সিরাজুল ইসলাম: [২] এপ্রিলের কোন একদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে ফোনে এ হুমকি দেন।
[৩] ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে তেল যুদ্ধ বন্ধ করার জন্যও চাপ দেন। দুইবার ফোনে কথা হয়। একান্তে কথা বলার জন্য সালমান তার সহযোগীদের ঘর থেকে বের করে দেন। সেখানে থাকা এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ওপেক’কে তেল উৎপাদন কমাতে চাপ দেন ট্রাম্প। বলেন, সৌদি আরব থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য এমিপরা আইন প্রণয়ন করতে চাচ্ছেন। তেল উৎপাদন না কমালে তিনি এমপিদের থামাতে ক্ষমতাহীন হয়ে পড়বেন।
[৪] ৭৫ বছরের এই মিত্র রাষ্ট্রের হুমকির ১০ দিনের মাথায় ওপেক তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দেয়। করোনার কারণে বিশ্বে তেলের চাহিদায় ধস নেমেছে। এতে কমেছে অপরিশোধিত জ্বালানী তেলের দাম। মার্কিন তেল শিল্প বাঁচানোর জন্যই ট্রাম্প এ হুমকি দেন। এটাকে বড় বিজয় হিসেবে দেখছে হোয়াইট হাউস।
[৫] সৌদি আরবকে বিভিন্ন কূটনীতিক চ্যানেলে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, আমরা আপনাদের শিল্প (তেল) রক্ষা করছি। আপনারা আমাদেরটা ধ্বংস করছেন। চারটি সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। হুমকির কথা অস্বীকার করেছেন ট্রাম্প। সূত্র: রয়টার্স