প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ‘ফ্রিডম অফ স্পিচ’ নয়, ম্যাক্রোঁর চিকিৎসা প্রয়োজন : আজহারী

ওয়ালি উল্লাহ: ফ্রান্সে ইসলাম ধর্ম এবং মোহাম্মদ (স.) কে অবমাননার প্রতিবাদে বিভিন্ন দেশের মুসলিম নেতারা এরই মধ্যে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম দেশে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী সম্প্রতি তার ফেসবুক পেইজ থেকে একটি স্ট্যাটাসে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। স্ট্যাটাসটিতে দুই লাখেরও বেশি রিয়াকশন, ১৪ হাজার কমেন্ট এবং ২৬ হাজারের বেশি শেয়ার রয়েছে। আমাদের সময়.কমের পাঠকের জন্য স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে দেওয়া হল-

রবিউল আউয়াল মাসে, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়, ফ্রান্সের দুটো বিল্ডিংয়ে প্রকাশ্যে আল্লাহর রাসূল (ﷺ‬) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন— শতাব্দীর সর্ব নিকৃষ্ট অসভ্যতা। কোন সভ্য সমাজের মানুষ এভাবে ভিন্ন বিশ্বাসের মানুষদের সেন্টিমেন্টের প্রতি এরকম উগ্র আচরণ করতে পারে না। এটা সুস্পষ্ট উস্কানিমূলক। এর প্রতিক্রিয়ায়, অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোন ঘটনা বা পরিস্থিতির জন্য ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট দায়ী থাকবে। কারণ সে বলেছে, ফ্রান্স ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন বন্ধ করবে না। এটা নাকি তাদের বাক-স্বাধীনতা। শেইম! শেইম অন এমানুয়েল ম্যাক্রন!

হৃদয়ের সবটুকু ঘৃণা ও ক্ষোভ একত্রিত করে ধিক্কার জানাই এসব নরাধমদের— যারা ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি অসহনশীলতা প্রদর্শনকে ও অন্যের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়াকে “ফ্রিডম অফ স্পিচ” বলে আখ্যায়িত করছে। পৃথিবীর কোন ভদ্র ও সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মানুষ এহেন কাজকে সমর্থন করতে পারে না। আসলেই, এমানুয়েল ম্যাক্রন এর মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন।

গরিব আফ্রিকান দেশগুলোকে শোষণ নিপীড়ন করেই লুটেরা ফ্রান্সের আজকের এই বাহাদুরি। দাম্ভিকদের পতন অনিবার্য। আল্লাহ তায়ালা চাইলে মুহূর্তে এই দাম্ভিকদের দম্ভকে মাটির সাথে গুড়িয়ে দিতে পারেন। মনে রাখা দরকার যে “আল্লাহ ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না”। ইতিহাস আমাদেরকে এটাই মনে করিয়ে দেয়। ইতিহাস বড়ই নির্মম !

এই ফ্রান্সে আইন করে মুসলিম নারীদের হিজাব পড়া নিষিদ্ধ করা হলেও, করোনা সংক্রমিত হওয়ার পর, মুখ না ঢেকে চলাফেরা করলে ১৫০ ইউরো জরিমানার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ফ্রান্সে হঠাৎ গত একদিনে করোনায় ৪০ হাজার আক্রান্ত, মৃত্যু ২৯৮ জন। জানিনা এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে গজব কিনা!
আরও পড়ুন- বগুড়ায় একদিনের ডিসি কলেজছাত্রী পুষ্পা

শুধু এতটুকু জানি— প্রিয়নবির প্রতি অসম্মান দেখিয়ে ওরা নিজেদেরকে কলঙ্কিত করেছে, সর্বোচ্চ অসভ্যতার পরিচয় দিয়েছে। আমার প্রিয় নবির মর্যাদাকে ওরা কস্মিনকালেও কিঞ্চিৎ কমাতে পারবেনা। কিভাবে তারা সেটা করবে? স্বয়ং আরশের অধিপতি প্রিয় হাবিবের সম্মানকে দ্যুলোক-ভূলোক ছাড়িয়ে, সাত আকাশ মাড়িয়ে তাঁর আরশ অবধি সমুন্নত করেছেন।

“আর আমি আপনার স্মরণকে (গোটা জগৎময়) সমুন্নত করেছি”। [সূরা আল-ইনশিরাহ: ৪]

“আপনার প্রতি বিদ্বেষ ও শত্রুতাপোষণকারী হল শেকড়হীন, নির্বংশ”। [সূরা আল-কাউসার: ৩]

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত