শিরোনাম
◈ কালোবাজারিদের বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব : ধর্মমন্ত্রী ◈ রোজায় স্কুলের ছুটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ◈ জনগণের নিরাপত্তা ও মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মজুতদার ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের যুদ্ধ ঘোষণা ◈ জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় পিছিয়ে নতুন সময় ঘোষণা ◈ পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে শুরু রোজা ◈ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে: ইসি ◈ মানবিক সফরে ঢাকায় এলেন বিশ্বকাপজয়ী মেসুত ওজিল ◈ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না, নীতিমালা জারি ◈ স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪ জুলাই, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুলাই, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুশফিক ওয়াদুদ: বাংলাদেশের সংবাদপত্র একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এবং এই পরিস্থিতি একদিনে আসেনি

মুশফিক ওয়াদুদ: এমন একটি সময়ে প্রধান প্রধান পত্রিকাগুলো থেকে ছাঁটাই নিসন্দেহে খারাপ একটি সংবাদ। যেসব সাংবাদিক চাকরি হারাবেন, তারা দুঃসহ জীবনযাপন করবেন। সংবাদপত্র থেকে আমার নিজের চাকরি হারানোর অভিজ্ঞতা আছে। চাকরি হারানোর বেদনা আমি বুঝি। দুঃখজনক বিষয় হলো যে সব পত্রিকা ছাটাই করবে বলে শোনা যাচ্ছে তাদের অতীতে হুটহাট ছাটাইয়ের ইতিহাস নেই। অনেকটা সরকারি চাকরির মতো ছিলো এসব প্রতিষ্ঠান। কতোটুকু নাজুক পরিস্থিতিতে পরলে এমন একটি সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সাংবাদিকতার শীর্ষে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানগুলো তা ধারণা করতে পারি। কিন্তু আমরা যারা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছি তারা কী সমানভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই যখন সরকারিভাবে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিজ্ঞাপন না দেওয়ার জন্য বাধ্য করা হয়।

অথবা আমরা কি পাঠককে পত্রিকা কিনে পড়ার আহ্বান জানাই। পাঠক পত্রিকা না কিনলে, ব্যবসায়ীরা বিজ্ঞাপন না দিলে সংবাদপত্র মালিকরা তাদের বেতন দেবেন কোথা থেকে? বাংলাদেশের সংবাদপত্র একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এবং এই পরিস্থিতি একদিনে আসেনি। এর দায় আমাদের সবার। যে সরকার অন্যায়ভাবে বিজ্ঞাপনে নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করে, তার দায় সবচেয়ে বেশি। যে পাঠক টাকা দিয়ে কিনে পত্রিকা পড়তে চান না, সেও দায়ী। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়