শিরোনাম
◈ রাজধানীতে মিরপুরে আতশবাজির ফুলকি থেকে ভবনে আগুন ◈ শোকের মাঝেও উৎসব: রাজধানীতে আতশবাজি–ফানুসে নববর্ষ বরণ ◈ যখন শেখ হাসিনার মুক্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া ◈ শুরু হলো ইংরেজি নতুন বর্ষ ২০২৬ ◈ নববর্ষের অঙ্গীকার হবে—অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন: তারেক রহমান ◈ খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে মোদির শোকবার্তা, যা লেখা আছে এতে ◈ বেনাপোল কাস্টমস কমিশনারসহ ১৭ কমিশনার বদলি ◈ বেগম খালেদা জিয়ার কফিন বহন করলেন তিন আলেম: আজহারী, আহমাদুল্লা ও মামুনুল হক ◈ বেগম খালেদা জিয়া: ক্ষমতা ও প্রতিরোধের জীবন ◈ রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকার: ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকের কথা জানালেন জামায়াত আমীর

প্রকাশিত : ০৪ জুলাই, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুলাই, ২০২০, ১২:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুশফিক ওয়াদুদ: বাংলাদেশের সংবাদপত্র একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এবং এই পরিস্থিতি একদিনে আসেনি

মুশফিক ওয়াদুদ: এমন একটি সময়ে প্রধান প্রধান পত্রিকাগুলো থেকে ছাঁটাই নিসন্দেহে খারাপ একটি সংবাদ। যেসব সাংবাদিক চাকরি হারাবেন, তারা দুঃসহ জীবনযাপন করবেন। সংবাদপত্র থেকে আমার নিজের চাকরি হারানোর অভিজ্ঞতা আছে। চাকরি হারানোর বেদনা আমি বুঝি। দুঃখজনক বিষয় হলো যে সব পত্রিকা ছাটাই করবে বলে শোনা যাচ্ছে তাদের অতীতে হুটহাট ছাটাইয়ের ইতিহাস নেই। অনেকটা সরকারি চাকরির মতো ছিলো এসব প্রতিষ্ঠান। কতোটুকু নাজুক পরিস্থিতিতে পরলে এমন একটি সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সাংবাদিকতার শীর্ষে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানগুলো তা ধারণা করতে পারি। কিন্তু আমরা যারা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছি তারা কী সমানভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই যখন সরকারিভাবে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিজ্ঞাপন না দেওয়ার জন্য বাধ্য করা হয়।

অথবা আমরা কি পাঠককে পত্রিকা কিনে পড়ার আহ্বান জানাই। পাঠক পত্রিকা না কিনলে, ব্যবসায়ীরা বিজ্ঞাপন না দিলে সংবাদপত্র মালিকরা তাদের বেতন দেবেন কোথা থেকে? বাংলাদেশের সংবাদপত্র একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এবং এই পরিস্থিতি একদিনে আসেনি। এর দায় আমাদের সবার। যে সরকার অন্যায়ভাবে বিজ্ঞাপনে নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করে, তার দায় সবচেয়ে বেশি। যে পাঠক টাকা দিয়ে কিনে পত্রিকা পড়তে চান না, সেও দায়ী। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়