শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬, ০৮:৪২ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এআই ফিচার বিলম্ব মামলায় ২৫০ মিলিয়ন ডলারে সমঝোতা অ্যাপলের

ভয়েস সহকারী সিরিতে প্রতিশ্রুত এআই ফিচার সময়মতো না আনার অভিযোগে করা শেয়ারহোল্ডার মামলায় ২৫০ মিলিয়ন ডলারে সমঝোতায় পৌঁছেছে অ্যাপল। তবে এই সমঝোতায় কোনো দায় স্বীকার করেনি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি।

অ্যাপল তাদের ভয়েস সহকারী সিরি–তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নতুন ফিচার চালু করতে দেরি করায় এই আইনি জটিলতায় পড়ে। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ফেডারেল আদালতে শেয়ারহোল্ডার পিটার ল্যান্ডশেফট এই মামলা করেন।

মামলার সূত্রপাত ২০২৪ সালে অ্যাপলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে। সে সময় প্রতিষ্ঠানটি জানায়, সিরিতে একাধিক নতুন এআই ফিচার যুক্ত করা হবে এবং নতুন আইফোনের সঙ্গে সেগুলো বাজারে আসবে। এই ঘোষণার ভিত্তিতে প্রচারণাও চালানো হয়।

কিন্তু পরে বাজারে আসা আইফোনে ওই ফিচারগুলো ছিল না। এতে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রান্ত হয়েছেন এবং শেয়ারহোল্ডারদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। মামলায় বলা হয়, ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবায়নের এই অমিল বিনিয়োগকারীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

পরবর্তীতে ২০২৫ সালে অ্যাপল জানায়, সিরির এআই আপগ্রেড আরও দেরিতে আসবে এবং ২০২৬ সালে তা উন্মুক্ত করা হবে। কোম্পানির নির্বাহীরা এখন নিশ্চিত করেছেন, নতুন সিরি ফিচার আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে উন্মোচন করা হবে।

এই প্রেক্ষাপটে মামলাটি ২৫০ মিলিয়ন ডলারে সমঝোতায় নিষ্পত্তির পথে এগিয়েছে। তবে সমঝোতাটি কার্যকর হতে আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন। অ্যাপল স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা কোনো ধরনের ভুল বা দায় স্বীকার করেনি।

এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২৪ সালে ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’ নামে যে এআই উদ্যোগ চালু করা হয় তার আওতায় ইতিমধ্যে বেশ কিছু নতুন ফিচার ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। সিরির অতিরিক্ত দুটি ফিচার বিলম্বিত হওয়ায় যে অভিযোগ উঠেছিল সেটিই এই মামলার কেন্দ্রবিন্দু।

অ্যাপল আরও বলেছে, তারা এই সমঝোতায় পৌঁছেছে মূলত তাদের পণ্য উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে মনোযোগ ধরে রাখতে। ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন প্রযুক্তি ও সেবা উন্নত করাই তাদের অগ্রাধিকার।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এআই ফিচার নিয়ে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সময়মতো প্রতিশ্রুতি পূরণ করাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বড় কোম্পানিগুলোর ঘোষণার ওপর বিনিয়োগকারীরা দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখান। ফলে বিলম্ব বা পরিবর্তন সরাসরি বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।

  • সর্বশেষ