শিরোনাম
◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী

প্রকাশিত : ০৩ মার্চ, ২০২০, ১০:৪৮ দুপুর
আপডেট : ০৩ মার্চ, ২০২০, ১০:৪৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পাপিয়ার মানিলন্ডারিংয়ের বিষয়ে তদন্তে নেমেছে সিআইডি, জব্দ হচ্ছে ব্যাংক এ্যাকাউন্ট

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : [২] রিমান্ডে একের পর এক নারী কেলেঙ্কারীর চকমপ্রদ তথ্য দিচ্ছেন পাপিয়া। জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দাদের কাছে বিপুল পরিমাণ অর্থপাচারের কথা স্বীকার করেছেন। এছাড়া তার কানেকশনে বিদেশ থেকে যেসব তরুণীরা আসা-যাওয়া করতেন এবং দেশ থেকে কারা বাইরে যেতেন তাদের নামের একটি তালিকা করছেন গোয়েন্দারা।

[৩] পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অর্গানাইজড ক্রাইমের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, পাপিয়ার বিরুদ্ধে অর্থপাচারের বেশ কিছু তথ্য মিলেছে। আরো কিছু তথ্য বিভিন্ন সংস্থা থেকে আসবে। তার অবৈধ কর্মকান্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার পরই পাপিয়া ও তার স্বামী মতি ওরফে সুমন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হবে। এজন্য শিগগিরই তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।

[৪] গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাপিয়া স্বীকার করেছেন, নারী ব্যবসার আড়ালে মুদ্রাপাচার ছিল তার অন্যতম বাণিজ্য। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বেশ কিছু অ্যাকাউন্টে এসব অর্থ রয়েছে বলে জানিয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নারীদের বাংলাদেশে এনে অনৈতিক ব্যবসা পরিচালনা করতেন পাপিয়া। গ্রাহকদের প্রয়োজনে বিদেশেও পাঠানো হতো সুন্দরী নারী।

[৫] গোয়েন্দা সূত্র জানায়, পাপিয়ার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য জানতে ইতোমধ্যেই দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্য তথ্য পাওয়া যাবে। এরপর মানিলন্ডারিংয়ে যদি পাপিয়ার সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয় তবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ