শিরোনাম
◈ মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত ইরান ত্যাগের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ◈ নিউইয়র্ক সিটিতে বিক্ষোভ: পাশে দাঁড়ালেন মামদানি ◈ বার্সার কাছে হারের পর জাবি আলোনসোকে বরখাস্ত করল রিয়াল মাদ্রিদ ◈ অস্ট্রেলিয়ায় শিশুদের সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ: ৫ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট ব্লক করল মেটা ◈ বাংলাদেশি শনাক্তে এআই টুল তৈরি করছে ভারত ◈ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ ঢাকা–করাচি ফ্লাইটের সব টিকিট ◈ ভিসা নিয়ে বাংলাদেশকে বড় দুঃসংবাদ দিল অস্ট্রেলিয়া ◈ নির্বাচনী মাঠ ছাড়ছেন বিদ্রোহীরা, স্বস্তিতে বিএনপি-জোট ◈ মহাকাশ অভিযানে বড় ধাক্কা, যান্ত্রিক ত্রুটিতে ১৬ স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ হারাল ভারত ◈ ‘তিন ভাই মিলে খুন করলেন কেন?’—মুসাব্বির হত্যা মামলায় বিস্মিত আদালত

প্রকাশিত : ০৪ জুলাই, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুলাই, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুশফিক ওয়াদুদ: বাংলাদেশের সংবাদপত্র একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এবং এই পরিস্থিতি একদিনে আসেনি

মুশফিক ওয়াদুদ: এমন একটি সময়ে প্রধান প্রধান পত্রিকাগুলো থেকে ছাঁটাই নিসন্দেহে খারাপ একটি সংবাদ। যেসব সাংবাদিক চাকরি হারাবেন, তারা দুঃসহ জীবনযাপন করবেন। সংবাদপত্র থেকে আমার নিজের চাকরি হারানোর অভিজ্ঞতা আছে। চাকরি হারানোর বেদনা আমি বুঝি। দুঃখজনক বিষয় হলো যে সব পত্রিকা ছাটাই করবে বলে শোনা যাচ্ছে তাদের অতীতে হুটহাট ছাটাইয়ের ইতিহাস নেই। অনেকটা সরকারি চাকরির মতো ছিলো এসব প্রতিষ্ঠান। কতোটুকু নাজুক পরিস্থিতিতে পরলে এমন একটি সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সাংবাদিকতার শীর্ষে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানগুলো তা ধারণা করতে পারি। কিন্তু আমরা যারা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছি তারা কী সমানভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই যখন সরকারিভাবে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিজ্ঞাপন না দেওয়ার জন্য বাধ্য করা হয়।

অথবা আমরা কি পাঠককে পত্রিকা কিনে পড়ার আহ্বান জানাই। পাঠক পত্রিকা না কিনলে, ব্যবসায়ীরা বিজ্ঞাপন না দিলে সংবাদপত্র মালিকরা তাদের বেতন দেবেন কোথা থেকে? বাংলাদেশের সংবাদপত্র একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এবং এই পরিস্থিতি একদিনে আসেনি। এর দায় আমাদের সবার। যে সরকার অন্যায়ভাবে বিজ্ঞাপনে নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করে, তার দায় সবচেয়ে বেশি। যে পাঠক টাকা দিয়ে কিনে পত্রিকা পড়তে চান না, সেও দায়ী। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়