শিরোনাম
◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল ◈ তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর পর আত্মগোপনে দিশা, যেভাবে হলেন গ্রেপ্তার ◈ পোশাকের বাইরে রফতানিতে চমক দেখাচ্ছে বাংলাদেশের 'চুল' ◈ সোমবার থেকে ঢাকাসহ ১৩ সিটিতে ই-রিকশার নিবন্ধন শুরু ◈ শ্রমিক বিক্ষোভে বন্ধ ৩১৮ কারখানা, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক ◈ ছাত্রজীবনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে, চাকরিতে নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ যুবশক্তিকে কাজে লাগাতে পারলেই দেশের সাফল্য সম্ভব: রাষ্ট্রপতি ◈ ৭১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্প বাদ, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক নিয়ে নতুন পরিকল্পনা

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০১৯, ০৪:১১ সকাল
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০১৯, ০৪:১১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমার প্রিয় কবিতার নাম ‘অবনী, বাড়ী আছো’?

কুলদা রায় : কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের এই কবিতাটি নিয়ে আমি একটা ছবিও এঁকেছিলাম ময়মনসিংহের একটি দেওয়ালে। তুলি দিয়ে পুরো কবিতাটি লিখে রেখেছিলাম ছবির পাশে। এই বাড়িটির নাম দিয়েছিলাম অবনীর বাড়ি। এখানেই ছিলাম আমি দশ বছর। যারা এই গ্রামে ফুল দেখতে আসতেন, একটু ঘুরে-ফিরে বেড়াতে চাইতেন—তারা এই দেওয়ালজুড়ে ছবিটা দেখে অবাক হতেন। তার নিচে দাঁড়িয়ে সপরিবারে ছবি তুলতেন। আর মুখস্থ করে নিতেন পুরো কবিতাটি। পথে যেতে যেতে হেঁকে বলতেন, ‘অবনী, বাড়ী আছো’?

অবনী, বাড়ী আছে কিনা আমার জানা নেই। তবে কবিতাটির একটি লাইন আমি পড়ে আমি চমকে গিয়েছিলাম। লাইনটি হলো- ‘এখানে মেঘ গাভীর মতো চরে’। অদ্ভুত। তারপর মেঘ দেখলেই গরুর পালের কথা মনে হতো। মনে হতো মেঘগুলো ঘাস খেয়ে বাঁচে। সেটা নব্বই সালের পরে। একদিন লখাকাঠী পার হয়ে টোনা খালে ঢুকেছি। আমাদের নৌকা ঢুকে পড়েছে কালিগঙ্গা নদীতে। যাব চান্দকাঠি। তার আগে মাঝি হেঁকে বললেন- মেঘপাল। মেঘপাল।

শুনে আমি আকাশের দিকে তাকাই। আকাশ পরিষ্কার। মেঘের চিহ্ন নেই। মাঝি ঘাটের দিকে নৌকা ভেড়াচ্ছেন। লোকজন নেমে যাচ্ছে। পাশের লোক নেমে যাওয়ার আগে ঠেলা দিয়ে বললেন, আকাশে কী দেখেন? মেঘপাল তো সামনে। কী-রকম? যে ঘাটে নৌকা ভিড়েছেÑ সে গ্রামের নাম মেঘপাল। আমি ছাড়া এরা সবাই মেঘপাল গ্রামের মানুষ। পরে ভাবি, শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা লেখার অনেক অনেক আগে বরিশালের লোকজন নদীর গা ঘেষে প্রিয় গ্রামটির নাম রেখেছিলেন- মেঘপাল! এ গ্রামের নদীর পাড়ে মেঘগুলো আকাশ থেকে পালে পালে নেমে এসে ঘাস খায়—নীরবে চরে বেড়ায়। এই মেঘপাল গ্রাম থেকে মাত্র সাত মাইল দূরে জীবনানন্দের বাড়ি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ