শিরোনাম
◈ ভারতে ভ্রমণে যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা ◈ আপাতত লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা এবং অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী ◈ শিক্ষকতা থেকে রাষ্ট্রপতি পদে, মির্জা ফখরুলের বর্ণিল রাজনৈতিক যাত্রা ◈ এনআইডির জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষমতা পেলেন মাঠ কর্মকর্তারা ◈ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ জুলাই জাদুঘরের নিদর্শন নষ্ট করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড ◈ রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে বিএনপিতে বড় রদবদল, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন সালাউদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী ◈ সরকার ও দল থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত ও ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৯:০৫ সকাল
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৯:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মামলার জালে বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অযোগ্য হওয়ার ঝুঁকিতে!

হ্যাপী আক্তার : মামলার জালে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং তার দলের নেতাকর্মীরা। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হলে, নির্বাচনে অযোগ্য হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপির একজন নীতি নির্ধারক মনে করেন আবারো ক্ষমতা দখলের নকশায়, বেগম জিয়াকে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা করছে সরকারি দল। তবে, আসামি পক্ষকেই দুষছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

২০০৭ সালে করা মামলায়, বিচারিক আদালতে এখন সপ্তাহের বেশিরভাগ দিনে হাজিরা দিচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে গড়া দুটি ট্রাস্টের মামলায় এখন চলছে শেষ মুহুর্তের যুক্তিতর্ক। এই দুটিসহ দুর্নীতির ৫টি এবং সহিংসতা আর নাশকতার অভিযোগে ঢাকাসহ সারাদেশে ২৫টির বেশি মামলায় আসামী ৯০ পরবর্তী গণতন্ত্র যুগের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। নির্বাচনের বছরে রাজনীতির চাইতে মামলা নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে দেশের অন্যতম বড় দলটির শীর্ষ নেতাকে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে প্রতি সপ্তাহে আদালতে নিয়ে তার রানৈতিক কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখতেই এই হীন চেষ্টা করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগরের পিপি আব্দুল্লাহ আবু বলেছেন, জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খুব দ্রুতই রায় হবে বলে তিনি আশা করছেন। স্বাক্ষী যা হয়েছে তাতে মনে হয়, ঢাকায় চলা মামলাগুলোর মধ্যে, তাদের প্রত্যাশা দন্ডিত হবেন আসামীরা।

যদি এই দুটি মামলায় সাজা হয় খালেদা জিয়ার তাহলে নির্বাচনী রাজনীতির হিসেব-নিকেশে আসতে পারে নতুন মাত্রা। সংবিধান মতে নৈতিক স্খলনজনিত কারণে ফৌজদারি মামলায় দুই বছরের জেল হলেই নির্বাচনে অযোগ্য হবেন কোন ব্যক্তি।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, যেদিনই মামলা সেদিই হরতাল ও গন্ডগোল জালাউপুড়াও। শুধু শুধু অভিযোগ যে বেগম জিয়াকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার জন্য এই মামলা, এই অভিযোগটি একেবারেই ঠিক নয়।
মামলার রায় যাই হোক না কেন, নির্বাচনের আগে এই দুটি মামলা নিষ্পত্তির দিকে আসার দায় আসামী পক্ষেরই।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ যদি মনে করে, যে বিএনপির নেতাকর্মীদের জেলে ঢুকিয়ে নির্বাচনে জয়ী হয়ে তারা ক্ষমতা দখল করবে। এর চেয়ে আর বড় ভুলের কিছুই হতে পারে না।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা দুর্নীতি মামলাগুলোর মধ্যে জিয়া অরফ্যানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় হবে ৮ ফেব্রæয়ারী।
সূত্র : চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়