শিরোনাম
◈ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনায় ১০ নেত্রী ◈ মেয়ের নিখোঁজে বাবা-মায়ের উদ্বেগহীনতা সমাজের গভীর সংকটের প্রতিচ্ছবি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ◈ রিয়াদে ফ্লাইট বন্ধ, বিকল্প হিসেবে দাম্মাম ও মদিনায় পাঠানো হবে যাত্রীদের: বিমানমন্ত্রী ◈ বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: ভারতের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর চেয়েও বেশি আয় যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্রদের ◈ যে কারণে সারা দেশে এলপিজি গ্যাসের দোকান বন্ধ ঘোষণা ◈ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে খুন করে ৯৯৯–এ কল, ঘটনাস্থলে পুলিশ দেখল লাশের পাশে ধূমপান করছেন স্বামী ◈ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের কয়লা উত্তোলনে জোর, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ফুলবাড়ী খনি ◈ চুয়েটে নতুন উপাচার্যকে ভবনের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা দিলেন শিক্ষার্থীরা ◈ প্রথম ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি, পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি ◈ ‘নাশতা করার সময় চারদিক থেকে বাসায় ঢিল ছোড়া শুরু হয়’, উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৫:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নোয়াখালী সদরে প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমছে

মোহাম্মদ সোহেল, নোয়াখালী : নোয়াখালী সদর উপজেলার ১৯৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের ঝরে পড়ার হার ক্রমেই কমছে। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলামের নির্দেশনা ও সার্বিক তত্বাবধায়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটি সমন্বয়ে নানামূখী উদ্যোগের কারণে শিক্ষার্থীরা এখন বিদ্যালয়মূখী হয়েছে।

সরেজমিন উপজেলার বারাহীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বক্তারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনাপুর শহীদ স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চর উরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায় বিদ্যালয়ে ৯৫-৯৭ ভাগ শিক্ষার্থী উপস্থিত রয়েছে। শিক্ষার্থী উপস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশও বেড়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে তাদেরকে স্কুলে আনতে স্যাররা প্রায় সময় তাদের বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন। স্কুল থেকে বিনামূল্যে বই , উপবৃত্তি, ডায়রী ও খেলার সামগ্রী দেয়া হয়। স্কুলকে সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। তাই স্কুলে আসতে তাদের ভালো লাগে।

বারাহীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চম্পা কলি দাস বলেন, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম সরদারের নির্দেশে সব সময় হোম ভিজিট, মা সমাবেশ, বিদ্যালয় সজ্জিত করণসহ নানামূখী উদ্যোগ নিয়েছেন। যার ফলে বর্তমানে তার বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া প্রায় শূন্যের কোটায় পৌঁছেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিপুল ইসলাম সরদার বলেন, স্বাক্ষরতার হার শতভাগে উন্নীত করা ও ঝরে পড়ার হার কমাতে তিনি উপজেলার ১৯৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের সরকারের দেওয়া বিনামূল্যে বই বিতরণ, ছাত্রীদের পর ছাত্রদেরকেও উপবৃত্তি প্রদান, বিদ্যালয়ে বাড়তি বিনোদনের ব্যবস্থা, দুপুরে খাবার দেওয়া, হোম ভিজিট, মা সমাবেশ, বিদ্যালয়ে সততার দোকান, মহানুভবতার দেয়াল, মুক্তিযুদ্ধা কর্ণার, শিক্ষার্থীদের বেঞ্চ সংকট রোধে কিছু কিছু বিদ্যালয়ে ব্যক্তি উদ্যোগে বেঞ্চ প্রদানসহ নানা বিষয়ে কার্যক্রম জোরদার করেছেন। শিক্ষক, অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যদের আন্তরিকতায় বর্তমানে সদর উপজেলায় প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমছে।

  • সর্বশেষ