক সরকারি কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। সময় টিভি

দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম ডেইলি এনকে জানায়, নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনতে পারেনি। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই সস্তায় চীন থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম অর্ডার দেন উত্তর কোরিয়ার ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। অর্ডার বাতিল করে তার মৃত্যুদণ্ড দেন কিম জং উন।

‘ডেইলি এনকে’ শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) জানায়, উত্তর কোরিয়ার ৫০ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তা ডেপুটি ডিরেক্টর পদমর্যাদার। যে হাসপাতালের জন্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হচ্ছিল তার কাজ গত বছর শুরু হলেও এখনও উদ্বোধন করা যায়নি। কিমের নির্দেশ ছিল গত অক্টোবরের ভেতরে সব কাজ শেষ করতে হবে।

ইউরোপ থেকে উত্তর কোরিয়ার ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরঞ্জাম কেনাকাটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যর্থ হন। পরে চীনের দিকে ঝোঁকেন। চলতি মাসে সেগুলো এসে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিম চীন থেকে কেনাকাটার এই চুক্তি না মেনে ওই কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

ডেইলি এনকে জানায়, উত্তর কোরিয়ার আইন এতটাই কড়া যে 'অপরাধী' হিসেবে শাস্তি দেয়া ওই কর্মকর্তার পরের তিন প্রজন্মকেও শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে। ১৯৮০ সালের দিকে ‘অপরাধীর বীজ’ নির্মূলের লক্ষ্যে এই নিয়ম চালু হয় দেশটিতে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়