প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারি দপ্তরে কেন হামলা হবে? থানায় কেন হামলা হবে?

শরীফুল হাসান : ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ ও সিলেটের বিভিন্ন থানায় নিরাপত্তাচৌকি বসানোর ছবি ও খবর দেখলাম। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে এসব এলাকায় পুলিশের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি মেশিনগান বা এলএমজি দিয়ে নিরাপত্তা চৌকি বানানো হয়েছে। নাগরিক হিসেবে কাউকে কাউকে এ নিয়ে উদ্বিগ্নও হতে দেখলাম।

ওদিকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দপ্তর ও স্থাপনায় একাধিক হামলার ঘটনায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে মাঠ প্রশাসনেও উদ্বেগ বেড়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনারদের মধ্যে (এসি ল্যান্ড, ভূমি) নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

আমি মনে করি এই বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া দরকার। পৃথিবীর আর কোন দেশের মানুষ নিজেদের সম্পদে এভাবে আগুন দেয়? আপনি আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত-বাম-না ডান না পূর্ব-পশ্চিম কোন দল করেন দেখার বিষয় নয়, আমার শুধু প্রশ্ন সরকারি দপ্তরে কেন হামলা হবে? থানায় কেন হামলা হবে?

এই দেশের ডিসি অফিস-ইউএনও অফিস-থানা কী কোন দলের নাকি রাষ্ট্রের? আপনি যেই দলেরই হন না কেন এই দেশটা তো আমাদের সবার।

একইভাবে প্রাণহানিও কাম্য নয়। কারণ এই দেশের নাগরিকরাও আমাদের স্বজন। এই দেশের সরকারি সম্পদ পুড়ুক সেটা যেমন আমাদের কাম্য নয়, তেমনি কোন মানুষের প্রাণহানিও কাম্য নয়। কারণ এই দেশের সম্পদও আমাদের আবার যিনি মারা যাচ্ছেন তিনিও আমাদেরই কারও না কারও স্বজন। দুটোকেই রক্ষা করতে হবে। কিন্তু কীভাবে?

সেই আলাপে যাওয়ার আগে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়েই শুরু করি। আমি গত ১৯ বছর ধরে কম-বেশি সাংবাদিকতা করি। এই ১৯ বছরে আমি দেশের এমন কোন জেলা নেই যেখানে যাইনি। সাংবাদিক হিসেবে নানা ধরনের ঘটনা কাভার করার চেষ্টা করেছি।

নিজের ব্যক্তিগত আদর্শ যাই থাকুক সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা শতভাগ মানার চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি ঘটনাস্থলে গিয়ে সব দেখার। এমনও হয়েছে মাসের পর মাস আমি ঢাকার বাইরে থেকেছি। অনেক সময় ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যেও গিয়েছি।

এই ১৯ বছরে আমার কোন সরকারি দপ্তর পুড়িয়ে ছাই বানিয়ে ফেলা দেখার অভিজ্ঞতা প্রথম ঘটে ২০১৩ সালের মার্চের প্রথম সপ্তায়। ঘটনাস্থল ছিল বগুড়ার নন্দীগ্রাম। ঘটনার সূত্রপাত ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা দেলওয়ার হোসেন সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণা করা হয়।

এই রায়ের প্রতিবাদে গাইবান্ধার সুন্দরগেঞ্জে সুন্দরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ তাণ্ডব চালায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা। এক পর্যায়ে বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ঢুকে চার পুলিশ সদস্য তোজাম্মেল হক, নজিম উদ্দিন, বাবলু মিয়া ও হযরত আলীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পাশাপাশি এক আওয়ামী লীগ সমর্থকের জিহ্বা কেটে ও চোখ উপড়ে ফেলে হত্যা করা হয়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় বামনডাঙ্গা রেল স্টেশন।

আমাকে তখন ঢাকা থেকে এই ঘটনা কাভার করার জন্য পাঠানো হয়। আমি সুন্দরগঞ্জে গিয়ে যে বিভৎসা দেখি সেটি আজও মনে পড়ে। এ নিয়ে গাইবান্ধা ঘুরে ঘুরে রিপোর্ট করার চেষ্টা করি। এই ঘটনার তিনদিন পরেই সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়র প্রতিবাদে ৩ মার্চ হরতাল ডাকে জামায়াত-শিবির। আমি তখনো গাইবান্ধায়।

৩ মার্চের হরতালের আগেরদিন রাতে বগুড়ায় প্রচার করা হয়, ‘সাঈদীর মুখ চাঁদে দেখা গেছে’। মসজিদে মাইকে ঘোষণা করা হয়, সাঈদীকে রক্ষার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এরপর হাজার হাজার মানুষ বগুড়ার বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালায়।

পুলিশের অস্ত্র লুট করে। বগুড়া শহরের ছয়টি পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন দেওয়া হয়। সে সময় বগুড়ার এসপি ছিলেন মোজাম্মেল হক। আমি নিজে তাঁর সাথেও কথা বলেছি। সেদিন নিজের বাসভবনে তিনি নিজের স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে চরম আতঙ্কে ছিলেন।

বগুড়া শহরের ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ির প্রত্যেকটায় সেদিন আগুন দেওয়া হয়েছিল। গাইবান্ধার মতো সেদিনও অনেক পুলিশ মরতে মারতো। এসব ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে ১০ জন মারা যান। সেদিন বগুড়া রেল স্টেশন, আজিজুল হক কলেজ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির বাসভবন সব জায়গায় আগুন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ঘটে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায়।

হরতালের দুদিন পর আমি নন্দীগ্রামে যাই। শুধু সাংবাদিক হিসেবে নয়, আমি বোধহয় এই রাষ্ট্রের গুটিকয়েকজন মানুষদের একজন ছিলাম যে ওই অবস্থার মধ্যও নন্দীগ্রামে গিয়েছিল। আমার আজও সেই দৃশ্যগুলো মনে আছে। পুরো ইউএনও অফিস পুড়ে ছাই। পাশাপাশি কৃষি অফিস, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়, মৎস্য অফিসসহ সরকারের নানা দপ্তর পুড়িয়ে ছাই বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বগুড়ার আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ সাধারণ সব লোকজন আমাকে বলেছিলেন, এমন বিভৎস ঘটনা তারা কখনো দেখেননি।

গাইবান্ধায় বগুড়ায় গিয়ে সেই আমার প্রথম দেখা যে হরতাল চলাকালে ইউএনও অফিস পুড়িয়ে ছাই বানিয়ে দেওয়া যায়। পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন দেওয়া যায়। গাইবান্ধা-বগুড়ায় সেই যে তাণ্ডব শুরু হলো সেই বিভৎসা আজও থামেনি। সর্বশেষ সেই তাণ্ডব দেখা গেল, হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। আবারও সেই মার্চ মাসেই।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনের সহিংসতায় মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল সরকারি স্থাপনা। শহরটির ৫৮টি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় হামলা হয়েছে। গানপাউডার ও পেট্টোল দিয়ে পৌরসভা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। রেল স্টেশন থেকে শুরু করে ভূমি অফিস থেকে শুরু করে ৩১টি সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে আগুন দেওয়া হয়েছে। এই তিন দিনে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। হাটহাজারীতে প্রাণ হারিয়েছেন আরও চারজন।

শুধু চট্টগ্রাম বা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নয়, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দপ্তরে একই সময়ে হামলা হয়েছে। ফরিদপুরের সালথায় তো শুধুমাত্র গুজব ছড়িয়ে কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়, ত্রাণের গুদাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনসংলগ্ন গ্যারেজ, ভূমি অফিস, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন ও থানায় হামলা হলো। দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দপ্তর ও স্থাপনায় এসব হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে মাঠ প্রশাসনে উদ্বেগ বেড়েছে।

আমার প্রশ্ন হলো, আপনি আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত-বাম-না ডান না পূর্ব-পশ্চিম কোন দল করেন দেখার বিষয় নয়, আমার শুধু প্রশ্ন সরকারি দপ্তরে কেন হামলা হবে?

থানায় কেন হামলা হবে? এই দেশের ডিসি অফিস-ইউএনও অফিস-থানা কী কোন দলের নাকি রাষ্ট্রের? এই যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্টেশন পুড়লো, পৌরসভা পুড়লো, ভূমি অফিস পুড়লো দুর্ভোগ তো পোহাতে হচ্ছে জণগনের। তাহলে কেন এইসব হামলা? একইভাবে ডিসি-পুলিশ, ইউএনও-এসিল্যান্ড-ডাক্তার, বা যে কোন সরকারি কর্মকর্তা যে কারও উপর তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য হামলার ঘোর বিরোধী আমি। একইভাবে কোন সাংবাদিকের উপরও হামলা করা যাবে না।

এই দেশের প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের কাছে অনুরোধ, আপনারা হরতাল করুন, মিছিল সমাবেশ যা ইচ্ছে করেন কিন্তু দয়া করে রাষ্ট্রীয় কোন সম্পদ ধ্বংস করবেন না। কথাটা আওয়ামী লীগের জন্যও প্রযোজ্য। আজকে আপনারা ক্ষমতায় আছেন কিন্তু কোনদিন বিরোধী দলে যাবেন না তা তো না? প্রত্যেকের কাছে অনুরোধ, সরকারি কোন দপ্তরে যেন হামলা না হয়, সরকারি কোন সম্পদ যেন না পুড়ে। এই অপসংস্কৃতি আমাদের বন্ধ করতেই হবে। আমাদের প্রত্যেকের এই বোধোদয় দরকার।

একই সাথে রাষ্ট্রকে বলবো, এমন ব্যবস্থা নিন এমন আইন করুন যাতে রাষ্ট্রীয় কোন সম্পদ পোড়ালে বা আগুন দিলে ওই হামলাকারীর কঠোর শাস্তি হয়। ভিডিও ফুটেজ ছবি দেখে প্রতিটা হামলাকারীকে চিহৃিত করুন। কোটি কোটি টাকার সম্পদ এভাবে পুড়তে পারে না।

এবার আসি প্রাণহানির ঘটনায়। গোটা পৃথিবীর বিনিময়েও একজন মানুষের প্রাণহানি মেনে নেওয়া যায় না। কাজেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা উচিত যেন মানুষ প্রাণে মারা না যায়। এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত যাতে প্রাণহানি এড়ানো যায়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য বা তাদের সদস্যরা এখন প্রশ্ন করতে পারেন, কেউ যদি পুলিশ-বিজিবি বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা চালায়? কেউ যদি তাদের হত্যার চেষ্টা করে? আমি মনে করি এদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

আমি আপনাদেরও আবারও ফিরিয়ে নিয়ে যাই সেই বামনডাঙ্গায় যেখানে চারজন পুলিশকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের ঘটনার পরদিনও কিন্তু নারায়নগঞ্জে বিজিবির নায়েক সুবেদার শাহ আলম, পুলিশের কনস্টেবল ফিরোজ, জাকারিয়াকে হত্যা করা হয়েছিল। তাদের কুপিয়ে, পিটিয়ে ইট দিয়ে মাথা থেতলে দেওয়া হয়েছিল। আর এসব হামলায় পড়ে সাধারণ অনেক মানুষের প্রাণ গেছে।

এই যে প্রাণহানি এগুলো কী এড়ানো যায় না? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এসব বিষয়ে সতর্ক হতে বলবো। কিন্তু একই সাথে এই প্রশ্ন তোলাও জরুরী কেন পুলিশ-বিজিবির উপর হামলা চালাতে হবে? নিরাপত্তা চৌকি দেখে আজকে আপনারা যারা উদ্বিগ্ন তারা বলেন তো কেন সরকারি অফিস পোড়াতে হবে? কেন থানায় হামলা চালাতে হবে? এটা কেমন কর্মসূচি?

আমি আজকাল দেখি অনেকেই ইনিয়ে বিনিয়ে বলার চেষ্টা করেন যে ওমকু জায়গায় এই ঘটনা ঘটেছে তারপর ওমকু জায়গায় এই ঘটনা ঘটেছে। আপনাদের কাছে অনুরোধ, এসব খোঁড়া যুক্তি দেবেন না। কোন কারণে কোন অবস্থাতেই আপনি থানায় বা সরকারি কোন দপ্তরে হামলা করতে পারেন না। কোনভাবেই না। এমনকি কোন পরিবারের কেউ যদি মারা যায় তারাও অধিকার রাখেন না সরকারি দপ্তরে হামলা চালানোর। এটাই আইন। এই আইন সবাইকে মানতে হবে। আচ্ছা নিজের পরিবারে কিছু হলে আপনি কী নিজের বাড়িতে আগুন দেন? তাহলে সরকারি দপ্তরে কেন দেবেন?

আরেকটা বিষয় নিয়ে না বললেই নয়। গত কয়েক বছর ধরে দেখি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সরকারি দলের লোকজনও অস্ত্র বা লাঠিসোটা হাতে থাকে। বিশেষ করে কোটা বা সড়ক আন্দোলনে আমরা দেখেছি তাদের তাণ্ডব। এগুলোকেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেই সব নিয়ন্ত্রণ করতে দিন। দেশটা মগের মুলুক না যে রাজপথে নেমে মারামারি করবেন। এসব না করে শান্তিপূর্ণভাবে সবাইকে সব কর্মসূচি পালন করতে দেন ।

রাষ্ট্রের ১৭ কোটি মানুষের কাছে অনুরোধ, চলুন আমরা সবাই মিলে এই দেশটাকে বাঁচাই। দেখেন একসময় বাংলাদেশ বন্যা বা দুর্যোগের কারণে আন্তর্জাতিকভাবে খবর হতো। আর এখন কয়দিন পরপর রাজপথে মারামারি-তাণ্ডব-প্রাণহানি-আগুনে পোড়ানোর কারণে খবর হয়। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এগুলো কোনভাবেই কাম্য নয়।

রাষ্ট্রকে বলবো, এই রাষ্ট্রে কোন সরকারি দপ্তরে বা থানায় যদি কেউ হামলা চালায় কঠোর হাতে সেগুলো দমন করুন। প্রত্যেকটা ঘটনার বিচার করুন। বিচার না হলে এই অপসংস্কৃতি আরও বাড়বে। দেশটা ধ্বংস হবে। একইভাবে সবার কাছে আহবান, আপনারা যা ইচ্ছে কর্মসূচি পালন করেন কিন্তু দয়া করে সরকারি দপ্তরে হামলা, পুলিশ-সাংবাদিকদের উপর হামলা এগুলো বন্ধ করুন।

স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে একটা শান্তিপূর্ণ সুন্দর বাংলাদেশ গড়াটা আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। আসুন সবাই মিলে আমরা দেশটা বাঁচাই। বাঁচাই দেশের মানুষকে।

এই দেশের সম্পদ যেমন আমাদের, দেশের মানুষও আমাদের স্বজন। আবার যারা সরকারি দায়িত্ব পালন করে তারাও আমাদেরই স্বজন। কাজেই ভিন্নমত থাকুক, ভিন্ন রাজনীতি থাকুক কিন্তু দেশটা সবার। ভালো থাকুন সবাই। ভালো থাকুক বাংলাদেশ।

শরিফুল হাসান, সিনিয়র সাংবাদিক ও উন্নয়ন কর্মী

সর্বাধিক পঠিত