শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সঙ্গে ছাত্রদলের শীর্ষ পাঁচ নেতার বিদায়ী সাক্ষাৎ, আসছে নতুন কমিটি ◈ রাষ্ট্রপতি হলে কি রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে হয়? ◈ বাংলাদেশে নিজেদের গোপন নেটওয়ার্ক গঠনের চেষ্টা করছে আল-কায়েদা: জাতিসংঘের সতর্কর্তা ◈ বন্ধ হলো সামিটের এলএনজি সরবরাহ, গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা ◈ র‍্যাবের টিএফআই সেলে পৈশাচিক নির্যাতন: ট্রাইব্যুনালে চিকিৎসকের চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি ◈ সবার মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে: চিফ হুইপ ◈ লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল হবে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব: নৌপরিবহন মন্ত্রী ◈ সিসিটিভিতে মারধরের দৃশ্য, ছাত্রদল নেতার ঘটনায় ইউএনও বদলি ◈ ৭ জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস ◈ ২৬ আগস্ট সরকারি ছুটি থাকছে

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২০, ০৮:৩৪ সকাল
আপডেট : ২৩ মার্চ, ২০২০, ০৮:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লকডাউন করতে হবে দ্রুততার সঙ্গে এবং নিশ্ছিদ্র

 

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: নিউইয়র্ক টাইমসে একটা খুব জরুরি লেখা বেরিয়েছে যেটাতে বলা হয়েছে পৃথিবী ইতালির ডিজাস্টার থেকে কী শিখতে পারে এবং চীন, ভিয়েতনাম, হংকং, কোরিয়া তাদের সাফল্য থেকেও একই জিনিস শেখা যায়। ১. লকডাউন করতে হবে দ্রুততার সঙ্গে এবং নিশ্ছিদ্র। গাড়ি-ঘোড়া, অফিস-আদালত সব বন্ধ করে দিতে হবে একসঙ্গে। ধাপে ধাপে বন্ধ করাটা ভাইরাস ঠেকানোর ক্ষেত্রে অকার্যকর। কেবলমাত্র সেগুলাই খোলা থাকবে যেগুলা জীবন ররক্ষাকারী। খাবার দাবার, ওষুধ এ রকম। ২. রাজনৈতিক নেতারা বিপদটাকে হালকা করে দেখাতে পারবে না। উদাহরণ হিসেবে ইতালির রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে বারের ভেতর মদের গ্লাস হাতে একজনের একটা ছবি পোস্ট করে ‘মিলান তার স্বাভাবিক রুটিন বদলাবে না’ লেখাসহ বেশ কিছু নমুনা পেশ করেছে। যেগুলো থেকে মানুষ বিপদকে হালকাভাবে নেওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছে।

৩. সঠিক ব্যাপক এবং স্বচ্ছভাবে টেস্ট করতে হবে। ইতালির লোম্বর্ডি রিজনে যখন করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তখন সরকারি মন্ত্রীরা ধিক্কার দিয়ে বলছে, এতো মানুষের টেস্ট কেন করানো হচ্ছে, এতে ইতালির ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অর্থনীতির উপর চাপ তৈরি হবে। এই আত্মবিধ্বংসী ভুল না করে টেস্ট করাকে অনুপ্রাণিত করতে হবে। সঠিক তথ্যই বিপদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে, তথ্য গোপন নয়।৪. একপর্যায়ে ব্যাপক সংখ্যক মানুষকে ট্রেন বা বিমানযোগে মিলান থেকে বের হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। যেটাকে তারা ইতালিজুড়ে ‘কনটাজিয়নের ঢেউ’ বলছে। এটা না করে যে যেখানে আছে সেখানেই রাখতে হবে। (বলা বাহুল্য, কী এক অদ্ভুত কারণে এই ঢেউয়ের একটা বড় অংশ আমরা গ্রহণ করেছি। করলাম করলাম তখনই যদি তাদের সশস্ত্র বাহিনীর জিম্মায় কোয়ারান্টাইনে দিতাম, তবুও বাঁচা যেতো)। যাই হোক, মিলিয়ে দেখুন আমরাও এ রকম ভুল করছি কিনা।

করলে আর এক মুহূর্তও দেরি না করে সংশোধন করি চলেন। হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার জন্য সেনাবাহিনী এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে দল বানান। চীনা বা কিউবান ডাক্তারদের সাহায্য নেন, সরঞ্জাম আনান। আর সিটি কর্পোরেশনগুলো সকাল-বিকাল ডিজইনফ্যাকট্যান্ট ছিটান, প্রতিটা রাস্তায়, মাঠে, প্রতি কণা জায়গায়। ভাইয়েরা ব্যবস্থা নেন। কারণ এটা এই দল ওই দলের ব্যাপার নয়, সবার বেঁচে থাকার মতো জরুরি ব্যাপার। এই লড়াইয়ে সবাই যাত্রী এক তরীর। তাই আসেন সবাই সবার পাশে দাঁড়াই। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, সুশীল, অশীল, সশস্ত্রবাহিনী, নিরস্ত্রবাহিনী, বড়লোক, ছোটলোক সবাই মিলেই বাঁচতে হবে। কারণ ভাইরাস কোনো বৈষম্য করে না। (এই বিপদ কেটে গেলে তখন আবার আমরা বিরোধ করার, এ ওকে দোষ দেওয়ার, টেনে ক্ষমতা থেকে নামানোর বা ক্ষমতায় উঠার সুযোগ পাবো)। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়