শিরোনাম
◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বিদ্রোহী ঠেকাতে কঠোর বিএনপি, প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা-সততায় নজর ◈ ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে বদলে গেছে যে ৬ সমীকরণ ◈ পশ্চিমবঙ্গে শিগগিরই ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল কংগ্রেস: মমতা ◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক ◈ মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত ◈ আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে যে শর্ত মানতে হবে, জানালেন সোহেল তাজ ◈ ইমরান খা‌নের দুই ছে‌লের বিস্ফোরক মন্তব‌্য, বাবাকে স্পষ্ট হত্যা করার চেষ্টা চল‌ছে ◈ অবশেষে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ১১:২০ দুপুর
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ১১:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বরিশাল জেলা পর্বের ইজতেমা শুরু

খোকন আহম্মেদ হীরা, বরিশাল: বরিশালে শুরু হয়েছে জেলা পর্বের ৩ দিন ব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা।

বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজ আদায় শেষে স্থানীয় তাবলীগ জামায়াতের মুরব্বি মাওলানা মোজাম্মেল হোসেন আম বয়ানের মধ্যদিয়ে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হয়। আগামী ২৭ জানুয়ারী জোহরের নামাজের আগে আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এই ইজতেমা পর্ব।

বরিশাল জেলার ১১টি থানা নিয়ে বরিশাল নগরীর বগুরা রোড সংলগ্ন সরদারপাড়া এলাকায় ১৪ একর খোলা মাঠে জেলা পর্বের ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে।

বেশ কয়েক দিন ধরে মাদ্রাসার ছাত্র, তাবলীগ জামায়াতের মুসল্লী ও স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল সেড এবং বয়ানের স্টেজ। এখানে এক সাথে ৩৬ হাজার মুসুল্লীর থাকার ব্যবস্থা রয়েছে আর আড়াই লক্ষাধিক মুসুল্লী এক সাথে জুমার নামাজ আদায় করতে পারবেন।

ইজতিমা মাঠের দায়িত্বে থাকা তাবলীগ জামায়াতের সঙ্গী হামিম খান জানান, ২০১৫ সালে ৩ দিনব্যাপী প্রথম বরিশালে জেলা পর্বে বিশ্ব ইজতেমার অনুষ্ঠিত হয়। ওই ইজতেমায় দেড় লাখ মুসল্লীর একসাথে জুমার নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল। ওই সময় মুসল্লীদের সংখ্যা বেশী হওয়ায় আশপাশের সকল রাস্তা বন্ধ করে জুমার নামাজ আদায় করতে হয়েছিল।

তবে এবছর দ্বিতীয় বারে এই জেলা পর্বের ইজতেমার মাঠের পরিধি সহ অন্যান্য সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। এখানে মুসল্লীদের ওজুখানা হিসেবে চারটি পুকুরের চারপাশে ঘাট নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। পানি পান করার জন্য দুই হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতার ১৫টি ড্রাম স্থাপন করা হয়েছে। থাকছে ৫০০টি পানির ট্যাপ এবং ৬শ অস্থায়ী পায়খানা। মাঠ জুড়ে রয়েছে আড়াই হাজারের বেশি লাইট।

জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে জেলা ইজতেমা পর্ব শেষ করতে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ এবং র‌্যাবে পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সার্বক্ষনিক ইজতেমা মাঠের তদারকিতে নিয়োজিত রয়েছে। সম্পাদনা: উমর ফারুক রকি

  • সর্বশেষ