মারুফুল আলম : জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, দেশে এলপি গ্যাসের বাজার বৃহৎ আকার ধারণ করলেও মূল্য নির্ধারণে বাজারজাতকারীদের অনিয়ম রয়ে গেছে। এলপি গ্যাস ব্যবহারে দেশের যত্রতত্র দুর্ঘটনা বেড়ে চলেছে, ফলে প্রয়োজন হয়ে পড়েছে সতর্কতামূলক সরকারি তৎপরতা।
বৃহস্পতিবার বিবিসি বাংলাকে তিনি আরো বলেন, সরকার হয়তো ভেবেছিলো প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এলপি গ্যাসের মূল্য নিজেই নিয়ন্ত্রিত হবে, যেহেতু ১৫টি কোম্পানি আছে।
তবে, যেসব জায়গায় চাহিদার তুলনায় বাজারজাত কম, সেখানেই এই অসংগতি লক্ষণীয়। ড. ইজাজ বলেন, কে কোথায় কীভাবে বাজারজাত করছে, তার মধ্যে কোনো স্বচ্ছতা দেখা যায় না। এ অবস্থায় এটাকে গাইডলাইনের মধ্যে এনে সরকারের পক্ষ থেকে মনিটরিং করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, বছর দুয়েকের মধ্যে মূল্য অসংগতি সমস্যা কেটে যাবে। যেহেতু, আরো যাদেরকে বাজারজাত করার অনুমতি দেয়া হয়েছে, তারাও ব্যবসায় চলে আসবে। ফলে মনিটরিং প্রয়োজন হবে এবং হয়তো সরকারের নীতিমালাও চলে আসবে।
এলপি গ্যাস ব্যবহারে দুর্ঘটনারোধে সতর্কতামূলক সরকারি তৎপরতা প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইজাজ বলেন, সরকার এখনো ওরকম কোনো উদ্যোগ নেয়নি। নেয়াটা খুব প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। ছোটখাটো দুর্ঘটনা প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে। প্রতিবেশি দেশ ভারতে দীর্ঘদিন ধরে এলপি গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে। কলকাতা শহরে তো কখনোই প্রাকৃতিক গ্যাসের সাপ্লাই ছিলো না। কিন্তু ওখানে আমাদের দেশের মতো এতো দুর্ঘটনা দেখা যায় না।
যেহেতু এলপি গ্যাসের বাজার বড় আকার ধারণ করেছে, সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার বিষয়টি নজরে রাখা উচিত বলে মনে করেন এই বিশেষজ্ঞ।