শিরোনাম
◈ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পাবেন পেনশন! ◈ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের ১১ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ◈ গণমাধ্যম এখন বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল ◈ আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত? যা জানাগেল ◈ এবার পরিবর্তন হচ্ছে যে উপজেলার নাম ◈ ফজরের নামাজের সময় খুলনায় মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ ◈ ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে’, রামিসা হত্যা মামলায় হাইকোর্টে প্রধান আসামির দাবি ◈ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ৮১ শতাংশই ঝুঁকিতে, লোকসানের ভারে চাপে অর্থনীতি, ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকার দায় ◈ এমপি ঘিরে বলয়, প্রার্থী নিয়ে বিরোধ: জামায়াতে বাড়ছে বিদ্রোহী প্রবণতা, শাস্তি দিয়েও থামছে না প্রার্থিতা-লবিং ◈ হাড্ডাহা‌ড্ডি লড়াই, ১ গো‌লে হাইতি‌কে হারা‌লো স্কটল‌্যান্ড

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২১, ১০:৫৫ দুপুর
আপডেট : ০২ মে, ২০২১, ১০:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সস্তায় চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনায় কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড দিলেন কিম

ডেস্ক রিপোর্ট: ইউরোপ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম আনার বদলে চীন থেকে সস্তায় অর্ডার দেয়ায় এক সরকারি কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। সময় টিভি

দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম ডেইলি এনকে জানায়, নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনতে পারেনি। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই সস্তায় চীন থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম অর্ডার দেন উত্তর কোরিয়ার ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। অর্ডার বাতিল করে তার মৃত্যুদণ্ড দেন কিম জং উন।

‘ডেইলি এনকে’ শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) জানায়, উত্তর কোরিয়ার ৫০ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তা ডেপুটি ডিরেক্টর পদমর্যাদার। যে হাসপাতালের জন্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হচ্ছিল তার কাজ গত বছর শুরু হলেও এখনও উদ্বোধন করা যায়নি। কিমের নির্দেশ ছিল গত অক্টোবরের ভেতরে সব কাজ শেষ করতে হবে।

ইউরোপ থেকে উত্তর কোরিয়ার ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরঞ্জাম কেনাকাটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যর্থ হন। পরে চীনের দিকে ঝোঁকেন। চলতি মাসে সেগুলো এসে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিম চীন থেকে কেনাকাটার এই চুক্তি না মেনে ওই কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

ডেইলি এনকে জানায়, উত্তর কোরিয়ার আইন এতটাই কড়া যে 'অপরাধী' হিসেবে শাস্তি দেয়া ওই কর্মকর্তার পরের তিন প্রজন্মকেও শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে। ১৯৮০ সালের দিকে ‘অপরাধীর বীজ’ নির্মূলের লক্ষ্যে এই নিয়ম চালু হয় দেশটিতে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়