শিরোনাম
◈ মাদকে ভেজাল নেই, কিন্তু খাদ্যে ভেজাল, বলেছেন সংসদে জামায়াতের নারী এমপি ◈ পাহাড়ধস ঝুঁকিতে থাকা পরিবারকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করে বাড়ি নির্মাণ করবে সরকার ◈ প্রশাসনে বড় পদোন্নতি, যুগ্মসচিব হলেন ১৭৯ কর্মকর্তা ◈ ২০২৮ সালের মধ্যে ভয়াবহ গ্যাস সংকটের শঙ্কা, বন্ধ হতে পারে শত শত শিল্পকারখানা ◈ গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ইতিবাচক পদক্ষেপের অপেক্ষায় বাংলাদেশ ◈ খামেনির জানাজার শহরে মার্কিন হামলা ◈ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এলডিসি ইস্যুতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন ◈ জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫ পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান, জানুন পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচয় ◈ সংস্কার অব্যাহত থাকলে অর্থনীতি হবে আরও স্থিতিশীল: এডিবি ◈ আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, বিএনপির সাধারণ কর্মী: শাহে আলম (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০২১, ০৯:৫৪ সকাল
আপডেট : ২১ জানুয়ারী, ২০২১, ০৯:৫৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

 [১] ৫ বছর বিনা অপরাধে জেল খেটে কাশিমপুর থেকে মুক্তি পেলেন আরমান

গাজীপুর প্রতিনিধি : [২] বিনা অপরাধে ৫ বছর কারাগারে আটক থাকা রাজধানীর পল্লবীর বেনারসী কারিগর মো. আরমানকে হাইকোর্টের নির্দেশে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কাশিমপুর-২ থেকে মুক্তি দেয়ার পর তাকে পরিবারের সদস্যরা নিয়ে গেছে।

[৩] মূল আসামি শাহাবুদ্দিনের বাবার নামের সাথে মিল থাকায় আরমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০১৬ইং থেকে আরমানকে কাশিমপুর কারাগার-২ এ রাখা হয় ।

[৪] কাশিমপুর কারাগারের জেল সুপার আব্দুল জলিল জানান, ২০০৫ সালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় বিস্ফোরক আইনে এক মামলা দায়ের হয়। ওই মামলায় ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রসহ সাতজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আসামিদের দেওয়া তথ্যে তাদের সহযোগীদের ধরতে ডিবির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূরে আলম সিদ্দিকী পল্লবীর বিহারী ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে ৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ শাহাবুদ্দিন বিহারি ও তার দুই সহযোগী আটক করেন। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়। পরে ২০০৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর শাহাবুদ্দিনসহ গ্রেফতার তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। ২০০৭ সালের ৫ মার্চ জামিনে মুক্ত হয়ে ২০১১ সালের ১৭ জানুয়ারি আদালতে আত্মসমর্পণ করে আবার জামিন আবেদন করে শাহাবুদ্দিন জামিন নেয়। এরপরই ফেরারী হয়ে যায় শাহাবুদ্দিন কিন্তু তার দুই সহযোগী থেকে যান কারাগারে।

[৫] তিনি আরো জানান, ২০১২ সালের ১ অক্টোবর ওই মামলায় শাহাবুদ্দিন ও তার দুই সহযোগীর ১০ বছরের জেল ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা রায় দেন জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী ঢাকার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারুক আহম্মদ। এরপর পলাতক শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

[৬] এ ঘটনার দীর্ঘদিন পর ২০১৬ সালের ২৭ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পল্লবীর ১৩ হাটস, ব্লক-এ, সেকশন ১০ নম্বর এলাকায় অভিযান চালায় পল্লবী থানা পুলিশ। এ অভিযানে একটি চায়ের দোকান থেকে মূল আসামী শাহাবুদ্দিনের বাবার নামের সাথে মিল থাকায় আরমানকে গ্রেফতার করেন তৎকালীন ওই থানার এসআই রাসেল। এর পর থেকে আরমানকে কাশিমপুর কারাগার-২ এ রাখা হয় ।

[৭] আইজীবি হুমায়ূন কবিরের পল্লবীর এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৩১ ডিসেম্বর বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আরমানকে মুক্তি দেয়াসহ তাকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে পুলিশ মহাপরিদর্শকের প্রতি নির্দেশ দেন ।

[৮] অপরদিকে বিনা অপরাধে জেলা খাটার বিষয়ে দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি করেছেন আরমান ও তার স্বজনরা ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়