শিরোনাম
◈ আপিল শুনানিতে কোনো পক্ষপাত করা হয়নি: সিইসি ◈ ইসি থেকে সুখবর পেলেন বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টু ◈ দেশীয় স্পিনিং শিল্প রক্ষায় সুতা আমদানির শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ◈ ইতালির টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট দল ঘোষণা, অধিনায়ক প্রাক্তন হকি খেলোয়াড় ◈ জামায়াত কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিকাশ-এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করছেন: অভিযোগ ফখরুলের (ভিডিও) ◈ ২৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা এনসিপির, কোন আসনে কে লড়বেন ◈ সিইসির সঙ্গে বৈঠকে মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দল ◈ ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ চূড়ান্ত, অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদের অপেক্ষায় ◈ মাদারীপুরে ইজিবাইককে চাপা দিয়ে বাস খাদে, নিহত ৫ ◈ ইউএনওকে ‘শাসানোয়’ সেই ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

প্রকাশিত : ০৪ জুলাই, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুলাই, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুশফিক ওয়াদুদ: বাংলাদেশের সংবাদপত্র একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এবং এই পরিস্থিতি একদিনে আসেনি

মুশফিক ওয়াদুদ: এমন একটি সময়ে প্রধান প্রধান পত্রিকাগুলো থেকে ছাঁটাই নিসন্দেহে খারাপ একটি সংবাদ। যেসব সাংবাদিক চাকরি হারাবেন, তারা দুঃসহ জীবনযাপন করবেন। সংবাদপত্র থেকে আমার নিজের চাকরি হারানোর অভিজ্ঞতা আছে। চাকরি হারানোর বেদনা আমি বুঝি। দুঃখজনক বিষয় হলো যে সব পত্রিকা ছাটাই করবে বলে শোনা যাচ্ছে তাদের অতীতে হুটহাট ছাটাইয়ের ইতিহাস নেই। অনেকটা সরকারি চাকরির মতো ছিলো এসব প্রতিষ্ঠান। কতোটুকু নাজুক পরিস্থিতিতে পরলে এমন একটি সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সাংবাদিকতার শীর্ষে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানগুলো তা ধারণা করতে পারি। কিন্তু আমরা যারা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছি তারা কী সমানভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই যখন সরকারিভাবে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিজ্ঞাপন না দেওয়ার জন্য বাধ্য করা হয়।

অথবা আমরা কি পাঠককে পত্রিকা কিনে পড়ার আহ্বান জানাই। পাঠক পত্রিকা না কিনলে, ব্যবসায়ীরা বিজ্ঞাপন না দিলে সংবাদপত্র মালিকরা তাদের বেতন দেবেন কোথা থেকে? বাংলাদেশের সংবাদপত্র একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এবং এই পরিস্থিতি একদিনে আসেনি। এর দায় আমাদের সবার। যে সরকার অন্যায়ভাবে বিজ্ঞাপনে নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করে, তার দায় সবচেয়ে বেশি। যে পাঠক টাকা দিয়ে কিনে পত্রিকা পড়তে চান না, সেও দায়ী। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়