শিরোনাম
◈ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ডেমোক্র্যাটদের হুঁশিয়ারি: ইরান ইস্যুতে আইন হাতে তুলে নেবেন না ◈ প্রথমবারের মতো সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন তারেক রহমান ◈ ৯ মন্ত্রী-উপদেষ্টা-প্রতিমন্ত্রীর এপিএস হলেন যারা ◈ নীরব জোনে তীব্র শব্দসন্ত্রাস: শাহবাগসহ ঢাকাজুড়ে বাড়ছে শব্দদূষণ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য ◈ ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ করেছে সরকার ◈ তাজুল ইসলামকে সরিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম ◈ কে হচ্ছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ? যা জানাগেল ◈ ৪৫ হাজার কোটি টাকা বিদ্যুতে  বকেয়া, দেউলিয়া পরিস্থিতি বলছেন নতুন মন্ত্রী ◈ চাঙ্গা হচ্ছে কূটনৈতিক মিশনগুলো ◈ বিশ্বকাপে অ‌স্ট্রেলিয়ার ভরাডুবিতে নির্বাচকদের ওপর চটলেন গ্লেন ম্যাকগ্রা ও মার্ক ওয়াহ 

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০১৮, ০৪:১৬ সকাল
আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০১৮, ০৪:১৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্বাচন এখন টাকা ও পেশীশক্তির কাছে বন্দি

প্রথমতঃ আমাদের মনে রাখা দরকার, নির্বাচন যে ব্যবস্থায়ই হোক না কেন, তা শতভাগ সুষ্ঠু হবে না। আমরা আগেই বলেছি, নির্বাচন এখন প্রশাসনিক কারসাজি, টাকার খেলা এবং পেশিশক্তির কাছে বন্দী। বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক ও আঞ্চলিক প্রচার প্রচারণার কাছে বন্দী। এর জন্য আমরা শতভাগ নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করতে পারি না। এখন নির্বাচন যেহেতু ময়দানে চলছে, আমাদের প্রত্যাশা মানুষ যাতে তার ঠিকমত ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

এটি নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশন এবং সরকারেই দায়িত্ব। সেনা মোতায়েন নিয়ে পরস্পর যে বিরোধী বক্তব্য আছে, এই ক্ষেত্রে আমাদের মত হচ্ছে, সেনা মোতায়েন করার প্রয়োজন কি-না, এটা বিবেচনা নির্বাচন কমিশনই করবে। নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে, জনগনের সুষ্ঠুভাবে ভোট দান করার জন্যে সেনা মোতায়ন করা প্রয়োজন, তাহলেই তারা সেনা মোতায়েন করবে। আর এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। সুতরাং আগে থেকে সেনা মোতায়েন করা বা মোতায়েন না করার আলোচনার কোন প্রয়োজন নেই। এই দুটো কথাই পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে সংকটাপন্ন করে তোলে।

পরিচিতি : সম্পাদক, সিপিবি/ মতামত গ্রহণ : তাওসিফ মাইমুন/ সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়