শিরোনাম
◈ হুহু করে বাড়ছে তিস্তার পানি, বিপৎসীমার দ্বারপ্রান্তে নদী: খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ জলকপাট, বন্যার শঙ্কায় পাঁচ জেলা ◈ প্রথম বিদেশ সফরে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের খোঁজে চীন-মালয়েশিয়ার দিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নজর ◈ মারা গেছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন ◈ শেখ হাসিনার দে‌শে ফিরে আসার জল্পনা থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন ◈ নামজারির ফাইলে গোপন সংকেতে দ্রুত সেবা, ঘুষ না দিলে বাতিল আবেদন! মিরসরাই ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুসংবাদ: টিফিন ভাতা পাঁচগুণ বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা, বাড়ছে আরও নানা সুবিধা ◈ দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ কার্যক্রম নি‌ষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশজুড়ে পুলিশের সর্তকতার কারণ কী? ◈ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানই এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ◈ এলপিজির নামে প্রতারণা: এক মাসের সিলিন্ডার ১৫ দিনে শেষ, দেখা গেল গ্যাসের সঙ্গে মেশানো হয়েছে পানি

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২১, ১০:৫৫ দুপুর
আপডেট : ০২ মে, ২০২১, ১০:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সস্তায় চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনায় কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড দিলেন কিম

ডেস্ক রিপোর্ট: ইউরোপ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম আনার বদলে চীন থেকে সস্তায় অর্ডার দেয়ায় এক সরকারি কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। সময় টিভি

দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম ডেইলি এনকে জানায়, নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনতে পারেনি। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই সস্তায় চীন থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম অর্ডার দেন উত্তর কোরিয়ার ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। অর্ডার বাতিল করে তার মৃত্যুদণ্ড দেন কিম জং উন।

‘ডেইলি এনকে’ শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) জানায়, উত্তর কোরিয়ার ৫০ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তা ডেপুটি ডিরেক্টর পদমর্যাদার। যে হাসপাতালের জন্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হচ্ছিল তার কাজ গত বছর শুরু হলেও এখনও উদ্বোধন করা যায়নি। কিমের নির্দেশ ছিল গত অক্টোবরের ভেতরে সব কাজ শেষ করতে হবে।

ইউরোপ থেকে উত্তর কোরিয়ার ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরঞ্জাম কেনাকাটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যর্থ হন। পরে চীনের দিকে ঝোঁকেন। চলতি মাসে সেগুলো এসে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিম চীন থেকে কেনাকাটার এই চুক্তি না মেনে ওই কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

ডেইলি এনকে জানায়, উত্তর কোরিয়ার আইন এতটাই কড়া যে 'অপরাধী' হিসেবে শাস্তি দেয়া ওই কর্মকর্তার পরের তিন প্রজন্মকেও শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে। ১৯৮০ সালের দিকে ‘অপরাধীর বীজ’ নির্মূলের লক্ষ্যে এই নিয়ম চালু হয় দেশটিতে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়