শিরোনাম
◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ◈ শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে সিরিজ জয়ের পথে ভারত ◈ গ্রামের নিম্নবিত্তের সবজি কচু-লতি এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায় ◈ ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন মোড়, গ্রেপ্তার মোজাফফরকে নিয়ে হবে তদন্ত ◈ রিয়ালের পতনে দিশেহারা ইরান, ২০ লাখ রিয়ালে মিলছে না আগের অর্ধেকও ◈ ফ্লাইটে মায়ের মৃত্যু, ওমানের আইনে মরদেহ রেখেই দেশে ফিরতে হলো ছেলেকে ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে অন্তত ২০, শতাধিক ভারতীয়সহ নিখোঁজ ৪০০ ◈ লেনিন থেকে নেতানিয়াহু : লুকিয়ে দেশ ছাড়ার পর গোপনে ফিরেছেন যে বিশ্বনেতারা ◈ মার্কিন চাপে চরম অর্থনৈতিক সংকটে ইরান, ফের বিক্ষোভের শঙ্কা ◈ ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছে, যা জানা গেল

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:২৯ সকাল
আপডেট : ০৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণে আকাশে উঠবে রক্তিম ‘ব্লাড মুন’

পৃথিবী যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসে, তখন সূর্যের সরাসরি আলো চাঁদে পৌঁছাতে বাধা পায়। তবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে সূর্যের আলোর একটি অংশ প্রতিসারিত হয়ে চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠে পড়ে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল নীল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে বেশি বিচ্ছুরিত করে দেয় ও লাল রঙের দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে চাঁদের দিকে পাঠিয়ে দেয়। এই কারণেই গ্রহণ চলাকালীন চাঁদকে তামাটে বা লালচে দেখায়। নাসার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয়ের সময় আকাশ যেমন লাল দেখায়, এটিও ঠিক একই বৈজ্ঞানিক কারণে ঘটে থাকে।

পৃথিবী যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসে, তখনই সংগঠিত হয় পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। ওই সময় সূর্যের সরাসরি আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে সূর্যের আলোর একটি অংশ প্রতিসারিত হয়ে চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠে পড়ে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল নীল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে বেশি বিচ্ছুরিত করে দেয় ও লাল রঙের দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে চাঁদের দিকে পাঠিয়ে দেয়। এই কারণেই গ্রহণ চলাকালীন চাঁদকে তামাটে বা লালচে দেখায়। নাসার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয়ের সময় আকাশ যেমন লাল দেখায়, এটিও ঠিক একই বৈজ্ঞানিক কারণে ঘটে থাকে।

বিশ্বের একটি বড় অংশ থেকে ২০২৬ সালের এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে ১২ থেকে ১৩ মিনিট স্থায়ী হবে এই চন্দ্রগ্রহণ। সর্বোচ্চ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে সন্ধ্যা ৫টা ৩৩ মিনিটে। উত্তর ও মধ্য আমেরিকায় ভোরবেলা সবচেয়ে ভালো দৃশ্যমান থাকবে। আর পূর্ব এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়াজুড়ে সন্ধ্যায় লালচে চাঁদ দেখা যাবে।

চন্দ্রগ্রহণ দেখার জন্য সূর্যগ্রহণের মতো চোখের বিশেষ সুরক্ষার প্রয়োজন হয় না। এটি খালি চোখেই সম্পূর্ণ নিরাপদভাবে দেখা যায়। তবে একটি সাধারণ বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপ থাকলে চাঁদের পৃষ্ঠের পরিবর্তনগুলো আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে। শহর থেকে দূরে যেখানে আলোক দূষণ কম, সেখান থেকে ব্লাড মুনের লাল আভা সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে।

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ মূলত তিনটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়। পেনামব্রাল পর্যায়ে চাঁদ পৃথিবীর হালকা ছায়ার ভেতর প্রবেশ করে, এতে চাঁদের উজ্জ্বলতা কিছুটা কমে যায়। এরপরে আংশিক গ্রহণ শুরু হয়। চাঁদ যখন পৃথিবীর মূল অন্ধকার ছায়ার ভেতর প্রবেশ করতে শুরু করে। এরপরেই ঘটবে পূর্ণগ্রাস (টোটালিটি)। এই পর্যায়ে চাঁদ পুরোপুরি পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে যায় এবং লালচে রং ধারণ করে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • সর্বশেষ