শিরোনাম
◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:০১ সকাল
আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:০১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন: আবিষ্কৃত নতুন ভ্যাকসিনগুলোর প্যাটেন্ট উম্মুক্ত করে দেওয়া উচিত

অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন: গত সপ্তাহ থেকে আমার মাস্টার্সের ক্লাস শুরু হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে তিনটি করে ক্লাস নিচ্ছি। আমাদের অনলাইন ক্লাসেই অভ্যস্ত হতে হবে। এখন অনলাইনে ক্লাস নিতে খারাপ লাগছে না। সমস্যা হলো আমার ছাত্রদের অনেকেরই নেট সংযোগ খুবই স্লো। এই জায়গায়তে সরকারের অনেক কিছু করার আছে। আমাদের নেটগতি কেন পৃথিবীর তলানিতে? আমরা না দাবি করি আমাদের দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। সেই দেশের নেট গতি কেন আফ্রিকার উগান্ডার চেয়েও ধীরগতি হবে? কেন দক্ষিণ এশিয়ারও তলানিতে। নেট কানেকশনের গতি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এর দামও কমাতে হবে। দামের দিক থেকেও আমাদের সবচেয়ে ব্যয়বহুল দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। এছাড়া ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ ছারে নেট কার্ডের ব্যবস্থা করা উচিত যাতে তারা কম খরচে নেট ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে ক্লাস করতে পারে। ক্লাস নেওয়ার আরেকটি পজিটিভ দিক হলো ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা।

ছাত্রছাত্রীরা যেন বিচ্ছিন্নবোধে না ভুগে। ছাত্রছাত্রীরা যেন লেখাপড়ার মধ্যে থাকে। কেবল ছাত্রছাত্রীদের জন্য না। আমরা শিক্ষকদের ভালো থাকার জন্যও এইটা একটা টনিকের মতো কাজ করবে। করোনা বিশ্বকে বদলে দিচ্ছে। করোনা পরবর্তী বিশ্বে এক আমূল পরিবর্তন আসবে। যারা টিকে থাকবে তারা আর আগের মতো থাকবে না। করোনা বিজ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে। বিজ্ঞানীরাও কাজ করে যাচ্ছে। নতুন নতুন প্রযুক্তি আসছে। এমনকি এইবারের যে ভ্যাকসিন আসছে তার অধিকাংশই নতুন প্রযুক্তির ভ্যাকসিন। এখন যেটা দরকার সেটা হলো মানুষকে মানবিক হওয়া। আবিষ্কৃত নতুন এই ভ্যাকসিনগুলোর প্যাটেন্ট উম্মুক্ত করে সক্ষম সব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিগুলো যেন ভ্যাকসিন বানাতে পারে সেইদিকে মনোযোগ দেওয়া। এই প্যান্ডেমিককে ঘিরে টাকা কামানোর ধান্দা বাদ দিতে হবে। লেখক : শিক্ষক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • সর্বশেষ