শিরোনাম
◈ টবের সাধারণ গাছের পাতায় লুকিয়ে শহর পরিকল্পনার গাণিতিক নকশা ◈ শেখ হাসিনার যে দায়, হাসানুল হক ইনুরও একই দায়: চিফ প্রসিকিউটর ◈ ভারতের অরুণাচলে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, ঐতিহ্যবাহী জমি দখলের দাবি আদিবাসীদের ◈ নোট বাতিলের প্রস্তাব: অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে? সফলতা কতটা? মুদ্রা বাতিলে যত ঝুঁকি ◈ প্রথমবারের মতো পুলিশে এএসআই পদে নিয়োগ, প্রত্যাশিত সাড়া নেই ◈ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: খুন-ডাকাতি কমেছে, অভিযোগের সুযোগ বাড়ায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা; রুমিনের পোশাকেও নেই আপত্তি ◈ সংসদে রুমিন ফারহানার পোশাক পরিধানের বিষয় নিয়ে আলোচনা ◈ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয়  বাজেট পাস, ১ জুলাই থেকে কার্যকর  ◈ খামেনির শেষকৃত্যে অংশ নিতে ২ জুলাই  ইরানে যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন ◈ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড 

প্রকাশিত : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৩:০২ রাত
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৩:০২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২০১৫ বিশ্বকাপকে ‘আয়না’ করছেন মাশরাফি

স্পোর্টস ডেস্ক : এবারের এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। যে দেশে বাংলাদেশ সর্বশেষ ক্রিকেট ম্যাচ খেলেছে ১৯৯৫ সালে। সেই ম্যাচে খেলা দূরের কথা, বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে কারো কারো তখন জন্মও হয়নি। ফলে আরব আমিরাতের মাঠ, উইকেট, কন্ডিশন-বাংলাদেশ দলের জন্য সবই প্রায় অচেনা। পাকিস্তানের সুপার লিগের (পিসিএল) সুবাদে দলের সিনিয়র দু-তিনজনের আমিরাতে খেলার অভিজ্ঞতা আছে মাত্র। বাকি সবার জন্যই হবে নতুন অভিজ্ঞতা। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের ভাবনায় আমিরাতের কণ্ডিশন।

তবে আশার কথা এই, সেই ভাবনাটা দুশ্চিন্তার নয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা বরং বিষয়টাকে নিচ্ছেন চ্যালেঞ্জ হিসেবে। অধিনায়ক স্বয়ং মাশরাফি বিন মুর্তজার দর্শন এটা। মাশরাফি আত্মবিশ্বাসী, আমিরাতের কন্ডিশন ঠিকই জয় করতে পারবেন তারা। মাশরাফিকে এই আত্মবিশ্বাসটা দিচ্ছে ২০১৫ বিশ্বকাপ।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ভেজা কন্ডিশনে বিশ্বকাপ খেলাটা সত্যিই অনেক বড় চ্যালেঞ্জিং ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য। কিন্তু মাশরাফিরা ঠিকই সেই কন্ডিশন জয় করে বাংলাদেশকে প্রথম বারের মতো তুলেছিল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।

আমিরাতের কন্ডিশনের প্রসঙ্গ উঠতেই তাই মাশরাফি মনে করালেন ২০১৫ বিশ্বকাপের কথা, ‘যখন ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলি, তার আগে কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আমাদের স্মৃতিটা তেমন ভালো ছিল না। যদি মাঠ বা আউটফিল্ড পক্ষে না থাকলে পারফর্ম করতে পারব না-এরকম বিশ্বাস নিয়ে যাওয়াটা মোটেই উচিত হবে না। আমি মনে করি, আমাদের যথেষ্ট সামর্থ আছে।’

বাংলাদেশ এশিয়া কাপে যাচ্ছে শিরোপা স্বপ্ন এঁকে। তাই কোনো দলকেই হুমকি মানছেন না মাশরাফি, ‘আমাদের জন্য সবাই হুমকি।’ তবে মাশরাফি এটা ঠিকই মানছেন, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটায় জয় পাওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, শুরুটা ভালো হলে এগিয়ে যাওয়ার পথটা সহজ হয়ে যায়।

প্রত্যাশিত চোখে সেই স্বপ্নই দেখছেন মাশরাফি, ‘পরিস্থিতি অবশ্যিই আমাদের জন্য কঠিন হবে। সেখানে আমরা দল হিসেবে খেলিনি। এটা অবশ্যই একটা ব্যাপার। তবে অনেক ভালো-খারাপের মধ্য দিয়েও আমরা ম্যাচ জিতেছি। আমার কাছে এগুলো খুব বড় ইস্যু না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা শুরুটা কেমন করছি, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কেমন খেলছি। ১৫ তারিখটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

অনেক দিন ধরেই বাংলাদেশ ‘ফ্যাব-ফাইভ’-এর উপর নির্ভরশীল। তামিম, সাকিব, মুশফিক, মাশরাফি ও মাহমুদউল্লাহ-দলের সিনিয়র এই ৫ জনেরই উপরই নির্ভর করে দলের সাফল্য। সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও এই ‘ফ্যাব-ফাইভ’-এর কাঁধে চেপেই ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। সিরিজে বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ রানসংগ্রাহকই ছিলেন এই ‘ফ্যাব-ফাইভ’।

এই সিনিয়রদের ছায়া পেয়েও তেমন কিছু করতে পারছেন না দলের ‘তরুণ’ খেলোয়াড়েরা। মাশরাফি বললেন, এশিয়া কাপে ভালো করতে হলে দায়িত্ব নিতে হবে দলের সবাইকে। সিনিয়রদের পাশাপাশি সমান তালে লড়াই করতে হবে ‘তরুণ’দেরও। মাশরাফির ‘তরুণ’ শব্দটায় আপত্তি।

লিটন দাস, মোসাদ্দেক হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমানদের তিনি ‘তরুণ’ বলতে রাজি নন। কেন? উত্তরটা শুনুন তার কণ্ঠেই, ‘অনেকেতিন, চার, পাঁচ বছর ধরে জাতীয় দলে খেলছে। তাদেরকে আপনারা তরুণ প্লেয়ার বলছেন? তিন বছর খেলার পরও তাদেরকে তরুণ বলতে একটু বাধা লাগা উচিত।’

মোহাম্মদ মিঠুন জাতীয় দলে খেলছেন ৪ বছর ধরে। লিটন দাস তিন বছর, মোসাদ্দেক দুই বছর ধরে। অভিজ্ঞদের সঙ্গে কথিত এই ‘তরুণ’দেরও পারফর্ম করতে হবে মনে করিয়ে দিয়ে মাশরাফি বললেন, ‘আমার বিশ্বাস, তারাও ভালো পারফর্ম করবে।’

কথিত ‘তরুণ’রা যদি অধিনায়কের এই বিশ্বাসটাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারেন, সেটা হবে দলের জন্য অনেক বড় পাওয়া। মিঠুন, লিটন, মোসাদ্দেকরা পারবেন অধিনায়কের আহ্বানে সারা দিয়ে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে? পরিবর্তন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়