শিরোনাম
◈ বিদেশি নাগরিকদের জরুরি সতর্কবার্তা দিলো মার্কিন দূতাবাস ◈ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরের সাফল্যে সংসদে সর্বসম্মত ধন্যবাদ প্রস্তাব ◈ জাতীয় পরিচয়পত্র ১৫ বছর পূর্ণ হলেই নবায়ন বাধ্যতামূলক করতে ভাবছে নির্বাচন কমিশন! (ভিডিও) ◈ ক্রীড়াবিদদের সুযোগ দিলে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বাড়বে: সেনাপ্রধান ◈ হরমুজ প্রণালী‌তেকার্গো জাহাজে ইরানের হামলার পর পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ ধর্মীয় কার‌ণে মুসলিম ফুটবলারদের জন্য বিশ্বকা‌পে ম্যাচ সেরার আলাদা পুরস্কার   ◈ রাজধানীজুড়ে কালিমাখচিত সাদা পতাকা, কারা লাগাচ্ছে জানে না পুলিশ, উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্তে প্রশাসন ◈ লিও‌নেল মে‌সি ইতিহাসের সেরা: নেদারল‌্যান্ডস তারকা ডি ইয়ং ◈ ক্ষুধার সমস্যা সমাধানে আমেরিকার নিজেরই সাহায্যের প্রয়োজন: ইরান পররাস্ট্র মন্ত্রণালয় ◈ আইসি‌সি ইস‌্যু‌তে আমার বিরু‌দ্ধে শুধুই মিথ‌্যা অভিযোগ, বল‌লেন বুলবুল

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২০, ০৭:২০ সকাল
আপডেট : ১৮ এপ্রিল, ২০২০, ০৭:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] তিনদিন স্বজনদের অপেক্ষার পর দাফন করা হলো মৃত বৃদ্ধের লাশ!

মুসবা তিন্নি : [২] রাজশাহী মহানগরীর একটি রাস্তার ড্রেনের পাশে পড়ে কাতরাছিলেন ৭০ বছরের এক অসহায় বৃদ্ধ। তাকে কোলে তুলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান পুলিশের এসআই শাহাদত আলী। হাসপাতালে তার চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এরপর খুঁজতে বের হন বৃদ্ধের স্বজনদের। এরই মধ্যে হাসপাতাল থেকে আসে বৃদ্ধের মৃত্যু সংবাদ। তিনদিন পর্যন্ত স্বজনদের অপেক্ষায় মর্গে পড়েছিল তার মরদেহ।

[৩] শেষ পর্যন্ত স্বজনদের খোঁজ না পেয়ে সন্তানের মতো দাঁড়িয়ে থেকে মরদেহ দাফন করেছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ কর্মকর্তা শাহাদত আলী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় কর্মরত। গত ২৯ মার্চ রাজশাহী নগরের ঘোড়ামারা রেশমপট্টি মসজিদ এলাকার জনাকীর্ণ রাস্তার ড্রেনের পাশ থেকে অজ্ঞাত ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করেন এসআই শাহাদত আলী।

[৪] ওই দিনই তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ এপ্রিল বৃদ্ধ মারা যান। অনেক চেষ্টার পরও তার স্বজনদের খুঁজে পাননি এসআই শাহাদত। শেষ পর্যন্ত বুধবার বেওয়ারিশ হিসেবে নগরের হেতমখাঁ গোরস্থানে বৃদ্ধের মরদেহ দাফন করা হয়।

[৫] ঘটনা প্রসঙ্গে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদত আলী বলেন, রেশমপট্টি মসজিদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ওই বৃদ্ধকে ড্রেনের পাশে পড়ে থাকতে দেখি। সবাই পাশে দাঁড়িয়ে দেখলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। কাছে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করি। কিন্তু কথা বলতে পারছিলেন না তিনি। তখন তাকে পানি ও জুস খাওয়াই। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করি।

[৬] এরপর তার খাবারের ব্যবস্থা করি। সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবরও রাখি। পরের দিন গিয়ে নিজ হাতে তাকে খাইয়ে আসি। তিনদিন পর হাসপাতালে গিয়ে দেখি অনেকটাই সুস্থ তিনি। ভর্তির ১৪ দিন পর হঠাৎ হাসপাতাল থেকে ফোন আসে। ফোনের ওপাশ থেকে জানানো হয় ওই বৃদ্ধ বেঁচে নেই। কথা শোনার পর আমি স্তম্ভিত হয়ে যাই।

[৭] এসআই শাহাদত বলেন, মৃত্যুর তিনদিন পর্যন্ত মরদেহ মর্গে রেখে বৃদ্ধের পরিচয় জানার চেষ্টা করেছি। খুঁজেছি তার স্বজনদের। কিন্তু স্বজনের সন্ধান পাইনি। অবশেষে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বেওয়ারিশ হিসেবে তার মরদেহ দাফন করি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়