প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ইউনাইটেড ন্যাশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’র সূচকে বাংলাদেশ ই-কমার্স র‌্যাংকিংয়ে ১২ ধাপ পিছিয়ে

দেবদুলাল মুন্না: [২] গতকাল ইউনাইটেড ন্যাশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এসব তথ্য রয়েছে সংস্থাটির নিজস্ব ওয়েবসাইটের পাবলিকেশন্স ক্যাটাগরিতে। প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০১৯ সালে এই সূচকে বাংলাদেশের ১০৩তম ছিল। গত বছর পিছিয়ে হয়েছে ১১৫তম। ২০১৮ সালেও এই সূচকে বেশ ভালো করেছিলো বাংলাদেশ। তখন সূচকের ৮৮তম অবস্থানে ছিলো। ১৫২টি দেশের ডিজিটাল ব্যবসায় নিয়ে এই সূচক প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড ন্যাশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। চারটি সূচকের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এই সূচকটি।

[৩] বিশ্বে এগিয়ে যাওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ১০টি ইউরোপীয় দেশ। শীর্ষে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। এরপর রয়েছে নেদারল্যান্ড। তৃতীয় স্থানে স্কান্ডিনাভিয়ান দেশ ডেনমার্ক। সুইজারল্যান্ডে ৯৭ শতাংশই ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। একমাত্র অ-ইউরোপীয় অর্থনীতির দেশ হিসেবে চতুর্থ অবস্থানে আছে সিঙ্গাপুর।

[৪] দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটি আগের বছরের অবস্থান থেকে উন্নয়ন ঘটিয়ে বৈশ্বিক তালিকার ৭১ তম স্থানে উঠে এসেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে শ্রীলঙ্কা (৯১ তম)। একই ভাবে দুই ধাপ নেমে নেপালের অবস্থান এখন ১১৩ তম।

[৫] প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০১৯ সালে মাত্র ১৩ শতাংশ বাংলাদেশী ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন এবং প্রতি ১০ লক্ষ মানুষের মধ্যে তখন ৩৯ জনের ইন্টারনেট সার্ভার সুরক্ষিত করার সুযোগ ছিলো।এ সংখ্যা গতবছর একটু বেড়েছে। তবে অন্যান্য দেশের তুলনায় কম।

[৬] দেশের ই-কমার্স খাতের বয়স বেশি দিনের নয়। মাত্র ১১ /১২ বছরের। দেশে, বিশেষ করে রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের সময় ই কমার্স বেড়েছিল। লকডাউনের কারণে এ খাতে বেশি আলোচিত ছিল গ্রোসারি (নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বা মুদি আইটেম), যা এই খাতকে প্রায় শতভাগ প্রবৃদ্ধি এনে দিয়েছে বলে জানিয়েছিলেন নীতি নির্ধারক, উদ্যোক্তা, সংগঠকরা।

[৭] তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক একটি গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, করোনাকালে লকডাউনের সময় এবং এলাকাভিত্তিক লকডাউনে ই-কমার্স খাত বড় ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেছিলেন, গত ১০-১১ বছর ধরে ই-কমার্সকে আমরা যতটা জনপ্রিয় করতে চেয়েছি, গত পাঁচ মাসে তার চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় করতে পেরেছি। প্রায় সব পর্যায়ের লোকজন এখন বুঝতে পেরেছেন ই-কমার্স কী।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত