শিরোনাম
◈ শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে, জানাল ভারত সরকার ◈ ‘গো বিগ’ কৌশলে ইরানে বড় অভিযানের ছক যুক্তরাষ্ট্রের, দাবি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ◈ শ‌নিবার সা‌ফের ড্র, নি‌ষেধাজ্ঞা প্রত‌্যাহার হ‌লে নেপাল খেল‌বে বাংলাদেশ গ্রুপে  ◈ দেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ◈ রাজধানীবাসীর জন্য আসছে আরও একটি মেট্রোরেল ◈ সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাল থেকে গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক জিপিএস ◈ গঙ্গা পানিচুক্তি: বিলম্ব না করে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা শুরুর সুপারিশ ভারতের সংসদীয় কমিটির ◈ ক্যানসার ভ্যাকসিনে সফলতার দাবি রাশিয়ার, প্রথম রোগীর শরীরে কার্যকর প্রতিরোধ ◈ ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে দেওয়া হবে না: সংসদীয় কমিটিকে ভারত সরকার ◈ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়েও নতুন দাবি, ছাত্র আন্দোলনে বলপ্রয়োগের অভিযোগ

প্রকাশিত : ০২ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:৫৫ দুপুর
আপডেট : ০২ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:৫৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আজ পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মবার্ষিকী

মুসবা তিন্নি : বুধবার (১ জানুয়ারি) পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ১১৭তম জন্মবার্ষিকী। কবির জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষে ফরিদপুরের বিভিন্ন সংগঠন বেশ কিছু কর্মসূচি নিয়েছে। ১৯০৩ সালের এই দিনে ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামের মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন জসীমউদ্দীন। - ডেইলি বাংলাদেশ

তার সাধনায় খুলে গেছে বাংলা কবিতার নতুন এক দুয়ার। তার লেখা ‘কবর’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় অবদান। নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট কবির শ্রেষ্ঠ দুটি রচনা। এ দুটি রচনা পৃথিবীর বহু ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।

পল্লীকবি জসীমউদদীন শুধু একজন কবিই নন, তিনি একজন গীতিকার এবং একজন গান সংগ্রাহকও। জসীমউদদীন ১০ হাজারেরও বেশি লোকসংগীত সংগ্রহ করেন। তার সংকলিত এসব লোকসংগীতের বিশাল একটি অংশ জারিগান ও মুর্শিদা গানে স্থান পেয়েছে।

জসীমউদদীন গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী অনেক গান রচনা করেছেন। বিখ্যাত লোকসংগীতের গায়ক আব্বাসউদ্দীন, তার সহযোগিতায় কিছু বিশেষত ভাটিয়ালি ধারার অবিস্মরণীয় লোকগীতি নির্মাণ করেছেন।

জসীমউদদীন রেডিওর জন্যও আধুনিক গান লিখেছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন তিনি বহু দেশাত্মবোধক গান লিখেন। আমার হার কালা করলাম রে, নদীর কুল নাই কিনার নাই, আমায় ভাসাইলিরে ইত্যাদি জনপ্রিয় গান জসীমউদদীনকে অবিস্মরণীয় করে রাখবে।

১৯৬৯ সালে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মান সূচক ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করেন। এ ছাড়া রয়েছে একুশে পদক ১৯৭৬ ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ১৯৭৮ (মরণোত্তর)।

১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ বাংলার এ পল্লীকবি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। কবির কবর কবিতা অনুযায়ী ডালিম গাছের তলায় কবিকে সমাহিত করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়