প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অবশেষে ইউরোপে বন্ধু মিলল ট্রাম্পের

লিহান লিমা: ইতালির নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী জোসেপে কন্তের দৌলতে অবশেষে ইউরোপিয় ইউনিয়নে বন্ধু খুঁজে পেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন ডানপন্থী এবং জাতীয়তাবাদী কন্তে।

অভিবাসন বিরোধীতা, বাণিজ্যে সংরক্ষণবাদ এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কন্নোয়ন বিষয়ে দুই নেতাই এক নীতি পোষণ করেন। রাশিয়াকে জি-৭ এ ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রাম্পের প্রস্তাবকে সমর্থন দিয়েছিলেন কন্তে। ট্রাম্প যেমন নাফটা এবং টিপিপি বাণিজ্য চুক্তির বিরোধী কন্তেও ইইউ এবং কানাডার মধ্যে সিইটিএ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেন। আটলন্টিক কাউন্সিলের নিক ওটেন্স বলেন, ‘সম্ভবত কন্তের মত মিত্র ট্রাম্প আর খুঁজে পাবেন না’

হোয়াইট হাউস জানায়, ‘এই সফরে দুই নেতা ব্যক্তিগত বৈঠক করবেন এবং পরে সংবাদ সম্মেলন করবেন। তবে দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠক হবে অনেক বেশি বিস্তৃত।’ এর আগে কন্তের সফর নিয়ে হোয়াইট হাউস জানায়, ইতালি ন্যাটো জোটের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র, আফগানিস্তান, ইরাক এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতায় ইতালি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী। যদিও ন্যাটো জোটে ট্রাম্পের বলা সামরিক খাতে জিডিপির ২ ভাগের বদলে ৪ ভাগ বৃদ্ধি করার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে ইতালি।

কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনেও কন্তের ব্যাপক প্রশংসা করেছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কন্তে অভিবাসন ইস্যুতে আমার মত কঠোর। তিনি সেরা। যদিও অভিবাসন ইস্যুতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা ট্রাম্প হাজারো শিশুকে তাদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে সমালোচনার শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে কন্তে ‘ডাবলিন রেগুলেশন’ সংস্কার চান। এই আইনে আশ্রয়প্রার্থীদের সুরক্ষা ইইউভুক্ত দেশগুলোর দায়িত্ব বলে অভিহিত করা হয়েছে, বিশেষ করে যে দেশগুলোতে অভিবাসী এবং শরণার্থীরা প্রথম আসে সেই দেশের জন্য।

ইতালি জানায়, ইইউ’র এই আইন ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলোর জন্য একটি অন্যায্য বোঝা। ইতোমধ্যেই কান্তে সরকার শরণার্থীদের দায়িত্ব ভাগাভাগির জন্য ইইউকে চাপ প্রয়োগ করা আরাম্ভ করেছে। তারা অভিবাসীদের জন্য ইতালির বন্দর বন্ধ করা সহ কয়েকটি শরণার্থী বোঝাই শিপ ফেরত পাঠিয়েছে। ভবিষ্যতে আরো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের হুমকি দিয়েছে এই দেশটি। ইয়ন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত