শিরোনাম
◈ রক্তস্নাত ৩৬ জুলাই: যে দিনে বদলে যায় বাংলাদেশের ইতিহাস ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ড. ইউনূসের বিবৃতি ◈ আইসি‌সি এলিট প‌্যা‌নে‌লের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলাকে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’ দূর করতে বিসিবির ব্যাখ্যা ◈ ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইনফান্তিনোকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় 'দ‌্য টাইমস‌'কে কড়া হুঁশিয়ারি ফিফার ◈ বাংলাদেশকে ঘিরে মার্কিন অর্থনৈতিক কৌশল, সামনে বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা ◈ গোল্ডেন ভিসায় সম্পদের পাহাড়, দুবাই যেতে প্রস্তুত দুদকের বিশেষ টিম ◈ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ◈ ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ◈ কোনো একক দেশ বা সরকারের পক্ষে মানব পাচার সম্পূর্ণ দমন সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ তনু হত্যা মামলা: সাবেক সেনা সদস্য হাফিজুর জামিনে মুক্ত

প্রকাশিত : ০৭ নভেম্বর, ২০১৮, ০৩:৩১ রাত
আপডেট : ০৭ নভেম্বর, ২০১৮, ০৩:৩১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একজন নিবেদিত প্রাণ রাজনীতিকের প্রতি শ্রদ্ধা

বিভুরঞ্জন সরকার : সতীশ চন্দ্র রায়। সাবেক মন্ত্রী। আওয়ামী লীগের চরম দুঃসময়ের কান্ডারি। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সারাদেশেই আওয়ামী লীগের ওপর নেমে এসেছিল এক কঠিন সময়।

ওই সময় দিনাজপুর আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র নেতা অধ্যাপক ইউসুফ আলী, যিনি বঙ্গবন্ধুর সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন, পক্ষ বদল করেন। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে দিনাজপুর ২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকে জয়লাভ করেন রাজনীতিতে স্বল্পপরিচিত স্কুল শিক্ষক সতীশ চন্দ্র রায়। তার কাছে পরাজিত হন জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত, দিনাজপুরের তারকা দুই রাজনীতিবিদ অধ্যাপক ইউসুফ আলী এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ। সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে। সেই দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের জন্য তিনি ছিলেন আলোর মশাল। তারপর চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করলে সতীশ চন্দ্র রায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। প্রথমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

দুই বার আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। বর্তমানে উপদেষ্টাম-লীর সদস্য।

বয়সের ভারে এখন আর তেমন সক্রিয় নেই রাজনীতিতে। তবে সাধারণ জীবনযাপন করা এই রাজনীতিবিদ এলাকায় যান, মানুষের খোঁজ-খবর রাখেন। নিজে আর নির্বাচনে দাঁড়াবেন না। তবে ছেলে ডা. মানবেন্দ্র নাথ রায়কে এমপি হিসেবে দেখে যেতে চান। প্রতিদিন সকালে রমনায় হাঁটতে আসেন। লাঠি ভর দিতে হয়। সঙ্গে দুচারজন সহকারী থাকেন। দেখা হলে হাসি মুখে কুশল বিনিময় করেন।

আজ সকালে তার সঙ্গে একটি ছবি তুলতে চাইলে রাজি হলেন। রাজনীতি ঠিক পথে এগুচ্ছে কিনা জানতে চাইলে হ্যাঁ সূচক মাথা নেড়ে বললেন, নেত্রী এখন অনেক পরিপক্ক। বাংলাদেশের গর্ব তিনি। তার হাতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ। যারা দেশের ভালো চায় না তারাই নেত্রীর এবং আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করেন। তার জীবনের গল্প শুনতে চাইলে সানন্দে সম্মতি দিয়ে বাসায় যাওয়ার নেমন্তন্ন করলেন।

সতীশ চন্দ্র রায় সুস্থ থাকুন। ভালো থাকুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়