শিরোনাম
◈ ৬০ হাজার কোটি টাকায় হচ্ছে ঢাকা-কুমিল্লা নতুন রেলপথ ◈ সুনামগঞ্জে এসিল্যান্ডের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য, ইউএনওকে দায়ী করার পর ঢাকায় নেওয়া হলো তাঁকে ◈ মক্কায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বিষয়ে যে ৬ প্রশ্নের জবাব চেয়ে সৌদি আরবের কাছে চিঠি বাংলাদেশের ◈ ইউরোপের ডেনিম বাজারে বাংলাদেশের আধিপত্য, ৮ মাসে রপ্তানি কমলেও শীর্ষস্থান অটুট ◈ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন স্পিকার? সংবিধান সংশোধন কমিটিতে প্রস্তাব, ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে যে আলোচনা হলো ◈ শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে এবার ৮৮ লাখ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও তারেক রহমানকে লেখা রহস্যময় চিঠিও ◈ ব্যাটিং কোচের পদ থেকে আশরাফুলকে অব‌্যাহ‌তি দি‌লো বি‌সি‌বি ◈ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর ◈ ম‌্যান‌চেস্টার সিটির জয়রথ থামিয়ে দিলো ভিলা, জ্যাকসনের জোড়া আঘাত ◈ টঙ্গীতে শিশুকে নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে, এবার শিশুটির বাবাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২০, ০৭:২০ সকাল
আপডেট : ১৮ এপ্রিল, ২০২০, ০৭:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] তিনদিন স্বজনদের অপেক্ষার পর দাফন করা হলো মৃত বৃদ্ধের লাশ!

মুসবা তিন্নি : [২] রাজশাহী মহানগরীর একটি রাস্তার ড্রেনের পাশে পড়ে কাতরাছিলেন ৭০ বছরের এক অসহায় বৃদ্ধ। তাকে কোলে তুলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান পুলিশের এসআই শাহাদত আলী। হাসপাতালে তার চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এরপর খুঁজতে বের হন বৃদ্ধের স্বজনদের। এরই মধ্যে হাসপাতাল থেকে আসে বৃদ্ধের মৃত্যু সংবাদ। তিনদিন পর্যন্ত স্বজনদের অপেক্ষায় মর্গে পড়েছিল তার মরদেহ।

[৩] শেষ পর্যন্ত স্বজনদের খোঁজ না পেয়ে সন্তানের মতো দাঁড়িয়ে থেকে মরদেহ দাফন করেছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ কর্মকর্তা শাহাদত আলী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় কর্মরত। গত ২৯ মার্চ রাজশাহী নগরের ঘোড়ামারা রেশমপট্টি মসজিদ এলাকার জনাকীর্ণ রাস্তার ড্রেনের পাশ থেকে অজ্ঞাত ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করেন এসআই শাহাদত আলী।

[৪] ওই দিনই তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ এপ্রিল বৃদ্ধ মারা যান। অনেক চেষ্টার পরও তার স্বজনদের খুঁজে পাননি এসআই শাহাদত। শেষ পর্যন্ত বুধবার বেওয়ারিশ হিসেবে নগরের হেতমখাঁ গোরস্থানে বৃদ্ধের মরদেহ দাফন করা হয়।

[৫] ঘটনা প্রসঙ্গে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদত আলী বলেন, রেশমপট্টি মসজিদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ওই বৃদ্ধকে ড্রেনের পাশে পড়ে থাকতে দেখি। সবাই পাশে দাঁড়িয়ে দেখলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। কাছে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করি। কিন্তু কথা বলতে পারছিলেন না তিনি। তখন তাকে পানি ও জুস খাওয়াই। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করি।

[৬] এরপর তার খাবারের ব্যবস্থা করি। সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবরও রাখি। পরের দিন গিয়ে নিজ হাতে তাকে খাইয়ে আসি। তিনদিন পর হাসপাতালে গিয়ে দেখি অনেকটাই সুস্থ তিনি। ভর্তির ১৪ দিন পর হঠাৎ হাসপাতাল থেকে ফোন আসে। ফোনের ওপাশ থেকে জানানো হয় ওই বৃদ্ধ বেঁচে নেই। কথা শোনার পর আমি স্তম্ভিত হয়ে যাই।

[৭] এসআই শাহাদত বলেন, মৃত্যুর তিনদিন পর্যন্ত মরদেহ মর্গে রেখে বৃদ্ধের পরিচয় জানার চেষ্টা করেছি। খুঁজেছি তার স্বজনদের। কিন্তু স্বজনের সন্ধান পাইনি। অবশেষে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বেওয়ারিশ হিসেবে তার মরদেহ দাফন করি।

  • সর্বশেষ