শিরোনাম
◈ ২৩ বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ে পা দেবেন তারেক রহমান, বরণে প্রস্তুত বিএনপি নেতাকর্মীরা ◈ ৬.৭ ডিগ্রিতে নেমে এলো নওগাঁর তাপমাত্রা, শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন ◈ জকসু নির্বাচন: প্রাথমিক ফলাফলে ভিপি ও জিএস সহ শীর্ষ তিন পদে এগিয়ে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা ◈ হাদি হত্যায় চার্জশিট প্রত্যাখ্যান ইনকিলাব মঞ্চের: রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত থাকার দাবি ◈ প্রশাসনের আশ্বাসে সুন্দরবনে নৌযান ধর্মঘট প্রত্যাহার ◈ ক্রিকবাজের দাবি: আপাতত বাংলাদেশের অনুরোধে সাড়া দেয়নি আইসিসি ◈ রাজধানীতে আরেক হত্যাকাণ্ড: কদমতলীতে ভাঙারি ব্যবসায়ী নিহত ◈ ঢাকা-১৭ এ তারেক রহমানের প্রার্থিতা: ভোটের মাঠে নতুন হিসাব ◈ পুশইন, হাদি হত্যা ও ভিসা সংকটে টানাপোড়েন: বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াল ◈ কোনো বাপের বেটা নেই আমাকে থামাতে পারে: রুমিন ফারহানা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ২৯ মার্চ, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আবারও বলি, শেখ হাসিনা আপনি কঠোর হন, লকডাউন দিয়ে জান বাঁচান

অজয় দাশগুপ্ত  : এটা ঠিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লকডাউন দেননি। জনগণের প্রত্যাশা বা চাওয়া হয়তো পূরণ হয়নি। সেটা আমাদের অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও দেননি। কাগজে কলমে সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেনের হাল বাংলাদেশের তুলনায় খারাপ। এদিকে ডুবুডুবু আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বলছেন তার দেশ বা জাতি লকডাউনে থাকার জন্য জন্মায়নি। কিছুদিন পর সবাই বাধ্য হবে সুস্থ জীবনে ফিরতে। তখন হয়তো না খেয়ে মরতে হবে নয়তো করোনায়, চয়েস আপনার। ধরুন শেখ হাসিনা লকডাউন দিলেন, আপনি মানবেন? সরকারের স্তুতি করা আমার কাজ না। বরং মন্ত্রীগুলোর কথা শুনলে মনে হয় পাগলেরা প্রলাপ বকছেন। কিন্তু সরকার যখন সামাজিক দূরত্ব মানতে বলছে, এমনকি মিলিটারি নামিয়েছে কী করছেন তখন আপনি? দলে দলে গায়ে গা লাগিয়ে বাড়ি যাওয়া, ট্রেন বাস ফেরিতে গাদাগাদি করতে বলেছেন শেখ হাসিনা?
কলকাতার দিদি একবার নির্দেশ দিয়েছেন তাতেই বেশিরভাগ মানুষ মানছে। কারণ তারা ভয় পায়। জীবনকে ভালোবাসে। তাই লাঠি দেখলেই পালায়। আমাদের লাঠি নয় বন্দুক দিয়ে মারলেও যাবে না। এতো চেতনা এতো সাহস আমাদের। ২৫ মার্চ কী দেখলাম? বেচারী খালেদা জিয়া এতোদিন পর জেল থেকে ফিরলেন। অসুস্থ। ভালোবাসলে আপনি তাকে করোনাভাইরাস দিতে যেতেন? তাও দলবেঁধে। মোটরসাইকেল নিয়ে। এই উন্মাদ পাগলদের ঠেকাবে কে? তাদের মহাসচিব মাইকিং করেও ঠেকাতে পারেননি। আওয়ামী নেতারা দেখলাম দলে দলে লোক নিয়ে করোনাবিরোধী প্রচারে নেমেছেন। জঘন্য। নিজেরা আইন করে নিজেরা ভাঙছেন তারা। অপ্রয়োজনীয় জেদ বা উত্তেজনায় ভোটের আয়োজনও প্ররোচনা যুগিয়েছে বৈকি। যার কোনো কারণ ছিলো না। শেখ হাসিনা ২৫ মার্চ ভেঙে বললেন একা কেউ পারবে না। বিত্তবান সফল ধনীরা যেন এগিয়ে আসে। সরকারও রাজনীতির সুযোগে লুটপাট করা ধনীরা আসেনি। কারণ তাদের অর্থ অবৈধ। বেশিরভাগ বিদেশে। অথচ ক্রিকেটাররা বেতনের হাফ টাকা দিয়ে দিয়েছেন। ভারতবিরোধী জনগণ কী জানেন না চাইতেই তাদের নায়ক অক্ষয় কুমার ১৫০ কোটি টাকা দান করেছেন? আম্বানী পরিবারের অনুদান বিশাল। তারা হাসপাতালও বানাচ্ছে। দক্ষিণ ভারতে সবাই মিলে নেমেছে দেশ বাঁচাতে। চাল, রুটি, আটা, পেঁয়াজ, মরিচ, নুন মজুদ করে পিকনিক করা জাতি শেখ হাসিনা নয় দেবতা এলেও সমালোচনা করবে আর আইন মানবে না। আবারও বলি, শেখ হাসিনা আপনি কঠোর হন। লকডাউন দিয়ে জান বাঁচান। আর আপনি? কোথায় কোথায় ঘুরবেন, চা খাবেন, কাকে কাকে দেখতে যাবেন লিস্টটা করবেন, না ঘরে থাকবেন? সিদ্ধান্ত নিন। সময় বড় কম। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়