শিরোনাম
◈ পাঁচ বছরেই বদলে যাবে অর্থনীতির চিত্র, মালয়েশিয়া-ভিয়েতনামকে ছাড়াবে বাংলাদেশ: আইএমএফ ◈ শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান: বাংলাদেশ-চীনের কারিগরি সহযোগিতায় নতুন অধ্যায় ◈ বড় দুঃসংবাদ লোডশেডিং নিয়ে! ◈ চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে একসঙ্গে ৫ শিশুর মৃত্যু ◈ হামের উপসর্গে আরও ৫ প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৯৬০ ◈ নভেম্বরে তুরস্ক সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশে ঢুকে বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, ভারতীয় নাগরিক আটক ◈ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যেই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া ◈ নিখোঁজের ২ দিন পর চট্টগ্রামে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ ৪ জন উদ্ধার ◈ প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশকে নেওয়ার বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল পাকিস্তান

প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০২:৫২ রাত
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০২:৫২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজশাহীতে করলা, বরবটি ও পটলের কেজি ২০০ টাকা!

নিউজ ডেস্ক : রাজশাহীতে স্থিতিশীল সবজির বাজার। গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম সামান্য কমেছে। তবে কমেনি করলা, বরবটি ও পটলের দাম। গত একমাস ধরেই এ তিন সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখি। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। ইত্তেফাক

সবজি বিক্রেতা আরিফুল ইসলাম জানান, সবজির দাম কম। কিন্তু করলার দাম বেশি। করলা আসে সাধারণত নরসিংদী থেকে। এখন আমদানি কম, তাই দাম বেশি হয়েছে।

এক মাস আগেও রাজশাহীর বাজারে করলার কেজি ৬০ টাকা ছিলো। গত দু’সপ্তাহে দাম বেড়ে ১৬০ টাকা হয়। চলতি সপ্তাহে দাম আরও বেড়ে ২০০ টাকায় উঠেছে। করলার মতো বরবটি ও পটলের কেজিও এখন ২০০ টাকা। চলতি সপ্তাহে এ তিন সবজির দামই সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও বাড়তি আছে বেগুনের দামও। গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে বেগুনের দাম বেড়েছে ২০ টাকা। গত সপ্তাহে বেগুনের কেজি ৪০ টাকা থাকলেও চলতি সপ্তাহে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। তবে ডুমুরের কেজি ৪০ টাকা, গাজর ২০ টাকা ও আলু ১৫ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া লালশাকে কেজি ১৫ টাকা, পালংশাক ২০, পুইশাক ৩০, কচুশাক ১০, টমেটো ২৫ টাকা, ওলকপি ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আগের মতোই আছে ক্যাপসিকামের দাম। সবুজ ক্যাপসিকাম ২০০ ট্কাা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। তবে লাল ও হলুদ খ্যাপসিকাম ৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বেড়েছে ফুলকপির দাম। গত সপ্তাহের ২০ টাকার ফুলকপি চলতি সপ্তাহে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আদা ১৮০ টাকা, দেশি রসুন ১৪০ টাকা ও পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে স্থিতিশীল রয়েছে মাছের বাজার। ইলিশ মাছ এখনো ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪০০ টাকা, দেশী কই ৬৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পাঙ্গাস ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পুটি মাছ ১৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ টাকা, মাগুর ৫৫০ টাকা, বাটা ১৬০ টাকা ও রুপচাঁদা ১ হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস ৫২০ টাকা, ব্রয়লার মুরগী ১২০ টাকা, সোনালী মুরগী ও লাল লেয়ার ১৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মাছ বিক্রেতা শাহিন ইসলাম বলেন, মাছের আমদানি পর্যাপ্ত। তাই দাম বাড়েনি।

  • সর্বশেষ