শিরোনাম
◈ কাশ্মীর সীমান্তে একাধিক পাকিস্তানি ড্রোন শনাক্ত: সর্বোচ্চ সতর্কতায় ভারতীয় বাহিনী ◈ চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ থামছেই না: বাড়ছে আতঙ্ক, ঝুঁকিতে যাত্রীরা ◈ এবার বাংলাদেশের ওপর নজরদারি বাড়াতে নতুন নৌঘাঁটি বানাচ্ছে ভারত ◈ ভিয়েতনামে ২০ বছরের মধ্যে আসিয়ানের সবচেয়ে বড় তেলের মজুত সন্ধান! ◈ কাউন্সিল হ্যা বললে ২য় বিয়েতে স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না: হাইকোর্ট (ভিডিও) ◈ এক-দুই দিনের মধ্যে ২০-২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেবে এনসিপি ◈ কী ঘটেছিল, কী দেখে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছিল ডাকাতদল? যা জানাগেল (ভিডিও) ◈ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুছাব্বির হত্যা: ১৫ লাখ টাকা চুক্তিতে খুন, জড়িত তিন সহোদর ◈ ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১৯২, ‘ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের’ শঙ্কা মানবাধিকার সংস্থার ◈ নির্বাচনের পর কী করবেন ড. ইউনূস, জানাল প্রেস উইং

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ৩১ মার্চ, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিউবা বা চীন কেন পারে, রাশিয়া পারে, অন্যরা কেন পারে না করোনা মোকাবেলা করতে?

জাকির তালুকদার : কিউবা বা চীন কেন পারে, রাশিয়া পারে, অন্যরা কেন পারে না করোনা মোকাবেলা করতে? এই প্রশ্নটি কি উদিত হয় আমাদের মনে? যখন ইউরোপ-আমেরিকা অসহায়, তখন কিউবার মতো গরিব দেশ কেমন করে পারে উন্নতির চরম শিখরে থাকা দেশগুলোর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে?কারণ কিউবা বা চীন স্বাধীনতা লাভের পর প্রধানত নজর দিয়েছে জনগণের মৌলিক চাহিদার দিকে। অথবা বলা যেতে পারে বিপ্লবের পরে তারা চকমকে উন্নয়নকে সত্যিকারের উন্নয়ন মনে করেনি। তারা নজর দিয়েছে জনগণের পুষ্টি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থানের দিকে। সর্বাধিক ব্যয় করেছে স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাতে। দুর্নীতিবাজ কোনো নেতা বা আমলাকে তারা ছাড় দেয়নি। কোন ধরনের শিক্ষা তাদের দেশের এবং জনগণের জন্য সবচাইতে উপযোগী হবে গবেষণা করে সেগুলো বের করেছে। সেভাবে শিক্ষাগ্রহণে পাঠিয়েছে দেশের শিশু-কিশোর-যুবকদের। বিপ্লবের পর ফিদেল কাস্ত্রো উচ্চশিক্ষিত ডিগ্রিধারী ডাক্তার তৈরির জন্য সময় নষ্ট করেননি। প্রথমেই তিনি শর্টকোর্সে এবং মধ্যম কোর্সের মাধ্যমে তৈরি করেছেন হাজার হাজার প্যারামেডিক। তারা ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। জনগণকে প্রাথমিক এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য শিক্ষায় শিক্ষিত করেছে সর্ব পর্যায়ের মানুষকে। তারপর কিউবা (এবং চীনও) হাত দিয়েছে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানী তৈরির কাজে। নব্বই দশক পর্যন্ত কিউবাতে কোনো রঙিন টেলিভিশন ছিলো না। সাদা-কালো টিভিই চলতো। কিন্তু তাদের চিকিৎসাবিজ্ঞান পৌঁছে গিয়েছিলো পৃথিবীর সর্বোচ্চ মানে। অর্থাৎ তারা উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার নির্ণয়ে ভুল করেনি। জনগণকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি থেকে বঞ্চিত করে ঝলমলে উন্নয়নের ফুটানি দেখাতে যায়নি। কারণ তাদের সরকার জনগণের পক্ষের সরকার। যা আমরা কখনোই পাইনি।
সংযোজন : জনগণ কখন নেতাদের কথায় মনপ্রাণ ঢেলে সাড়া দেয়? যখন দেখতে পায় যে নেতারাও তাদেরই মতো জীবনযাপন করে। তাদের নেতারা বিলাসে গা ভাসায় না। তাদের সঙ্গে নেতাদের জীবনমানের খুব তফাৎ নেই। নেতারাও তাদের সঙ্গেই দুঃখ-কষ্ট ভাগাভাগি করে নেয়। এই জায়গাতে আমাদের দেশের নেতাদের সঙ্গে তাদের ফারাক যোজন যোজন। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়