শিরোনাম
◈ সেতু থেকে ১৬ মাসের সন্তানকে ফেলে দিয়ে থানায় মায়ের আত্মসমর্পণ ◈ কঠোর হুঁশিয়ারি ভারতের সেনাপ্রধানের, নিচ্ছে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি ◈ কুমিল্লা-৬ সংসদীয় আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার,দিলেন নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব ◈ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের হাজারো পোস্টাল ব্যালট পেপার যুক্তরাষ্ট্রের গুদামে ◈ চূড়ান্ত হলো নবম পে স্কেলের গ্রেড সংখ্যা ◈ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিতে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা ◈ জামায়াতসহ ১১ দলের ২৫৩ আসনে সমঝোতা, কোন দলের কত প্রার্থী ◈ বি‌সি‌বির প‌রিচালক নাজমুল প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে শুক্রবার খেলতে প্রস্তুত ক্রিকেটাররা ◈ দেড় ঘণ্টা বৈঠক শেষে বৈঠক শেষে যমুনা ছাড়লেন তারেক রহমান ◈ গণভোট নিয়ে পরিকল্পিত মিথ্যাচার ছড়ানো হচ্ছে : অধ্যাপক আলী রীয়াজ

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:২০ সকাল
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:২০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাপানের উন্নয়নে শিক্ষার ভূমিকা

মঞ্জুরে খোদা টরিক : জাপানের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় থেকেই স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্য অভ্যাসের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞের পরামর্শের ভিত্তিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিদ্যালয় থেকেই ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের উপযুক্ত, মানসম্পন্ন ও সুষম খাদ্য সরবরাহ করা হয়। শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুমে বসে সহপাঠী ও শিক্ষকের সঙ্গে দুপুরের খাবার গ্রহণ করে। এই প্রবণতা ও পরিবেশ ছাত্র-শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত সম্পর্ক তৈরিতে ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের উদরপূর্তির জন্যই কেবল এই খাবার প্রদান করা হয় না। এ ক্ষেত্রে আছে সরকারের সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ও সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য যার অংশ হিসেবে জাপানজুড়ে এ বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অল্প কথায় যে বিষয়গুলো হচ্ছে নি¤œরূপ : ক. শিশুদের সুষম শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটানো। খ. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শিশুদের পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করা। গ. স্কুলের খাবার শিশুদের মধ্যে জীবনব্যাপী সঠিক খাদ্য অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করা। ঘ. শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করা। ঙ. সামাজিক শৃঙ্খলা, সমতা ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখা। এটা আমাদের সবার জানা যে জাপানিদের শারীরিক আকৃতি তুলনামূলকভাবে কম। যদিও তারা অসম্ভব তেজী ও কঠোর পরিশ্রমী। নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়নের পর ১৯৫৪ সালে প্রণীত ‘বিদ্যালয় খাদ্য আইনে’ সরকার সব শিক্ষার্থীর জন্য সুষম খাবার পরিবেশনের পরিকল্পনা হাতে নেয়। যাতে করে সব শিশুর যথাযথ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ও বৃদ্ধি ঘটে এবং যে সব খাদ্য শিশুরা ভোগ করলে, গ্রহণ করলে তাদের শারীরিক গড় উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, এমন একটা উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনাও এর অন্তর্ভুক্ত ছিলো। সেই হিসেবে তারা পরিকল্পিতভাবে খাদ্য সরবরাহ করা শুরু করেছিলো এবং তার ফলশ্রুতিতে তিন দশক পরে (১৯৪৮-৭৫) দেখা যায় জাপানি ছেলেমেয়েদের গড় উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সে ক্ষেত্রে বালকদের গড় উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে ১০.৩ সেন্টিমিটার (১২৬.১-১৩৬.৪) এবং বালিকাদের বৃদ্ধি পেয়েছে ১১.৯ সেন্টিমিটার (১২৫.৭-১৩৭.৬)। (ঐরৎড়সর ওংযরফধ: ২০১৫)। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়