প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১০ টাকা কেজির চাল তো চেয়ারম্যানদের হাতে যাওয়ার কথা নয়

ওয়াহিদ রুবেল : ‘সম্প্রতি সময় ১০ টাকার চাল আত্মসাতের অভিযোগে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান আটক করা হচ্ছে (যদি কেউ অপরাধ করে থাকে তবে শাস্তির আওতায় আনা হোক)। এ নিয়ে সমালোচনায় মুখর ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। কিন্তু ১০ টাকা কেজির চাল তো চেয়ারম্যানদের হাতে যাওয়ার কথা নয়। তাহলে এ চালের পেছনে অন্য কোনো চালবাজি নেই তো? আমি যতটুকু জানি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং মেম্বাররা সুবিধাভোগীর তালিকা করে তা জমা দেন উপজেলা খাদ্য অফিসে। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সমন্বয়ে সভার মাধ্যমে তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের জন্য ডিলার নিয়োগ করা হয়। একজন ডিলার কতোজন উপকারভোগী তাও নির্ধারণ করা হয়। নিয়োগ পাওয়া ডিলার তালিকায় স্থান পাওয়া সাধারণ মানুষের মাঝে ১০ টাকা কেজির চাল বিতরণ করে থাকে।
এখানে আরও উল্লেখ্য যে, প্রতিজনের জন্য ৩০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকে। এখানে কমবেশি হওয়ার কথা নয়। যদি কোনো ডিলার কার্ডধারী কোনো ব্যক্তিকে চাল না দিয়ে আত্মসাৎ করেন তবে সে অপরাধী হবেন। অন্য কেউ নয়। এছাড়া খাদ্য গুদাম থেকে ৩০ কেজি বস্তার চাল সরবরাহ করে থাকে ডিলার। যা সরাসরি মাঝের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মাঝে মধ্যে ৫০ কেজি বস্তার চাল সংগ্রহ করে থাকে। এক্ষেত্রে ওজনে কম/বেশি দিতে পারে। অন্য কোনোভাবে চুরি করার সুযোগ নেই। এখানে মেম্বার বা চেয়ারম্যান কোনোভাবে জড়িত থাকেন না। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে ১০ টাকার এ চাল চেয়ারম্যানের কাছে কেন? এতোদিন তাদের গুদামে চাল ছিলো তা কি কেউ জানতো না? তবে যদি কেউ সরকারের যেকোনো ত্রাণ আত্মসাৎ করে তাদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত