শিরোনাম
◈ সরকারের ৬ মাসে মোটামুটি সব লক্ষ্যই পূরণ হয়েছে: রিজভী ◈ লাইসেন্স ছাড়া ঢাকায় রিকশা নয়, আসছে অঞ্চলভিত্তিক চলাচল ব্যবস্থা ◈ সিটি থেকে পৌরসভা, চলতি অর্থবছরেই ৫ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মীর শাহে আলম ◈ শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে নিহত ৮, তদন্তের মাধ্যমে দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করা হবে: আমির খসরু ◈ আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন তারেক রহমান ◈ দেশে গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ কী এবং সমাধানে কী করছে সরকার? ◈ তানজিদের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরির পর মিরাজ-হাসানের প্রতিরোধ, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চালকের আসনে বাংলাদেশ ◈ ‘দেশকে নতুন পথে নিতে বিপ্লব দরকার’, ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক ওয়াংচুকের (ভিডিও) ◈ একযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে ৪৯ পুলিশ পরিদর্শক ◈ তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে মরিয়া ভারত, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চলছে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা!

প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০২:৫২ রাত
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০২:৫২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজশাহীতে করলা, বরবটি ও পটলের কেজি ২০০ টাকা!

নিউজ ডেস্ক : রাজশাহীতে স্থিতিশীল সবজির বাজার। গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম সামান্য কমেছে। তবে কমেনি করলা, বরবটি ও পটলের দাম। গত একমাস ধরেই এ তিন সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখি। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। ইত্তেফাক

সবজি বিক্রেতা আরিফুল ইসলাম জানান, সবজির দাম কম। কিন্তু করলার দাম বেশি। করলা আসে সাধারণত নরসিংদী থেকে। এখন আমদানি কম, তাই দাম বেশি হয়েছে।

এক মাস আগেও রাজশাহীর বাজারে করলার কেজি ৬০ টাকা ছিলো। গত দু’সপ্তাহে দাম বেড়ে ১৬০ টাকা হয়। চলতি সপ্তাহে দাম আরও বেড়ে ২০০ টাকায় উঠেছে। করলার মতো বরবটি ও পটলের কেজিও এখন ২০০ টাকা। চলতি সপ্তাহে এ তিন সবজির দামই সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও বাড়তি আছে বেগুনের দামও। গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে বেগুনের দাম বেড়েছে ২০ টাকা। গত সপ্তাহে বেগুনের কেজি ৪০ টাকা থাকলেও চলতি সপ্তাহে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। তবে ডুমুরের কেজি ৪০ টাকা, গাজর ২০ টাকা ও আলু ১৫ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া লালশাকে কেজি ১৫ টাকা, পালংশাক ২০, পুইশাক ৩০, কচুশাক ১০, টমেটো ২৫ টাকা, ওলকপি ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আগের মতোই আছে ক্যাপসিকামের দাম। সবুজ ক্যাপসিকাম ২০০ ট্কাা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। তবে লাল ও হলুদ খ্যাপসিকাম ৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বেড়েছে ফুলকপির দাম। গত সপ্তাহের ২০ টাকার ফুলকপি চলতি সপ্তাহে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আদা ১৮০ টাকা, দেশি রসুন ১৪০ টাকা ও পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে স্থিতিশীল রয়েছে মাছের বাজার। ইলিশ মাছ এখনো ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪০০ টাকা, দেশী কই ৬৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পাঙ্গাস ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পুটি মাছ ১৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ টাকা, মাগুর ৫৫০ টাকা, বাটা ১৬০ টাকা ও রুপচাঁদা ১ হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস ৫২০ টাকা, ব্রয়লার মুরগী ১২০ টাকা, সোনালী মুরগী ও লাল লেয়ার ১৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মাছ বিক্রেতা শাহিন ইসলাম বলেন, মাছের আমদানি পর্যাপ্ত। তাই দাম বাড়েনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়