শিরোনাম
◈ তেল রপ্তানিতে বিকল্প পথ, ৫০০ মাইল পাইপলাইন পুনর্গঠনের পরিকল্পনা ◈ ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা, হরমুজ প্রণালিতেও অভিযান ◈ স্বচ্ছতার বিপক্ষে নই, তবে হস্তক্ষেপ মানি না: সরকারি হস্তক্ষেপ নিয়ে মুখ খুললেন শাহজালাল দরগাহের মোতাওয়াল্লী(ভিডিও) ◈ চীনে ‘বিয়ের’ নামে বিক্রি হচ্ছেন মিয়ানমারের নারীরা, জান্তা প্রধানকে প্রশংসায় ভাসাল বেইজিং ◈ ডলার বাজারে স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আপিল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ রায়, ২৫ বছরের আগে পদত্যাগে পেনশন নয় ◈ ৬ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঢাকায় কমবে বর্ষণ ◈ বস্ত্র ও পোশাক খাতে নতুন প্রণোদনা, রপ্তানিতে মিলবে বাড়তি নগদ সহায়তা ◈ বাউফলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে যৌন নিপীড়ন: প্রধান আসামি র‍্যাবের জালে ◈ পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশ, উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নোয়াখালী সদরে প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমছে

মোহাম্মদ সোহেল, নোয়াখালী : নোয়াখালী সদর উপজেলার ১৯৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের ঝরে পড়ার হার ক্রমেই কমছে। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলামের নির্দেশনা ও সার্বিক তত্বাবধায়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটি সমন্বয়ে নানামূখী উদ্যোগের কারণে শিক্ষার্থীরা এখন বিদ্যালয়মূখী হয়েছে।

সরেজমিন উপজেলার বারাহীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বক্তারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনাপুর শহীদ স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর উরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায় বিদ্যালয়ে ৯৫-৯৭ ভাগ শিক্ষার্থী উপস্থিত রয়েছে। শিক্ষার্থী উপস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশও বেড়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে তাদেরকে স্কুলে আনতে স্যাররা প্রায় সময় তাদের বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন। স্কুল থেকে বিনামূল্যে বই , উপবৃত্তি, ডায়রী ও খেলার সামগ্রী দেয়া হয়। স্কুলকে সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। তাই স্কুলে আসতে তাদের ভালো লাগে।

বারাহীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চম্পা কলি দাস বলেন, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম সরদারের নির্দেশে সব সময় হোম ভিজিট, মা সমাবেশ, বিদ্যালয় সজ্জিত করণসহ নানামূখী উদ্যোগ নিয়েছেন। যার ফলে বর্তমানে তার বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া প্রায় শূন্যের কোটায় পৌঁছেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিপুল ইসলাম সরদার বলেন, স্বাক্ষরতার হার শতভাগে উন্নীত করা ও ঝরে পড়ার হার কমাতে তিনি উপজেলার ১৯৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের সরকারের দেওয়া বিনামূল্যে বই বিতরণ, ছাত্রীদের পর ছাত্রদেরকেও উপবৃত্তি প্রদান, বিদ্যালয়ে বাড়তি বিনোদনের ব্যবস্থা, দুপুরে খাবার দেওয়া, হোম ভিজিট, মা সমাবেশ, বিদ্যালয়ে সততার দোকান, মহানুভবতার দেয়াল, মুক্তিযুদ্ধা কর্ণার, শিক্ষার্থীদের বেঞ্চ সংকট রোধে কিছু কিছু বিদ্যালয়ে ব্যক্তি উদ্যোগে বেঞ্চ প্রদানসহ নানা বিষয়ে কার্যক্রম জোরদার করেছেন। শিক্ষক, অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যদের আন্তরিকতায় বর্তমানে সদর উপজেলায় প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়