শিরোনাম
◈ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন, ইশরাকের বিষয়ে আরও যা বললেন আইনমন্ত্রী ◈ ‘দল চায়নি, নিজ থেকেই বিশেষ কারণে পদত্যাগ করছি’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন (ভিডিও) ◈ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে না আসায় বিরোধী দল শহীদ পরিবারকে অবজ্ঞা করেছে: প্রধানমন্ত্রী ◈ কুমিল্লার সমেশপুরে সবজির চারা বিক্রিতেই ১৫ কোটি টাকার বাণিজ্য, লক্ষ্যমাত্রা ২০ কোটি! ◈ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য জাপানে কাজের নতুন সুযোগ, নিয়োগ শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে ◈ সৌদি আরবে ভারি বৃষ্টির জন্য চার অঞ্চলে রেড অ্যালার্ট জারি ◈ সর্বজনীন পেনশন নিয়ে সুখবর, যেভাবে লাভবান হবেন গ্রাহকেরা ◈ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেন ◈ ইশরাককে মন্ত্রিসভার বৈঠকে না যাওয়ার নির্দেশ, পদত্যাগপত্রও চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী: শফিকুল আলমের পোস্ট ◈ কলেরা প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ফিরদৌসী কাদরীর প্রশংসায় বিল গেটস!(ভিডিও)

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:২৪ সকাল
আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:২৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গরুর দুধের বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে বলে মনে করেন ড. শাহিনুল আলম

খায়রুল আলম : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজের হেপাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহিনুল আলম বলেছেন, ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি কাঁচা দুধের ওপর গবেষণা করে বলেছেন, এটিতে ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়টিক, কীটনাশকসহ বিভিন্ন জীবাণু আছে। কিন্তু আমরা তো কাঁচা দুধ খাই না, জ্বাল দিয়ে বা শুকিয়ে খাই। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এনএফএসএল দুধে গবেষণা করে যে জীবাণু, কেমিক্যাল ও কীটনাশক পেয়েছে-সবগুলোই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। যেসব জীবাণুগুলো কথা বলেছে তা খেলে আমাদের ডায়রিয়া হতে পারে। যে কেমিক্যাল বা ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে এগুলো কিডনি, লিভারের বিভিন্ন সমস্যা ও ক্যান্সার তৈরি করে। আর অ্যান্টিবায়টিক যে পাওয়া গেছে তা খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে অ্যান্টিবায়টিক রেজিস্টেন্স তৈরি হবে। যারফলে আমরা অসুস্থ হয়ে যখন কোনো অ্যান্টিবায়টিক ঔষধ খাবো, তা আর ভালোভাবে কাজ করবে না। এটি আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সবগুলোই আন্তর্জাতিক মাত্রা থেকে বেশি পাওয়া গেছে। তাই এটি একটি উদ্বেগজনক। আমাদের দুধের অল্টারনেটিভ চিন্তা করতে হবে। দুধ গরম করে খেলে জীবাণুগুলো মরে যায়। কিন্তু কেমিক্যাল ও কীটনাশক পুরোপুরি নষ্ট হয় না। এটি থেকে রেহাই পাওয়ার কোনো উপায় আছে বলে আমার মনে হয় না। যারা শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ান এখন থেকে দুধের অল্টারনেটিভ খুঁজতে হবে। না হলে শিশুর যেকোনো সমস্যা হতে পারে বলে আমার মনে হয়। এখন থেকে আমাদের সঠিক উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি। যারা বিভিন্ন খামারে কাজ করছে, দুধ উৎপাদন করছে ও গরু লালন পালন করছে তাদের মোটিভেশন করতে হবে। তারা যেন একটু সর্তকতার সঙ্গে গরুর লালন-পালন করেন এবং এর অল্টারনেটিভ কী করা যায়, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

  • সর্বশেষ