শিরোনাম
◈ জাতিসংঘের প্রতিবেদন ‘অত্যন্ত ভুল তথ্যে ভরা’, ১,৪০০ মৃত্যুর হিসাব প্রত্যাহারের দাবি শেখ হাসিনার! ◈ শহীদ জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা,ঢাকা ১৬ টি স্থানে বস্ত্র বিতরনে অংশ নিবেন ◈ ট্রাম্পের গলফ প্রকল্পে ভাঙছে কবরস্থান, জমি ছাড়তে নারাজ কৃষকেরা, ক্ষোভে ফুঁসছে ভিয়েতনামের গ্রামবাসী ◈ ট্রাম্পের দেওয়া যে ২ শর্তে ঝুলে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি ◈ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ধ্বংস হয়েছে ৬ হাজার ৪৭৩টি ইসরায়েলি বাড়ি: জেরুজালেম পোস্ট ◈ আজ রা‌তে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আর্সেনাল ও পিএস‌জি মু‌খোমু‌খি ◈ বর্ষায় গো-খাদ্যের ভরসা যমুনার চর, ঘাসের হাটে মিলছে কৃষকের স্বস্তি ◈ পথ দেখাচ্ছে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের তরুণীরা : প্যারিসে অধ্যাপক ইউনূস ◈ বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকার প্রশংসা জাতিসংঘের ◈ বিশ্বকা‌পের গ্রুপ প‌র্বে বেলজিয়ামের সামনে মিশর-ইরান ও নিউজিল্যান্ড চ্যালেঞ্জ

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২০, ০৭:২০ সকাল
আপডেট : ১৮ এপ্রিল, ২০২০, ০৭:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] তিনদিন স্বজনদের অপেক্ষার পর দাফন করা হলো মৃত বৃদ্ধের লাশ!

মুসবা তিন্নি : [২] রাজশাহী মহানগরীর একটি রাস্তার ড্রেনের পাশে পড়ে কাতরাছিলেন ৭০ বছরের এক অসহায় বৃদ্ধ। তাকে কোলে তুলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান পুলিশের এসআই শাহাদত আলী। হাসপাতালে তার চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এরপর খুঁজতে বের হন বৃদ্ধের স্বজনদের। এরই মধ্যে হাসপাতাল থেকে আসে বৃদ্ধের মৃত্যু সংবাদ। তিনদিন পর্যন্ত স্বজনদের অপেক্ষায় মর্গে পড়েছিল তার মরদেহ।

[৩] শেষ পর্যন্ত স্বজনদের খোঁজ না পেয়ে সন্তানের মতো দাঁড়িয়ে থেকে মরদেহ দাফন করেছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ কর্মকর্তা শাহাদত আলী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় কর্মরত। গত ২৯ মার্চ রাজশাহী নগরের ঘোড়ামারা রেশমপট্টি মসজিদ এলাকার জনাকীর্ণ রাস্তার ড্রেনের পাশ থেকে অজ্ঞাত ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করেন এসআই শাহাদত আলী।

[৪] ওই দিনই তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ এপ্রিল বৃদ্ধ মারা যান। অনেক চেষ্টার পরও তার স্বজনদের খুঁজে পাননি এসআই শাহাদত। শেষ পর্যন্ত বুধবার বেওয়ারিশ হিসেবে নগরের হেতমখাঁ গোরস্থানে বৃদ্ধের মরদেহ দাফন করা হয়।

[৫] ঘটনা প্রসঙ্গে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদত আলী বলেন, রেশমপট্টি মসজিদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ওই বৃদ্ধকে ড্রেনের পাশে পড়ে থাকতে দেখি। সবাই পাশে দাঁড়িয়ে দেখলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। কাছে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করি। কিন্তু কথা বলতে পারছিলেন না তিনি। তখন তাকে পানি ও জুস খাওয়াই। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করি।

[৬] এরপর তার খাবারের ব্যবস্থা করি। সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবরও রাখি। পরের দিন গিয়ে নিজ হাতে তাকে খাইয়ে আসি। তিনদিন পর হাসপাতালে গিয়ে দেখি অনেকটাই সুস্থ তিনি। ভর্তির ১৪ দিন পর হঠাৎ হাসপাতাল থেকে ফোন আসে। ফোনের ওপাশ থেকে জানানো হয় ওই বৃদ্ধ বেঁচে নেই। কথা শোনার পর আমি স্তম্ভিত হয়ে যাই।

[৭] এসআই শাহাদত বলেন, মৃত্যুর তিনদিন পর্যন্ত মরদেহ মর্গে রেখে বৃদ্ধের পরিচয় জানার চেষ্টা করেছি। খুঁজেছি তার স্বজনদের। কিন্তু স্বজনের সন্ধান পাইনি। অবশেষে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বেওয়ারিশ হিসেবে তার মরদেহ দাফন করি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়