শিরোনাম
◈ কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৭, ১৩ নারী ও ১ শিশু ◈ ভোটার তালিকা হালনাগাদ ২০২৬: খসড়া প্রকাশ ৫ নভেম্বর, চূড়ান্ত তালিকা ২৫ নভেম্বর ◈ সৌদি আরবের আইনে সাজা হলে সরকারের কিছু করার থাকে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ◈ মাদকের আস্তানায় অস্ত্র হাতে অভিযান নিয়ে যা বললেন ইশরাক ◈ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়াবে সরকার, কর্মসংস্থান ও যাতায়াত সুবিধা নিয়েও উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রী ◈ সৌদির রিয়াদগামী সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করল বিমান, ২১ অক্টোবর থেকে চালু হতে পারে দাম্মাম রুট ◈ ‘সিন্ডিকেট হচ্ছে ভাই’, সার সংকটে দিশেহারা গাইবান্ধার চরের কৃষকরা ◈ মাদক আস্তানায় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ‘ইশরাকের অ্যাকশন’, আটক ৬ (ভিডিও) ◈ হামের থাবায় বাংলাদেশ, টিকাদানের ঘাটতি নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা ◈ সুন্দরবনের জলজ প্রাণীর দেহে প্লাস্টিক, মাছ খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে মানুষ

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২০, ০৯:৪৮ সকাল
আপডেট : ০৫ অক্টোবর, ২০২০, ০৯:৪৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] চাল সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া খাদ্য বিভাগ

এএইচ রাফি: [২] চাল সংগ্রহে এবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য বিভাগ। এবছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০হাজার ৯৯৫টন চাল। কিন্তু ৫ মাসে জেলা খাদ্য বিভাগ সংগ্রহ করে ৩৮ হাজার ২৯৭টন চাল। সংগ্রহের হার ৯৩.৪২ শতাংশ, যা লক্ষমাত্রা থেকে ৬.৫৮ শতাংশ কম। করোনাত মহামারী ও সাম্প্রতিক বন্যাকে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না করার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা খাদ্য বিভাগ।

[৩] তবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা না গেলেও সারাদেশের মধ্যে চাল সংগ্রহের মধ্যে ২য় হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য বিভাগ, আর শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে খুলনা জেলা খাদ্য বিভাগ প্রথম হয়েছে।

[৪] জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর ৪০ হাজার ৯৯৫ মেট্রিক টন সিদ্ধ ও আতপ চাল সংগ্রহের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৩১৬টি চাতালকলের সাথে চুক্তি করে জেলা খাদ্য বিভাগ। এরমধ্যে চুক্তি করেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ১৬টি চাতাল কল তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে চাল সরবরাহ করতে পারেনি। এর প্রভাব পড়েছে চাল সংগ্রহ অভিযানে। চাল সরবরাহ না করার শাস্তি হিসেবে ওই চাতাল কলগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ জানিয়েছে জেলা খাদ্য বিভাগ।

[৫] জেলা খাদ্য বিভাগ আরও জানিয়েছে, সময় বাড়ানোর পর ৩৮ হাজার ২৯৭ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ হয়েছে। এর মধ্যে শাপলা রাইস মিলের চুক্তি ছিল ৩০.১২০ টন সিদ্ধ চাল, শরীফ রাইস মিল ৩৮.১০০ টন সিদ্ধ চাল, আব্বাস আলী রাইস মিল ৪৩.১৭০ টন সিদ্ধ চাল, আমেনা খাতুন রাইস মিল ৪০.০৫০ টন সিদ্ধ চাল, মোমেনা মতি বয়লার রাইস মিল ৪০.০২০ টন সিদ্ধ চাল, রূপালী রাইস মিল ৪০.০২০ টন সিদ্ধ চাল, ইয়াকূব আলী রাইস মিল ৪২.৭২০ টন সিদ্ধ চাল, আশা রাইস মিল ৩৫.৩৪০ টন সিদ্ধ চাল, উসমান গণি রাইস মিল ৩৮.১০০ টন সিদ্ধ চাল, শাহজালাল রাইস মিল ৩৬.৬৯০ টন সিদ্ধ চাল, চৌধুরী অটো রাইস মিল ৮৪.৫৭০ টন আতপ চাল, গাজী রাইস মিল ৭৭.৭০০ টন সিদ্ধ চাল, মিশ্রির মা বয়লার রাইস মিল ৭৭.৭০০ টন সিদ্ধ চাল, সাইফুর রাইস মিল ৬৮.৩১০ টন সিদ্ধ চাল, জাহাঙ্গীর বয়লার রাইস মিল ৫৯.৭৬০ টন সিদ্ধ চাল ও যমুনা রাইস মিল ১৪৬.৭৯০ টন সিদ্ধ চাল সরবরাহের চুক্তি করেও কোনো চাল সরবরাহ করেনি।

[৬] এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী বলেন, আমরা চলতি বছরের মে থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর চাল সংগ্রহ করেছি। এরমধ্যে বন্যার কারণে জুলাই ও আগস্ট মাসে চালের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় চাল সংগ্রহে সমস্যা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ১৬টি চাতালকল চুক্তি করেও আমাদেরকে চাল সরবরাহ করেনি। ওই চাতাল কলগুলোর কালোতালিকাভুক্ত করতে ঢাকায় সুপারিশ করা হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ