প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১১ রানে পাকিস্তানের জয়

মাহিন সরকার: [২] দক্ষিণ আফ্রিকায় ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে পাকিস্তান ছিল ফর্মের তুঙ্গে। কিন্তু হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেনি। মাত্র ১৫০ রানের টার্গেট দেয় তারা জিম্বাবুয়েকে। তবে দুর্দান্ত বোলিংয়ের কল্যাণে ম্যাচটি তারা জিতে নিয়েছে ১১ রানে। তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো পাকিস্তান।

[৩] আগের দুই ওভারে তিনটি চার মেরে জিম্বাবুয়েকে দারুণ সূচনা এনে দেন ওয়েসলি মাধেভেরে। তবে ঝড় তুলতে না তুলতেই থেমে যায় তৃতীয় ওভারে। মোহাম্মদ হাসনাইন শেষ দুই বলে মাধেভেরে ১৪ ও তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে ০ ফিরিয়ে দেন। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে পাঁচ ম্যাচে চারটি হাফ সেঞ্চুরি করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষিক্ত হয়েছিলেন মারুমানি।

[৪] ২১ রানের মধ্যে দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটসম্যানের বিদায়ের ক্ষতি পুষিয়ে নেন ওপেনার তিনাশে কামুনহুকামউই ও ক্রেইগ আরভিন। তাদের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে পাকিস্তানকে চেপে ধরে জিম্বাবুয়ে। তবে কামুনহুকামউইকে ২৯ আউট করে ব্রেক থ্রু আনেন মোহাম্মদ হাফিজ। ৫৬ রানের জুটি ভাঙার পর আরভিন ৩৪ পরের ওভারে বিদায় নেন উসমান কাদিরের বলে। ২৭ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনার ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন।

[৫] পরের ওভারে উসমান ফেরান শন উইলিয়ামস ৯ ও রেগিস চাকাভাকে ৩। ৯৫ রানে ৬ উইকেট হারানোর ধাক্কা জোরেশোরে লাগে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনে।

[৬] যদিও রায়ার্ন বার্ল ও লুক জংউই ১৭ ও ১৮তম ওভারে ১১ ও ৯ রান তুলে ব্যবধান কমাতে থাকেন। কিন্তু ১৮তম ওভারের শেষ বলে বার্লকে ১৪ আউট করে পাকিস্তানকে স্বস্তিতে ফেরান হারিস রউফ। তিন উইকেট হাতে রেখে শেষ দুই ওভারে ২৮ রান দরকার ছিল জিম্বাবুয়ের। জংউইর এক ছয়ে ৮ রান করে স্বাগতিকরা, শেষ ওভারে লাগতো ২০ রান। হারিস ৮ রানের বেশি করতে দেননি। ৭ উইকেটে ১৩৮ রানে থামে স্বাগতিকরা।

[৭] এর আগে ব্যাটিং ব্যর্থতায় মুখ থুবড়ে পড়েছিল তারা। লড়লেন শুধু মোহাম্মদ রিজওয়ান। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চার ম্যাচে দুটি হাফ সেঞ্চুরির পর জিম্বাবুয়ে সিরিজেও তা উদযাপন করেন। তার অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরিতে পাকিস্তান ৭ উইকেটে ১৪৯ রান করে।

[৮] টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে দ্বিতীয় ওভারেই অধিনায়ক বাবর আজমকে ২ ফেরান ব্লেসিং মুজারাবানি। রিজওয়ান একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন, উপযুক্ত সঙ্গী পাননি ক্রিজে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লড়ে গেছেন এই ওপেনার। ফখর জামান ও দানিশ আজিজের সঙ্গে দুটি ইনিংস সেরা ৩৪ রানের জুটি ছিল তার।

[৯] ৪৮ বলে ছয় চারে ফিফটি করেন রিজওয়ান। হাফ সেঞ্চুরির পর একটু মারমুখী হন তিনি। তাতে দলকে দেড়শর কাছাকাছি নিতে সফল হন। ৬১ বলে ১০ চার ও ১ ছয়ে ৮২ রানে অপরাজিত ছিলেন রিজওয়ান।

[১০] জিম্বাবুয়ের পক্ষে লুক জংউই ও ওয়েসলি মাধেভেরে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন। – ক্রিকইনফো

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত