শিরোনাম
◈ কর্মপরিকল্পনার ১৮০ দিন শেষ, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন; হতে পারে দপ্তর রদবদল ◈ হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন ◈ ইয়েমেনে ফের উত্তেজনা, হুতিদের হামলায় নিহত ৫৮ সেনা ◈ বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির খবর, পুলিশ বলছে গুজব ◈ খাদ্যে ভয়ংকর ভেজাল, মিলেছে ভারী ধাতু ও জীবাণু ◈ শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করতে হবে: জামায়াত ◈ বাংলাদেশ থেকে আনারস নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার ◈ ঋণের কিস্তি বকেয়া পড়লেই গ্রাহককে যখন-তখন ফোন ও হুমকি দেওয়া যাবে না: আরবিআইয়ের কঠোর নীতিমালা ◈ সৌদিকে ঘিরে ইরানি মিত্রদের সমন্বিত হামলার শঙ্কা, লক্ষ্যবস্তু জ্বালানি স্থাপনা ও বন্দর ◈ ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ১১:২০ দুপুর
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ১১:২০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বরিশাল জেলা পর্বের ইজতেমা শুরু

খোকন আহম্মেদ হীরা, বরিশাল: বরিশালে শুরু হয়েছে জেলা পর্বের ৩ দিন ব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা।

বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজ আদায় শেষে স্থানীয় তাবলীগ জামায়াতের মুরব্বি মাওলানা মোজাম্মেল হোসেন আম বয়ানের মধ্যদিয়ে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হয়। আগামী ২৭ জানুয়ারী জোহরের নামাজের আগে আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এই ইজতেমা পর্ব।

বরিশাল জেলার ১১টি থানা নিয়ে বরিশাল নগরীর বগুরা রোড সংলগ্ন সরদারপাড়া এলাকায় ১৪ একর খোলা মাঠে জেলা পর্বের ইজতেমার আয়োজন করা হয়েছে।

বেশ কয়েক দিন ধরে মাদ্রাসার ছাত্র, তাবলীগ জামায়াতের মুসল্লী ও স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল সেড এবং বয়ানের স্টেজ। এখানে এক সাথে ৩৬ হাজার মুসুল্লীর থাকার ব্যবস্থা রয়েছে আর আড়াই লক্ষাধিক মুসুল্লী এক সাথে জুমার নামাজ আদায় করতে পারবেন।

ইজতিমা মাঠের দায়িত্বে থাকা তাবলীগ জামায়াতের সঙ্গী হামিম খান জানান, ২০১৫ সালে ৩ দিনব্যাপী প্রথম বরিশালে জেলা পর্বে বিশ্ব ইজতেমার অনুষ্ঠিত হয়। ওই ইজতেমায় দেড় লাখ মুসল্লীর একসাথে জুমার নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল। ওই সময় মুসল্লীদের সংখ্যা বেশী হওয়ায় আশপাশের সকল রাস্তা বন্ধ করে জুমার নামাজ আদায় করতে হয়েছিল।

তবে এবছর দ্বিতীয় বারে এই জেলা পর্বের ইজতেমার মাঠের পরিধি সহ অন্যান্য সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। এখানে মুসল্লীদের ওজুখানা হিসেবে চারটি পুকুরের চারপাশে ঘাট নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। পানি পান করার জন্য দুই হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতার ১৫টি ড্রাম স্থাপন করা হয়েছে। থাকছে ৫০০টি পানির ট্যাপ এবং ৬শ অস্থায়ী পায়খানা। মাঠ জুড়ে রয়েছে আড়াই হাজারের বেশি লাইট।

জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে জেলা ইজতেমা পর্ব শেষ করতে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ এবং র‌্যাবে পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সার্বক্ষনিক ইজতেমা মাঠের তদারকিতে নিয়োজিত রয়েছে। সম্পাদনা: উমর ফারুক রকি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়