শিরোনাম
◈ ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তি মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ◈ বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা মারা গেছেন ◈ বিটিআরসির সতর্কবার্তা মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের! ◈ বিক্ষোভকারীদের ইরানি প্রতিষ্ঠান দখল করতে বল‌লেন ট্রাম্প, হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও আ‌ন্দোলন দমা‌তে এরফানের ফাঁসি আজ ◈ ‌নির্বাচ‌নে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দি‌তে প্রচারণা, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা প্রশ্ন তৈরি করছে? ◈ বাংলাদেশের জন্য যে তিনটি সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত ◈ ভারতের ব‌্যাড‌মিন্টন ভেন্যুতে মল, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর, খে‌লোয়াড়‌দের অভিযোগ  ◈ পোস্টাল ব্যালটে প্রতীক বিন্যাসে পক্ষপাতের অভিযোগ বিএনপির, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে দলটি ◈ জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে সরকারি গানম্যান ও বাসভবনে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ ◈ আজ ঢাকার তিন পয়েন্ট অবরোধের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ০৫:৪০ সকাল
আপডেট : ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ০৫:৪০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এবার ‘ইসলামবিদ্বেষী’ মন্তব্য কঙ্গনার

অনলাইন ডেস্ক: বিভিন্ন মন্তব্য করে বছরজুড়েই আলোচনায় থাকেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুতে তার বিভিন্ন মন্তব্যে এক রকম ঝড় বয়ে যায় ভারতে।এবার ‘ইসলামবিদ্বেষী’ মন্তব্য করে বসলেন বলিউডের এই অভিনেত্রী।

প্যারিসের একটি হত্যার ঘটনায় সরব হয়ে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে দায়ী করে অত্যন্ত কড়া ভাষায় মন্তব্য করেন কঙ্গনা। বলা হচ্ছে, সরাসরি ইসলাম ধর্ম নিয়ে বিদ্বেষ প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী।

শুক্রবার প্যারিসের রাস্তায় এক শিক্ষকের মাথা কেটে ফেলেন এক মুসলিম যুবক। ঘটনার বয়ানে বলা হচ্ছে, বাকস্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার পাঠ দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি কার্টুন দেখিয়েছিলেন ওই শিক্ষক। সে কারণে তিনি হত্যার শিকার হন।

এ ঘটনায় শনিবার টুইটারে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন কঙ্গনা। নাম উল্লেখ না করেই সেখানে ইসলাম ধর্মকে আক্রমণ করেন তিনি। সঙ্গে নিজ দেশের বুদ্ধিজীবীদের এক হাত নেন।

ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি-ঘনিষ্ঠ এই অভিনেত্রী লেখেন, “একটি কার্টুনের জন্য এক শিক্ষকের মাথা কেটে ফেলা হল। আমি শুধু কল্পনা করতে পারি অতীতে আমাদের লোকজনের কী অবস্থা করেছিল এই হানাদাররা। আজকের ডিজিটাল যুগে শিক্ষিত হয়েও এদের আচরণ রাক্ষসের মতো। যাযাবর অবস্থায় এরা ভারতের কী দশা করেছিল।”

কঙ্গনা আরও লেখেন, “আমি ভেবে অবাক হই, এই ধর্ম এতো অসহিষ্ণু। পুরুষতান্ত্রিক এই ধর্মে নারী, পশু, প্রকৃতি কারোরই উপাসনা করা হয় না। অথচ আজকের দিনে এটাই সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা ধর্ম। বুদ্ধিজীবীরাও এই ধর্মকেই সমর্থন করেন। এমনটা কী করে হয়?”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়