বিশ্বজিৎ দত্ত: [২] করোনায় আভ্যন্তরীণ উৎপাদনে ব্যাঘাত ও আর্থিকখাতের দূর্বলতায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যদিও মাঝারি মেয়াদে প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারের কথা বলেছে সরকার।
[৩] দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ও আর্থিক খাতের পরিস্থিতির উপর আজ রিপোর্টটি প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক।
[ ৪] বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে বলা হয়, করোনায় অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ, আভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্য, আর্থিকখাত ও ব্যাংকিং সেক্টরের ক্ষতি হয়েছে।
[৫] দেশের গরীব মানুষ স্বাস্থ্যসেবা ও কর্ম থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে। কর্মহীনতা বাড়ছে। শহরে কর্মহীন মানুষ সবচেয়ে ভোগান্তির শিকার হবে। গ্রামে সৃষ্টি হবে বিপুল কর্মহীনতা।
[৬] ৬ মাস আগে দক্ষিণ এশিয়ার অঞ্চলিক প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০২১ সালে এটি হবে ৩ থেকে ৪ শতাংশ। গত ৪০ বছরের মধ্যে এটি হবে সবচেয়ে খারাপ প্রবৃদ্ধি।
[৭] এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে বলে মনে করে বিশ্বব্যাংক। তাদের মতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের আন্তর্জাতিক চাহিদা কমে যাবে। বিশেষ করে গার্মেন্ট গভীর সংকটে পড়েবে। মানুষের ব্যক্তিগত ক্রয় ক্ষমতা কমে যাবে।
[৮] করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ গোষ্ঠি হলো ইনফরমাল সেক্টরের কর্মজীবীরা। খুচরা বিক্রেতা, যোগাযোগ সেক্টর যাদের নাম সামাজিক নিরাপত্তাকর্ম সূচিতে নেই। যাদেও স্বাস্থ্য সুরক্ষাও নেই।
[৯] বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি মার্সি টেমবল বলেন, যদিও বাংলাদেশ সরকার কেরানা মোকাবেলায় দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। স্বাস্থ্য ও আর্থিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য। এই মূহুর্তে সরকারের হাতে একটি সুযোগও এসেছে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম বৃদ্ধির।