শিরোনাম
◈ সংবিধানে বড় পরিবর্তনের পথে, বাড়ছে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা ◈ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পে ব্যয় বাড়লো ৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা ◈ একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির খবর, বাড়ল অর্থ উত্তোলনের সীমা ◈ বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চেয়েছে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম ◈ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলায় উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য, বাড়ছে আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা ◈ হবিগঞ্জ উত্তেজনা: ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির অভিযোগ ◈ জুলাইয়ের ২৮ দিনেই দেশে এলো ২৬২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স ◈ সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখানোর নির্দেশ স্থগিত করল আপিল বিভাগ ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে অধীর অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী ◈ জিম্বাবুয়ের কাছে হারের পর টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবনমন

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২০, ০৮:৩৪ সকাল
আপডেট : ২৩ মার্চ, ২০২০, ০৮:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লকডাউন করতে হবে দ্রুততার সঙ্গে এবং নিশ্ছিদ্র

 

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী: নিউইয়র্ক টাইমসে একটা খুব জরুরি লেখা বেরিয়েছে যেটাতে বলা হয়েছে পৃথিবী ইতালির ডিজাস্টার থেকে কী শিখতে পারে এবং চীন, ভিয়েতনাম, হংকং, কোরিয়া তাদের সাফল্য থেকেও একই জিনিস শেখা যায়। ১. লকডাউন করতে হবে দ্রুততার সঙ্গে এবং নিশ্ছিদ্র। গাড়ি-ঘোড়া, অফিস-আদালত সব বন্ধ করে দিতে হবে একসঙ্গে। ধাপে ধাপে বন্ধ করাটা ভাইরাস ঠেকানোর ক্ষেত্রে অকার্যকর। কেবলমাত্র সেগুলাই খোলা থাকবে যেগুলা জীবন ররক্ষাকারী। খাবার দাবার, ওষুধ এ রকম। ২. রাজনৈতিক নেতারা বিপদটাকে হালকা করে দেখাতে পারবে না। উদাহরণ হিসেবে ইতালির রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে বারের ভেতর মদের গ্লাস হাতে একজনের একটা ছবি পোস্ট করে ‘মিলান তার স্বাভাবিক রুটিন বদলাবে না’ লেখাসহ বেশ কিছু নমুনা পেশ করেছে। যেগুলো থেকে মানুষ বিপদকে হালকাভাবে নেওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছে।

৩. সঠিক ব্যাপক এবং স্বচ্ছভাবে টেস্ট করতে হবে। ইতালির লোম্বর্ডি রিজনে যখন করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তখন সরকারি মন্ত্রীরা ধিক্কার দিয়ে বলছে, এতো মানুষের টেস্ট কেন করানো হচ্ছে, এতে ইতালির ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অর্থনীতির উপর চাপ তৈরি হবে। এই আত্মবিধ্বংসী ভুল না করে টেস্ট করাকে অনুপ্রাণিত করতে হবে। সঠিক তথ্যই বিপদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে, তথ্য গোপন নয়।৪. একপর্যায়ে ব্যাপক সংখ্যক মানুষকে ট্রেন বা বিমানযোগে মিলান থেকে বের হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। যেটাকে তারা ইতালিজুড়ে ‘কনটাজিয়নের ঢেউ’ বলছে। এটা না করে যে যেখানে আছে সেখানেই রাখতে হবে। (বলা বাহুল্য, কী এক অদ্ভুত কারণে এই ঢেউয়ের একটা বড় অংশ আমরা গ্রহণ করেছি। করলাম করলাম তখনই যদি তাদের সশস্ত্র বাহিনীর জিম্মায় কোয়ারান্টাইনে দিতাম, তবুও বাঁচা যেতো)। যাই হোক, মিলিয়ে দেখুন আমরাও এ রকম ভুল করছি কিনা।

করলে আর এক মুহূর্তও দেরি না করে সংশোধন করি চলেন। হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার জন্য সেনাবাহিনী এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে দল বানান। চীনা বা কিউবান ডাক্তারদের সাহায্য নেন, সরঞ্জাম আনান। আর সিটি কর্পোরেশনগুলো সকাল-বিকাল ডিজইনফ্যাকট্যান্ট ছিটান, প্রতিটা রাস্তায়, মাঠে, প্রতি কণা জায়গায়। ভাইয়েরা ব্যবস্থা নেন। কারণ এটা এই দল ওই দলের ব্যাপার নয়, সবার বেঁচে থাকার মতো জরুরি ব্যাপার। এই লড়াইয়ে সবাই যাত্রী এক তরীর। তাই আসেন সবাই সবার পাশে দাঁড়াই। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, সুশীল, অশীল, সশস্ত্রবাহিনী, নিরস্ত্রবাহিনী, বড়লোক, ছোটলোক সবাই মিলেই বাঁচতে হবে। কারণ ভাইরাস কোনো বৈষম্য করে না। (এই বিপদ কেটে গেলে তখন আবার আমরা বিরোধ করার, এ ওকে দোষ দেওয়ার, টেনে ক্ষমতা থেকে নামানোর বা ক্ষমতায় উঠার সুযোগ পাবো)। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়