শিরোনাম
◈ প্রাথমিকভাবে আট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কমিটি গঠন ◈ ডিসি সারোয়ারকে শোকজ ◈ ৪৪তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগ, তালিকা প্রকাশ ◈ অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা গ্রুপে অপরা‌জিত থে‌কে জিম্বাবুয়ে সুপার এইটে ◈ রোজার প্রথম দিনেই মুরগির দাম চড়া, কেজিতে বাড়লো ২০ থেকে ১০০ টাকা ◈ ৫০ নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়োগ নিয়ে দুই জোটে চলছে হিসাব-নিকাশ ◈ জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহি নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ বগুড়া থেকে হিরো আলম গ্রেপ্তার ◈ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি: প্রতিরক্ষা চুক্তি ও বাণিজ্যে জোর ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা নিয়ে বিএনপিতেও 'বিস্ময়'

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৬:৫৪ সকাল
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৬:৫৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পুঠিয়ায় খোলা বাজারে ধানের মূল্য বেশী, অর্জিত হচ্ছে না খাদ্য গুদামের লক্ষ্যমাত্রা

শাহনেওয়াজ: [২] রাজশাহীর পুঠিয়া খাদ্য গুদামের চলতি বছর বরাদ্দকৃত ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না। গুদাম কর্তৃপক্ষ বলছেন, সরকারী দরের চেয়ে বাজারে ধানের দাম বেশী পাওয়ায় কৃষকরা এবার এখনো পর্যন্ত গুদামে বিক্রি করতে আসেননি। তবে চাষিদের অভিযোগ বিগত সময়ে খাদ্য গুদাম কৃষকদের ধান গম নয়, তাদের কৃষি কার্ড সংগ্রহে বেশী আগ্রহী ছিলেন। এবার লোকসান হওয়ার আশঙ্কা থাকায় সিন্ডিকেট করে আর ধান কিনছে না।

[৩] উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর সরকার নির্ধারিত প্রতিমণ ধান ১ হাজার ৪০ টাকা দরে মোট ৩৪৮ মেট্রিকটন ক্রয়ের নির্দেশনা আসে। সে মোতাবেক গত নভেম্বর মাস থেকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে ধান ক্রয় করতে বলা হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত একমণ ধানও ক্রয় করা হয়নি।

[৪] রাজু আহম্মদ নামের স্থানীয় একজন চাষী বলেন, এবার খোলা বাজারে প্রতিমন ধানের দাম প্রকার ভেদে এক হাজার ৫০ থেকে ১৩শ’ ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে খাদ্য গুদাম কিনছে এক হাজার ৪০ টাকা দরে। তার উপর একটি বস্তার দাম ৭০ টাকা, পরিবহণ খরচ, ঘুদামের কর্মচারী ও লেবারদের বকস্সি দিয়ে প্রতিমণে অতিরিক্ত আরো ১২০ টাকা খরচ হয়। এরপর খাদ্য কর্মকর্তা আর্দ্রতার অযুহাত দেখিয়ে চাষিদের অনেক হয়রানি করেন। এবার বাজারে ধানের দাম অনেক বেশী তাই চাষিরা গুদামে বিক্রি করতে আগ্রহী নয়।

[৫] আলী হোসেন নামের অপর এক চাষী বলেন, বিগত দিনে আমরা হাট-বাজারে একমন ধানের মূল্যে পেয়েছি ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা। আর সরকার কিনছেন প্রতিমন ১ হাজার ৪০ টাকা দরে। সে সময় খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা কৃষকের নিকট থেকে খাদ্য নেয়নি। তারা কৃষিকার্ড সংগ্রহ করে অতিরিক্ত মুনাফা লুটেছে। এখন বাজারে দাম বেশী তাই এবার ওই চক্রটির মাধ্যমে গুদাম আর ধান ক্রয় করছে না।

[৬] এ ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা (ওসিলিটি) জালাল উদ্দীন বলেন, গুদামে কখনোই সিন্ডিকেট হয় না। আমরা প্রকৃত কৃষকদের নিকট থেকে কৃষিকার্ডের মাধ্যমে খাদ্য ক্রয় করি। চাষিরা এবার খোলা বাজারে ধানের দাম সরকারী রেটের চেয়ে অনেক বেশী পাচ্ছেন। তাই তারা গুদামে বিক্রি করতে আগ্রহী নয়। তবে আগামী ফেব্রুয়ারীর শেষ দিন পর্যন্ত ধান ক্রয়ের সময় সীমা রয়েছে। এ মধ্যে চাষিরা ধান নিয়ে আসলে আমরা অব্যশই তা ক্রয় করবো। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়