শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:০৯ বিকাল
আপডেট : ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ০৭:০৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রংপুরে লকডাউনে বেড়েছে সবজির দাম, নিম্ন আয়ের মানুষের মাথায় হাত

আফরোজা সরকার: [২] করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সারাদেশে সরকার ঘোষিত ৬ দিনের লকডাউন চলছে। আর এই লকডাউনে দ্বিগুণের চেয়েও বেশি সকল প্রকার সবজির দাম বেড়েছে। হঠাৎ দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষসহ নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। এদিকে চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় দাম বেড়েছে বলে জানান রংপুর জেলার বিভিন্ন বাজারের সবজি ব্যবসায়ীরা।

[৩] সোমবার বিকালে রংপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লকডাউনের আগের দিনে প্রতিটি সবজির দাম যা ছিলো, তা লকডাউনের দুই দিন পেরিয়ে যেতেই সরবরাহ কম অজুহাতে দ্বিগুণ বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। দুই দিনের ব্যবধানে ৩০ টাকা কেজি দরের বেগুন এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০/৬৫ টাকা কেজি দরে। ৩০টাকা কেজির শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০/৯০ টাকা। পটল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, ঢেঁড়স ছিলো ২৫ টাকা এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৫০/৫৫ টাকা। করোল্লা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে।

[৪] এছাড়াও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। সবধরনের সবজির দাম দ্বিগুণ বা এর অধিক বেড়েছে। সবজি কিনতে আসা এক অটোরিক্সা চালক মাহাবুব বলেন, লকডাউনের কারণে তেমন কামাই রোজগার নেই। এদিকে আজকে বাজার করতে এসে দেখি সব সবজির দাম বেড়েছে। আমরা গরীব মানুষ দিন আনি, দিন খাই,এভাবে সবজির দাম বাড়লে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে কীভাবে বাঁচবো। আজ কয়েকজন সবজি ক্রেতার সাথে কথা হয় তারা বলেন,

[৫] বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি। হঠাৎ এতো দাম বাড়লে, আমরা সাধারণ মানুষ কীভাবে চলবো? প্রশাসনের কাছে বাজার মনিটরিং এর দাবি জানাচ্ছি। বাজারে এসেছে এক গরীব দিনমজুর রাসেল মিয়া বলেন, আমি দিনমজুর, সারাদিনে ৪০ টাকা অজগার করেছি, বাজারে এসে দেখি সবজির দাম বেড়ে দিগুনের চেও বেশি।

[৬] একেই রোজা রমজান মাস, অন্যদিকে মাছ মাংস দুধ ডিমের দামের কারনে কিনতে পারছি না। সবজি খেয়ে যে রোজা দিবো তাও মনে হয় আর হবে না। আর গরীব মানুষ বাচঁবো কি করে। অন্য দিকে সাধারন মানুষের দাবি,সবজির বাজার দার নিয়ন্ত্রনে প্রশাসনের মনিটরিং যোদার কার জরুলি বলে মনে করেন তারা। সম্পাদনা: সাদেক আলী

  • সর্বশেষ