শিরোনাম
◈ বিমানবন্দরে স্যুটকেসে শ্যাম্পু-ক্রিমের বোতলে মিলল ৯২টি জীবিত সাপ-টিকটিকি, মেক্সিকান নাগরিক আটক ◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখাল নেদারল্যান্ডস, চীনের পর নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশের সামনে ◈ আমিরাতে সক্রিয় ছিল ইরানি ‘স্লিপার সেল’, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের তথ্য প্রকাশ! ◈ 'ইরান কখনও যুদ্ধ চায় না, তবে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দি‌তে প্রস্তুত' ◈ নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যে কারণে ৭০ শতাংশ ভিসা বাতিল ◈ বাংলাদেশের মতো ক্ষমতার পালাবদল চায় কংগ্রেস, বিস্ফোরক অভিযোগ রাজনাথ সিংয়ের ◈ মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, ১৫ নভেম্বরের মধ্যে লাগানোর নির্দেশ বিআরটিএর ◈ রাশিয়ার কামচাতকায় ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির শঙ্কা নেই ◈ বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে থমকে যাচ্ছে ঢাকার অগ্রগতি ◈ পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা‌কে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ ১৮ অ‌ক্টোবর শুরু 

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৪০ রাত
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৪০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চলনবিলে কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত বোরো বীজতলা

শিশির আলম,উল্লাপাড়া: ঘন কুয়াশা আর শৈত্য প্রবাহ শুধু জীব বৈচিত্র নয় এবার চলনবিলের উদ্ভিদ সহ ফসলী জমির উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে তাই এ অঞ্চলের ইরি-বোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই অনেকেই পুরো জমি পলিথিনে আবদ্ধ করে ক্ষতি এড়ানোর চেষ্টা করছেন।

উল্লাপাড়া উপজেলার দূর্গানগর ইউনিয়নের ভাটবেড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল করিম জানান, এবার ইরি-বোরো মৌসুমে ধান লাগাতে ৩৩ শতক জমিতে চারা বপন করেছেন কিন্তু ঘন কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহের কারণে ২ শতক জমির ধানের চারার গুণাগুণ নষ্ট হয়ে গেছে যা এখন তুলে ফেলে দিতে হবে।

কৃষক আব্দুল করিম এর মতো অনেকেই বলেছেন, এই লোকসান উসুল করতে উৎপাদিত ধানের উপর গড়ে দাম ফেলে বিক্রি করতে হবে নইলে সারা বছর না খেয়ে থাকতে হবে।

তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ধানে চারা কোল্ড ইনজুরির কারণে নষ্ট হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে সন্ধা  থেকে ভোর পর্যন্ত পুরো জমি পলিথিনে অাবদ্ধ করে রাখছে স্থানীয় কৃষকরা।

এসকল বিষয় নিয়ে যোগাযোগ করা হলে রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার নাজমুল মন্ডল  বলেন, রাতে ধানের চারায় পানি সেচ ও পলিথিনে আবদ্ধ রাখতে হবে এবং দিনের বেলাল পানি গুলো বের করে দিতে হবে।এতে ধান চারার গুণাগুণ বজায় থাকবে।

উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জ,পাবনা ও নাটোর জেলার মাঝখানে প্রায় ৭ টি উপজেলা নিয়ে বিস্তৃত চলনবিল। এই বিলে বর্ষাকালে দেশীয় মাছ, আর রবি মৌসুমে বিভিন্ন ফসলের আবাদ হয় যা স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর দেশের জাতীয় খাদ্য শষ্য ভান্ডারে গিয়ে যোগ হয় তাই এই অপার সম্ভাবনাময়ী চলনবিলকে ঘিরেই রয়েছে অর্ধশতাধিক বরফ কল ও মাছের আড়ৎ সহ শতাধিক ধানের চাতাল।সম্পাদনা: উমর ফারুক রকি

  • সর্বশেষ