শিরোনাম
◈ গঙ্গার পানি নিয়ে নতুন সমঝোতা, বড় পরীক্ষার মুখে ঢাকা-দিল্লি ◈ ১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, জোরদার চেকপোস্ট-তল্লাশি ◈ প্রধানমন্ত্রী চাইলে যেকোনো সময় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন করতে পারেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ◈ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়াটাও কঠিন হয়ে যাবে একদিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ ◈ ১৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুই জাহাজের সংঘর্ষ, অক্ষত ৩৩ হাজার টন ডিজেল ◈ তারেক রহমানের ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি প্রায় নিশ্চিত ◈ একদিন পর জাতীয় গ্রিডে আবারও সামিটের এলএনজি সরবরাহ শুরু ◈ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

প্রকাশিত : ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:৩৩ সকাল
আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:৩৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুক্তিযুদ্ধে চরমোনাই পীরের ভূমিকা নিয়ে হানিফের মিথ্যাচার: কঠোর প্রতিবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট : সৈয়দ মুহাম্মদ ফজলুল করীম (রহ.) মরহুম পীর সাহেব চরমোনাইকে রাজাকারের সহযোগী বলে আওয়ামীলীগ নেতা মাহবুবুল আলম হানিফ এর দেয়া অসত্য ও বাস্তবতা বিবর্জিত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করার দাবী জানিয়েছে ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতারা বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (সাবেক ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন) এর প্রতিষ্ঠাতা আমীর মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম পীর সাহেব চরমোনাই (রহ.) ৭১ সালে পাকিস্তানের সহযোগীতা করে চরমোনাই মাদরাসায় আশ্রয় নেয়া মা বোনদেরকে গনিমতের মাল বলে ফতোয়া দিয়েছেন বলে আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব মাহবুবুল আলম হানিফ এর স্যোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া বক্তব্য কাল্পনিক, অসত্য, বাস্তবতা বিবর্জিত, নির্লজ্জ মিথ্যাচার, উদ্দেশ্য প্রনোদিত, কাল্পনিক ও ইসলাম বিদ্বেষী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (সাবেক ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন) এর প্রতিষ্ঠাতা আমীর মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম পীর সাহেব চরমোনাই (রহ.) সম্পর্কে আওয়ামীলীগ নেতা মাহবুবুল আলম হানিফ এর অসত্য বক্তব্যের প্রতিবাদে গণমাধ্যমে প্রদত্ত বিবৃতিদাতারা হলেন, ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদের সভাপতি শহিদুল ইসলাম কবির, সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ নূরুজ্জামান সরকার ও সেক্রেটারী আরিফ বিন মেহের উদ্দিন।

মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ নেতৃবৃন্দ বলেন, সৈয়দ ফজলুল করীম (রহ.) এর ইন্তেকালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা শোক প্রকাশ করেছেন এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জনাব তোফায়েল আহমেদ ও আওয়ামীলীগ নেতা আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ চরমোনাইতে অনুষ্ঠিত জানাজায় শরীক হয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন।

‘তবে আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনা কি একজন রাজাকারের সহযোগীর ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন? তোফায়েল আহমদ ও আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ সাহেব রাজাকারের সহযোগীর জানাজায় অংশ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন? তারা গোপালগঞ্জ ও বরিশাল অঞ্চলের মানুষ হয়ে এ তথ্য জানলেন না, ৫০ বছর পরে এসে জানলেন হানিফ? হানিফ সাহেবের উচিত সৈয়দ ফজলুল করীম রহঃ এর ইন্তেকালে শেখ হাসিনার দেয়া বিবৃতি ও জানাজায় জনাব তোফায়েল আহমেদের দেয়া বক্তব্য পড়ে নেয়া।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তৎকালীন সময়ে ইসলাম বিরোধীদের ঢালাও মিথ্যা অভিযোগের জবাবে ঐতিহাসিক মানিক মিয়া এ্যাভিনিউতে আয়েজিত বিশাল জনসমুদ্রে সৈয়দ ফজলুল করীম রহঃ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে বলেছিলেন, “আমি স্বাধীনতার বিপক্ষে নই, স্বাধীনতার পক্ষে ছিলাম। চরমোনাই মাদরাসা মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়স্থল ছিল। এর পরেও কেউ যদি প্রমান করতে পারে, আমি স্বাধীনতা বিরোধী ছিলাম তবে প্রয়োজনে ফাঁসির কাষ্টে ঝুলতে রাজি আছি।” যা তৎকালীন সময়ে জাতীয় গণমাধ্যম গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছিলো। এর পরেও একটি মিমাংসিত বিষয়ে হানিফ সাহেবের বিতর্কিত বক্তব্যে দেশবাসী হতবাক হয়েছে।
সূত্র- পাবলিক ভয়েস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়