প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রংপুরে লকডাউনে বেড়েছে সবজির দাম, নিম্ন আয়ের মানুষের মাথায় হাত

আফরোজা সরকার: [২] করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সারাদেশে সরকার ঘোষিত ৬ দিনের লকডাউন চলছে। আর এই লকডাউনে দ্বিগুণের চেয়েও বেশি সকল প্রকার সবজির দাম বেড়েছে। হঠাৎ দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষসহ নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। এদিকে চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় দাম বেড়েছে বলে জানান রংপুর জেলার বিভিন্ন বাজারের সবজি ব্যবসায়ীরা।

[৩] সোমবার বিকালে রংপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লকডাউনের আগের দিনে প্রতিটি সবজির দাম যা ছিলো, তা লকডাউনের দুই দিন পেরিয়ে যেতেই সরবরাহ কম অজুহাতে দ্বিগুণ বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। দুই দিনের ব্যবধানে ৩০ টাকা কেজি দরের বেগুন এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০/৬৫ টাকা কেজি দরে। ৩০টাকা কেজির শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০/৯০ টাকা। পটল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, ঢেঁড়স ছিলো ২৫ টাকা এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৫০/৫৫ টাকা। করোল্লা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে।

[৪] এছাড়াও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। সবধরনের সবজির দাম দ্বিগুণ বা এর অধিক বেড়েছে। সবজি কিনতে আসা এক অটোরিক্সা চালক মাহাবুব বলেন, লকডাউনের কারণে তেমন কামাই রোজগার নেই। এদিকে আজকে বাজার করতে এসে দেখি সব সবজির দাম বেড়েছে। আমরা গরীব মানুষ দিন আনি, দিন খাই,এভাবে সবজির দাম বাড়লে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে কীভাবে বাঁচবো। আজ কয়েকজন সবজি ক্রেতার সাথে কথা হয় তারা বলেন,

[৫] বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি। হঠাৎ এতো দাম বাড়লে, আমরা সাধারণ মানুষ কীভাবে চলবো? প্রশাসনের কাছে বাজার মনিটরিং এর দাবি জানাচ্ছি। বাজারে এসেছে এক গরীব দিনমজুর রাসেল মিয়া বলেন, আমি দিনমজুর, সারাদিনে ৪০ টাকা অজগার করেছি, বাজারে এসে দেখি সবজির দাম বেড়ে দিগুনের চেও বেশি।

[৬] একেই রোজা রমজান মাস, অন্যদিকে মাছ মাংস দুধ ডিমের দামের কারনে কিনতে পারছি না। সবজি খেয়ে যে রোজা দিবো তাও মনে হয় আর হবে না। আর গরীব মানুষ বাচঁবো কি করে। অন্য দিকে সাধারন মানুষের দাবি,সবজির বাজার দার নিয়ন্ত্রনে প্রশাসনের মনিটরিং যোদার কার জরুলি বলে মনে করেন তারা। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত