শিরোনাম
◈ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে চার ফ্রন্টে কঠিন পরীক্ষা সরকারের ◈ হেটমায়ারের ঝড়ে রেকর্ড, বড় জয় নিয়ে সুপার এইটে ক্যারিবীয়রা ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল, একযোগে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি ◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ◈ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পাচ্ছেন যাঁরা

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ১০:৪৬ দুপুর
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ১০:৪৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন, রেল লাইনে পাথরের বদলে ইটের খোয়া

কামাল হোসেন, গোয়ালন্দ প্রতিনিধি : রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজার হতে দৌলতদিয়া ঘাট পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ রেল লাইনে ট্রেন চলাচল করছে। এখানে রেল লাইনে পাথরের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে ইটের খোয়া। কাঠের স্লীপারগুলো বিভিন্ন স্থানে পচে গেছে। দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রেন চলছে ধীর গতিতে। রেল কর্তৃপক্ষ বলছে কাঁচা লাইন হবার কারনে এখানে পাথর এবং কংক্রিটের স্লীপার ব্যবহার করা হয়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোয়ালন্দ বাজার হতে দৌলদিয়া ঘাট পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রেল পথ সবুজ ঘাসে ঢেকে গেছে, পাথরের পরিবর্তে রেল লাইনে ফেলা হয়েছে ইটের খোয়া। সেটাও বেশ কয়েক বছর আগে। এখন সেগুলো মাটির নিচে চাপা পড়েছে। কাঠের স্লীপারগুলো বিভিন্ন স্থানে পঁচে গেছে। খুলে গেছে নাট বল্টু। এর উপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলছে ট্রেন। যে কোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

স্থানীয়রা বলছে এই রুটে প্রতিদিন ৩টি ট্রেন চলাচল করে। ট্রেন চলাচলের সময় রেল লাইন দুলতে থাকে। স্লীপারগুলো এদিক-ওদিক সরে যায়। আর এতে করে যে কোন মূহর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে এই রেল পথটি সংস্কারের দাবি তাদের।

বাংলাদেশ রেলওয়ে রাজবাড়ী কীম্যান সোহেল রানা বলেন, পাথর না থাকার কারণে একটু বৃষ্টি হলেই স্লীপার গুলো দেবে যায়। রেলের নিচ থেকে সরে যায়  স্লীপার। কোথাও আবার স্লীপার  নিচ থেকে সরে গেছে মাটি। থাকে দুর্ঘটনার সম্ভবনা। ট্রেন চালকরা দুর্ঘটনা এড়াতে এখানে গতি কমিয়ে ট্রেন চালান।

বাংলাদেশ রেলওয়ে, রাজবাড়ী, উর্ধতণ উপসহকারী প্রকৌশলী(পথ),মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, রেলের স্পিড অনেক কম,ঘন্টায় ৩০ কিলোমিটার। সে কারণে দুর্ঘটনা ঘটার কোন সম্ভাবনা নেই। টেম্পয়ারিং লাইনে আমরা পাথর ব্যবহার করি না। এই খানে আমরা বিটচিপ্স ব্যবহার করি। সেটা আমাদের এখানে আছে। আর এই লাইনটি সংস্কারের জন্য উচ্চ পর্যায়ে জানানো হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়