শিরোনাম
◈ প্রাথমিকভাবে আট উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড, কমিটি গঠন ◈ ডিসি সারোয়ারকে শোকজ ◈ ৪৪তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগ, তালিকা প্রকাশ ◈ অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা গ্রুপে অপরা‌জিত থে‌কে জিম্বাবুয়ে সুপার এইটে ◈ রোজার প্রথম দিনেই মুরগির দাম চড়া, কেজিতে বাড়লো ২০ থেকে ১০০ টাকা ◈ ৫০ নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়োগ নিয়ে দুই জোটে চলছে হিসাব-নিকাশ ◈ জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহি নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ বগুড়া থেকে হিরো আলম গ্রেপ্তার ◈ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি: প্রতিরক্ষা চুক্তি ও বাণিজ্যে জোর ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা নিয়ে বিএনপিতেও 'বিস্ময়'

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২০, ০৯:৪৮ সকাল
আপডেট : ০৫ অক্টোবর, ২০২০, ০৯:৪৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] চাল সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া খাদ্য বিভাগ

এএইচ রাফি: [২] চাল সংগ্রহে এবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য বিভাগ। এবছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০হাজার ৯৯৫টন চাল। কিন্তু ৫ মাসে জেলা খাদ্য বিভাগ সংগ্রহ করে ৩৮ হাজার ২৯৭টন চাল। সংগ্রহের হার ৯৩.৪২ শতাংশ, যা লক্ষমাত্রা থেকে ৬.৫৮ শতাংশ কম। করোনাত মহামারী ও সাম্প্রতিক বন্যাকে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না করার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা খাদ্য বিভাগ।

[৩] তবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা না গেলেও সারাদেশের মধ্যে চাল সংগ্রহের মধ্যে ২য় হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য বিভাগ, আর শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে খুলনা জেলা খাদ্য বিভাগ প্রথম হয়েছে।

[৪] জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর ৪০ হাজার ৯৯৫ মেট্রিক টন সিদ্ধ ও আতপ চাল সংগ্রহের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৩১৬টি চাতালকলের সাথে চুক্তি করে জেলা খাদ্য বিভাগ। এরমধ্যে চুক্তি করেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ১৬টি চাতাল কল তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে চাল সরবরাহ করতে পারেনি। এর প্রভাব পড়েছে চাল সংগ্রহ অভিযানে। চাল সরবরাহ না করার শাস্তি হিসেবে ওই চাতাল কলগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ জানিয়েছে জেলা খাদ্য বিভাগ।

[৫] জেলা খাদ্য বিভাগ আরও জানিয়েছে, সময় বাড়ানোর পর ৩৮ হাজার ২৯৭ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ হয়েছে। এর মধ্যে শাপলা রাইস মিলের চুক্তি ছিল ৩০.১২০ টন সিদ্ধ চাল, শরীফ রাইস মিল ৩৮.১০০ টন সিদ্ধ চাল, আব্বাস আলী রাইস মিল ৪৩.১৭০ টন সিদ্ধ চাল, আমেনা খাতুন রাইস মিল ৪০.০৫০ টন সিদ্ধ চাল, মোমেনা মতি বয়লার রাইস মিল ৪০.০২০ টন সিদ্ধ চাল, রূপালী রাইস মিল ৪০.০২০ টন সিদ্ধ চাল, ইয়াকূব আলী রাইস মিল ৪২.৭২০ টন সিদ্ধ চাল, আশা রাইস মিল ৩৫.৩৪০ টন সিদ্ধ চাল, উসমান গণি রাইস মিল ৩৮.১০০ টন সিদ্ধ চাল, শাহজালাল রাইস মিল ৩৬.৬৯০ টন সিদ্ধ চাল, চৌধুরী অটো রাইস মিল ৮৪.৫৭০ টন আতপ চাল, গাজী রাইস মিল ৭৭.৭০০ টন সিদ্ধ চাল, মিশ্রির মা বয়লার রাইস মিল ৭৭.৭০০ টন সিদ্ধ চাল, সাইফুর রাইস মিল ৬৮.৩১০ টন সিদ্ধ চাল, জাহাঙ্গীর বয়লার রাইস মিল ৫৯.৭৬০ টন সিদ্ধ চাল ও যমুনা রাইস মিল ১৪৬.৭৯০ টন সিদ্ধ চাল সরবরাহের চুক্তি করেও কোনো চাল সরবরাহ করেনি।

[৬] এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী বলেন, আমরা চলতি বছরের মে থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর চাল সংগ্রহ করেছি। এরমধ্যে বন্যার কারণে জুলাই ও আগস্ট মাসে চালের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় চাল সংগ্রহে সমস্যা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ১৬টি চাতালকল চুক্তি করেও আমাদেরকে চাল সরবরাহ করেনি। ওই চাতাল কলগুলোর কালোতালিকাভুক্ত করতে ঢাকায় সুপারিশ করা হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়