প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভাইরাল হওয়ার পর প্রচুর প্রেমের প্রস্তাব পাচ্ছি, বললেন পাবেল

বিনোদন ডেস্ক : নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হওয়া রিমেক গান ‘বুক চিন চিন করছে’র মাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন প্রগতিশীল সংগীতশিল্পী জাহেদ পারভেজ পাবেল। একই গানে ছেলে এবং মেয়ে উভয় কন্ঠ দিয়ে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। বিয়ে বাড়ি, বিভিন্ন স্টেজ বা অনুষ্ঠান জমিয়ে রাখছে গানটি। নিজের এই সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে শ্রোতামহলে স্থায়ী জায়গা করে নিতে চান এই সংগীতশিল্পী। গানের সাফল্য, বর্তমান কর্মব্যস্ততা ও নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বললেন পাবেল। আরটিভি

রিমেক গানের সাফল্যে জীবন কতটুকু বদলে গেছে?

পাবেল: জীবনের অনেক কিছুতেই পরিবর্তন এসেছে। নতুন করে আমার গানের দর্শক-শ্রোতা তৈরি হয়েছে। তারা আমাকে নতুনভাবে চিনেছেন। নিজের মধ্যে দায়িত্ববোধ বেড়ে গেছে। আমার প্রতি শ্রোতাদের একটা আস্থা জন্মেছে, সেটা ধরে রাখার প্রয়াস থাকবে।

ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্টে নিজেকে ধরে রাখতে নতুন কী চমক থাকছে?

পাবেল: ভিন্ন ভিন্ন ঘারানার গানে নিজেকে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। শ্রোতাদের পছন্দের দিকটা মাথায় রেখে নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনছি। মানুষের টেস্ট সবসময় একই থাকে না, তাই সময়ের সাথে গানে ভিন্নতা আনা জরুরি বলেই মনে করি। নতুন নতুন গানে শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখার চেষ্টা থাকবে।

নতুন কাজের অফার পাচ্ছেন?

পাবেল: বেশ কয়েকটা নতুন গানের অফার পেয়েছি। বিভিন্ন মিউজিক কোম্পানি থেকে ধারাবাহিকভাবে গানগুলো আসবে। এছাড়াও বিভিন্ন নাটকের গানের প্রস্তাব আসছে। সিনেমায় গানের বিষয়েও আলোচনা চলছে। আশা করি খুব শিগগির সেই স্বপ্নটাও পূরণ হবে।

মৌলিক গান নিয়ে পরিকল্পনা কী?

পাবেল: এখন সব মৌলিক গান নিয়েই কাজ করছি। শুধুমাত্র নাটকের জন্য কাভার সং করা হয়েছে। খুব শিগগির আমার দুটি গান আসছে। আভরাল সাহিরের কথা, সুর ও সঙ্গীতায়োজনে ‘সুন্দরী’ এবং ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ব্যানারে ‘সোনা বন্ধুরে’ শিরোনামের দুটি গান আসছে। মিউজিক ভিডিও আকারে গানগুলো দর্শকদের উপহার দেয়া হবে। আশা করছি এই গানগুলোও দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।

মৌলিক গান হিট না হওয়ার পেছনের কারণ কী?

পাবেল: কোনও কিছুতে ভিন্নতা থাকলে মানুষ সেটা গ্রহণ করে। পুরনো কোনও গান রিমেক হলে দর্শকের আগ্রহের মাত্রাটা বেড়ে যায়। যেহেতু গানটা মানুষের আগে থেকেই পরিচিত, তাই খুব সহজেই তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া যায়। তাই বলে যে, মৌলিক গান খারাপ হচ্ছে এমনটা নয়। বর্তমানে পুরনো গানের রিমেকগুলো একটু বেশি টানছে শ্রোতারা।

গানটি ভাইরাল হওয়ার পর কতগুলো প্রেমের প্রস্তাব পেয়েছেন?

পাবেল: সবার ভালোবাসা পাচ্ছি। ভালোবাসা আর প্রেমের বিষয়টিকে আলাদা করে দেখছি না। যদি আলাদা করে বিচার করা হয় তাহলে বলা চলে, প্রচুর প্রেমের প্রস্তাব পাচ্ছি।

মেয়ে কন্ঠের পেছনে রহস্য কী?

পাবেল: এর আগে কখনো মেয়ে কন্ঠে গান গাওয়া হয়নি। তবে অনেক আগে থেকেই মেয়ে কন্ঠের অনুশীলন করা হতো। মজার ছলে বন্ধুদের সঙ্গে মেয়ে কন্ঠে কথা বলতাম। সেখান থেকেই অভ্যাস হয়ে গেছে।

মেয়ে কন্ঠে কখনও কারো সঙ্গে প্রেম করেছেন?

পাবেল: না, সেটাকে প্রেম বলা চলে না। এমনি ফোন দিয়ে দুষ্টামি করতাম। যদিও তারা ধরতে পারতো না। আমি নিজেই বলে দিতাম। মিউজিশিয়ান অনেক ভাইদের সঙ্গেও মেয়ে কন্ঠে কথা বলে মজা নিয়েছি তারাও ধরতে পারেনি।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত