প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মির্জাপুরে বাজারগুলোতে বাড়ছে জনসমাগম, মনিটরিংয়ের ঘাটতি

মাজহারুল শিপলু, মির্জাপুর প্রতিনিধি : [২] প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশে নেয়া হয়েছে নানা ধরণের উদ্যোগ। স্থানীয় প্রশাসনের সাথে নিরলসভাবে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন সেনাবাহিনী, পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে এতোকিছুর পরও এই মহামারিতে সামাজিক দূরত্বে থাকার বিষয়টি তেমনটা মানছেন না জনগণ! তবে বিষয়টি সচেতনতায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মনিটরিংয়ে ঘাটতি রয়েছে বলে দাবি করেছেন সচেতন মহলের নাগরিকরা।

[৩] সরজমিনে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পৌর সদর, দেওহাটা, গোড়াই, বরাটি বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা যায় বিশেষ করে কাঁচাবাজার, মাছ বাজার ও ফার্মেসীগুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি অধিকাংশ জনগণই তোয়াক্কা করছেন না। নিজের বা পরিবারের কিংবা দেশের মানুষের রোগে আক্রান্ত হওয়ার কথা না ভেবেই অনিরাপদাবস্থায় নির্বিঘেœ রাস্তা-ঘাটে চলাফেরা করতে দেখা গেছে অনেককেই।

[৪] করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেখানে প্রতিটি ইউনিয়নে দায়িত্বে রয়েছে একেকজন কর্মকর্তা।

[৫] সকলেই মানছেন না সামাজিক দূরত্ব, নিরবিচ্ছিন্নভাবে ঘোরাফেরাও করছেন অনেকেই এ বিষয়ে গঠিত কমিটিতে মির্জাপুর পৌর সদরের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, মাননীয় সরকার কাঁচাবাজারসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ব্যতিত অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যার ফলে বিভিন্নস্থানে জনসমাগম হওয়ার তথ্য পাচ্ছি এবং সঙ্গে সঙ্গেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছি এবং জনসমাগম যাতে না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

[৬] করোনা মোকাবেলায় গঠিত উপজেলা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক বলেন, আমরা নিরবিচ্ছিনভাবে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। অভিযানে গেলে মানুষ আমাদের দেখে দৌড়ে পালায়। তবে মানুষের মধ্যে সচেতনতার ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। আমরা সবাইকে সচেতন করার চেষ্টা করে চলেছি। এরপরও যারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে করোনা মোকাবেলায় সহযোগিতা না করবে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে। আতঙ্ক নয় ভইরাস মোকাবেলায় সকলের সহযোগিতা চান এই কর্মকর্তা।

[৭] সংশ্লিষ্ট তথ্যমতে মার্চের শুরু থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত এ উপজেলায় মোট ২৫৩ জন প্রবাসী বিভিন্ন দেশ থেকে বাড়ি ফিরেছেন। এর মধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ১৮১ জন, ইতিমধ্যে হোম কোয়ারেন্টিন সমাপ্ত করেছেন ৭২ জন। স্বস্তির বিষয় এখনো এ উপজেলায় কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি, তবে প্রবাসীদের মধ্যে কেউ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করলে কাউকেই ছাড় দেয়া হচ্ছে না বলে জানায় প্রশাসন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত