শিরোনাম
◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, নিহত ৯৫; নিখোঁজ শত শত পর্যটক ◈ ১৯ বছর ধরে পালাতক ‘পিচ্চি হান্নানের’ সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার ◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ◈ শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে সিরিজ জয়ের পথে ভারত ◈ গ্রামের নিম্নবিত্তের সবজি কচু-লতি এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায় ◈ ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন মোড়, গ্রেপ্তার মোজাফফরকে নিয়ে হবে তদন্ত ◈ রিয়ালের পতনে দিশেহারা ইরান, ২০ লাখ রিয়ালে মিলছে না আগের অর্ধেকও ◈ ফ্লাইটে মায়ের মৃত্যু, ওমানের আইনে মরদেহ রেখেই দেশে ফিরতে হলো ছেলেকে ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে অন্তত ২০, শতাধিক ভারতীয়সহ নিখোঁজ ৪০০

প্রকাশিত : ০৭ মে, ২০১৯, ০৫:৪৪ সকাল
আপডেট : ০৭ মে, ২০১৯, ০৫:৪৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বাধীনতার অর্ধশতকেও ভালো মানের পাঠ্যপুস্তক আমরা দিতে পারিনি, বললেন ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ

হ্যাপি আক্তার : স্বাধীনতার পর গেল ২৯ বছরে এসএসসিতে পাসের হার বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। জিপিএ-ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গিয়ে মেধার স্বাক্ষর ধরে রাখতে পারছে না বেশিরভাগ শিক্ষার্থী। শিক্ষা দিয়ে ফল বিবেচনা না করে শিক্ষার মান বাড়াতে তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। পাসের হার বৃদ্ধিকে শিক্ষাখাতের ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখলেও তিনি বলছেন, জিপিএ ফাইভের পেছনে ছুটতে গিয়ে প্রকৃত শিক্ষা অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।- সময় টেলিভিশন।

১৯৯০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় পাশের গড় হার ছিলো ৩১ দশমিক সাত তিন শতাংশ। আর ২০১৯ সালে এসে তা দাঁড়িয়েছে ৮২ দশমিক ২ শতাংশে। আর এই সময়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১৬ লাখ।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর হতে চলছে, এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের ভালোমনের পাঠ্যপুস্তক দিতে পারিনি। অথচ অহরহ তার পরিবর্তন ঘটানো হয়। শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে তাড়াহুড়ো করে শিক্ষাপদ্ধতি কিংবা সিলেবাস পরিবর্তনের কারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নিজেদের আস্থা অর্জন করতে পারেন না। অন্তত ২০ বছরের কথা চিন্তা করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নেরও আনার পরামর্শ দিলেন এই শিক্ষাবিদ। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

 

  • সর্বশেষ