শিরোনাম
◈ সংবিধানে বড় পরিবর্তনের পথে, বাড়ছে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা ◈ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পে ব্যয় বাড়লো ৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা ◈ একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির খবর, বাড়ল অর্থ উত্তোলনের সীমা ◈ বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চেয়েছে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম ◈ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলায় উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য, বাড়ছে আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা ◈ হবিগঞ্জ উত্তেজনা: ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির অভিযোগ ◈ জুলাইয়ের ২৮ দিনেই দেশে এলো ২৬২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স ◈ সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখানোর নির্দেশ স্থগিত করল আপিল বিভাগ ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে অধীর অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী ◈ জিম্বাবুয়ের কাছে হারের পর টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবনমন

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৭ রাত
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পে ব্যয় বাড়লো ৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পে পূর্তকাজের নকশা, প্রাক্কলন ও নির্মাণ তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সেবার মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়িয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এ খাতে অতিরিক্ত ৬ কোটি ৭১ লাখ ২৯ হাজার ২৮৬ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির পরামর্শক সেবার মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

এর ফলে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সংশোধিত চুক্তিমূল্য বেড়ে দাঁড়াবে ৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৯ হাজার ৫১ টাকা।
এর আগে ২০২৩ সালের ৫ জুন সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের পর যৌথ উদ্যোগের একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্পটির নকশা, প্রাক্কলন ও নির্মাণ তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সে সময় ৮৩ কোটি ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৭৬৫ টাকায় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মেয়াদ ছিল ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পের সামগ্রিক মেয়াদ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন নির্মাণ প্যাকেজের নকশা ও দরপত্র প্রণয়নের কাজ চলমান থাকায় পরামর্শক সেবার মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন হয়েছে।

বর্তমানে প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের কার্যচুক্তির বাস্তবায়ন চলছে। এছাড়া আরও ৬টি প্যাকেজ মূল্যায়ন পর্যায়ে রয়েছে এবং ৯টি প্যাকেজের নকশা ও দরপত্র প্রণয়নের কাজ চলমান।
নতুন অনুমোদিত ব্যয় মূল চুক্তিমূল্যের তুলনায় প্রায় ৮ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পটির প্রথম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদন করে।

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ২০২১ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের প্রত্যাশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শিল্পায়নের গতি বাড়বে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। উৎস: বিডি-প্রতিদিন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়