প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গুইমারার পাহাড়ী এলাকায় প্রথমবার গমচাষ

আবদুল আলী:[২] গম বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ দানাজাতীয় খাদ্যশস্য। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের ফলে গমের ব্যবহার দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা মেটাতে প্রতি বছর প্রায় ৬০ লক্ষ টন গম বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় বলে কৃষি তথ্য বিভাগ থেকে জানাযায়।সেই গমের চাহিদা পূরনে কাজ করছে সরকার। সারাদেশের ন্যায় সরকার পাহাড়ে গম চাষের সম্ভাবনা দেখতে প্রনোদনা দিয়ে গম চাষের আবাদ চালু করেছে।

[৩] শুরুতেই ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে গুইমারার উপজেলার ২নং হাফছড়ি ইউনিয়নে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের মাধ্যমে গম চাষীদের মাঝে গমের বীজ ও সারসহ প্রণোদনা সহায়তা প্রদান করেন। বীজ ও সার প্রণোদনা পেয়ে এ মৌসুম হাফছড়ি ইউনিয়নে ৫ জন কৃষক গম চাষ করেছেন।

[৪] তারা হলেন বড়পিলাক গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম গাজী, আবদুল কাদের, জালিয়াপাড়া গ্রামের আবদুল মান্নান, আবদুল মোতালেব। সরেজমিনে বড়পিলাক গ্রামের কৃষক আবদুল কাদের জালিয়াপাড়া গ্রামের আবদুল মান্নানের জমিতে গেলে তারা জানান উচ্চফলনশীল বারি ৩৩ গমের চাষ করেছেন।

[৫] যেভাবে গমের শীষ আসছে সেভাবে শেষ পর্যন্ত পরিবেশ অনুকূলে থাকলে লাভবান হবেন। তবে পাহাড়ী অন্চলে একেবারে নতুন হওয়ায় আরও ভাল করতে সময় লাগবে। গমের আবাদের বিষয়ে জানতে চাইলে হাফছড়ি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবদুর রহিম বলেন গম চাষ পাহাড়ি অন্চলে একেবারেই নতুন তাই সরকার প্রণোদনা দিয়ে গম চাষে উদ্ভোদ্ধ করছে।

[৬] কৃষি সম্প্রসারন বিভাগ পাহাড়ে গম চাষে কৃষকদের পাশে থেকে উৎসাহ প্রদান করছে। আশা করছি ভাল ফলন হবে এবং বাকি কৃষকেরা গম চাষে আগ্রহী হবে। সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

সর্বাধিক পঠিত