শিরোনাম
◈ ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান ◈ কানাডায় ২০৯ বাংলাদেশির ভিসা আবেদনে জালিয়াতির অভিযোগ, ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ এনসিপির ‘সুপার সিক্সটিন’ কী, কারা আছেন এই তালিকায় ◈ সৌদি আরবে হুতি হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ◈ দেশে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় এবার পুলিশের বিশেষ ইউনিট ◈ শিক্ষককে থাপ্পড় দেওয়া সেই রুমির বার্তা, ‘আমাকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখো না’ ◈ অরুণাচল সীমান্তে ভারত-চীন সেনাদের মুখোমুখি অবস্থান, নতুন করে উত্তেজনা ◈ আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে , জানা গেল কারণ ◈ ব্যাংকে আমানতের সুদ কমছে, সঞ্চয়ের টাকা কোথায় রাখলে নিরাপদ ও বেশি লাভ? ◈ সৌদি আরবে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি কারাগারে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের তালিকা যাচাই করছে সরকার

প্রকাশিত : ২৯ আগস্ট, ২০২০, ১২:২৯ দুপুর
আপডেট : ২৯ আগস্ট, ২০২০, ১২:২৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শওগাত আলী সাগর: মিডিয়াকর্মীদের ছাঁটাইায়ের খবর মূলধারার মিডিয়া প্রকাশ করতে পারে না বা করে না

শওগাত আলী সাগর: [১] ঢাকায় বিভিন্ন সংবাদপত্র টেলিভিশনে কর্মী ছাঁটাই (আমি সাংবাদিক শব্দটা এড়িয়ে গেলাম) হচ্ছে বলে ফেসবুকে নানা জনের পোস্ট থেকে জানা যাচ্ছে। এই ছাঁটাই নিয়ে মূলধারার মিডিয়ায় খবর হচ্ছে বলে চোখে পড়ছে না। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের ছাঁটায়ের খবরও টেলিভিশন, পত্রিকায় প্রচারিত হয়। মিডিয়াকর্মীদের ছাঁটায়ের খবর মূলধারার মিডিয়া প্রকাশ করতে পারে না বা করে না। এই চিত্রটিই কিন্তু মিডিয়ার ‘মিডিয়া হিসেবে সক্ষমতা’র জানান দেয়।

[২] মিডিয়া যখন কর্মী ছাঁটাই করে তখন তারা তাদের কী বলে ছাঁটাই করে? তারা কী বলে, প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে গেছে- কাজেই আমাদের এতো কর্মীর দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না? নাকি তারা বলে, তোমাকে দিয়ে কাজ হচ্ছে না! নাকি বলে, আমাদের আসলে এতো লোকের দরকার নেই। যাদের ছাঁটাই করা হয়, তাদের কি কারণ দেখিয়ে ছাঁটাই করা হয়?

[৩] বিভিন্ন মিডিয়ার উর্ধ্বতন পর্যায়ের ব্যবস্থাপকদের সাথে কথা বলে মনে হয়েছে, তারা (অধিকাংশই) মনে করেন, তাদের ওভারস্টাফিং আছে এবং যে পরিমাণ কর্মী আছে তা না থাকলেও চলে। এই যে ‘যে পরিমাণ কর্মী আছে, তা না থাকলেও চলে’- এই ধারণাটার সাথে কর্মীদের পারফরমেন্সের প্রশ্ন জড়িত। ঢাকার অধিকাংশ মিডিয়ায় (অধিকাংশ বলছি, সব নয়) নিজেদের মধ্যে যে পরিমাণ ‘ল্যাঙ মারামারি’ চলে, তাতে কর্মীদের পারফরমেন্স দেখানোর সুযোগই তো থাকে না। চিফ রিপোর্টার, নিউজ এডিটর, চিফ নিউজ এডিটর- একেজনের একেটা গ্রুপ থাকে, এসব গ্রুপ কে কাকে ল্যাঙ মারবে, কাকে দমিয়ে রাখবে- এসব ভাবতে ভাবতে প্রতিষ্ঠানের কাজ করার আর সুযোগ পায় না। একটা সময় নীচের দিককার কর্মীরাও বুঝে যায়Ñ কাজ করার চেয়ে, দক্ষতা অর্জনের চেয়ে- ‘গ্রুপের বস’দের খুশি রাখাটা অন্তত চাকরি টিকিয়ে রাখার নিশ্চয়তা দেবে। এসব বসরা, গ্রুপের ‘চ্যালারা’ও কে কে প্রতিষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয়, কে কে একেবারেই কাজ করে না কিংবা কাজ পারে না, কে কে বসে বসে বেতন পায়- এইসব ফুসুর ফুসুর করে এক সময় মালিকদের কানে তুলে দেয়। মালিকরা তালিকা করে হিসেবে করে দেখে তার প্রতিষ্ঠানের কেউ আসলে কাজই করে না। এই তালিকাটা কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মিড ম্যানেজমেন্টই ব্যক্তিগত অপছন্দ থেকে করে ফেলে নিজের অজান্তে।

[৪] ইউনিয়ন নিয়ে কোনো কথা আপাতত বললাম না। কিন্তু হাউজে হাউজে যারা প্রতিষ্ঠানের টিমের বদলে নিজেদের টিম গড়ায় ব্যস্ত এবং অন্য টিমকে অপ্রয়োজনীয় হিসেবে চিহ্নিত করে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টায় সারাবছর ব্যস্ত থেকেছেন- তারাই যে মিডিয়ার আজকের পরিস্থিতিটা তৈরি করে দিযেছেন, এটা ঢাকার সংবাদকর্মীদের বুঝতে হবে। [৫] ‘অমুক ভাই’ ‘তমুক আপার টিম’- এই চর্চাটাই ঢাকার মিডিয়াকর্মীদের নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় হুমকি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ