শিরোনাম
◈ নিউইয়র্কে অপ্রীতিকর ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন লামিয়া মোর্শেদ ◈ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ: প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয়-নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা ◈ সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলকে আবারও আলোচনায় আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্রের নথি কিনেছে ৩ বিদেশি কোম্পানি ◈ জমি জটিলতায় দুই বছরেও খনন হয়নি সিলেটের ২ গ্যাস কূপ, ঝুঁকিতে ৫৬ বিসিএফ গ্যাস উৎপাদন! ◈ ঢাকা-কুমিল্লা উড়াল রেলপথে ব্যয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা, কমবে চট্টগ্রামের দূরত্ব ◈ এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেই ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হামলার ভয়ে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে ছুটছেন সৌদি যুবরাজ ◈ জা‌র্সিতে থাকা সৌদি আরবের পতাকায় চুমু খেলেন ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনালদো  ◈ সৌদি-হুথি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বড় অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:৫২ বিকাল
আপডেট : ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:৫২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্ব-পরিবারে নিখোঁজ

মিজান লিটন : চাঁদপুর শহরের এস কে শিল্পালয়ের স্বত্ত্বাধিকারী পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন পিন্টু দাসের স্ত্রী রিমি দাস, বড় ছেলে ১০ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত প্রিয়ম দাস ও ছোট ছেলে রুপম দাস।

২৬ আগষ্ট বুধবার নিখোঁজের তথ্য নিশ্চিত করেন পিন্টু দাসের নিকট আত্মীয় চাঁদপুর জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক উপমা দে।

তিনি জানান, শহরে ভাড়া থাকতো পিন্টু দাস তার পরিবারসহ। নানা কারনে সে ঋণগ্রস্ত  ছিল। সাম্প্রতি জৈনক এক ব্যক্তি পিন্টু দাসকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছিলো বলে খবর পাই। আর এর পরই তিনি প্রাণ বাঁচাতে হয়তো স্বপরিবারে নিখোঁজ।

এদিকে অপর একটি পক্ষ বলছে, পিন্টু দাস স্বর্ণের বন্দকি ব্যবসা করতো। দীর্ঘদিন তিনি লোকজনের স্বর্ণ বন্ধক রেখে সে স্বর্ণ আর ফেরত দিতে পারছিলেন না। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সমিতি থেকেও ব্যবসার নামে লোন নিয়ে ঋণে জর্জরিত হয়েছেন। একাধিক স্থানে দোকান স্থানান্তর করলেও সবশেষ তিনি চাঁদপুর শহরের পৌরসভা সংলগ্ন কুমিল্লা রোডের এখন্দ মার্কেটের নিচ তলায় এসকে জুয়েলার্স নামে একটি স্বর্ণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাতেন। সেখানে যে পরিমাণ স্বর্ণ তিনি বন্ধক রাখতেন তার চার ভাগের একভাগ টাকা মানুষকে দিতেন।

Advertisement

এ ঘটনায় রঘুনাথপুরের বাসিন্দা মনসুর খানের ছেলে রাসেল খান দাবী করেন, তিনি আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার পিন্টুর কাছে ৫০ হাজার টাকায় বন্ধক দেন। পরে পিন্টু কে ৫০ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে তার স্বর্ণালংকার আনতে যান। কিন্তু পিন্টু দাস স্বর্ণ না দিয়ে তিনি তাকে পরের দিন আসার জন্য বলেন। পরবর্তীতে পিন্টু দাস স্বপরিবারে উধাও হওয়ার সংবাদ পান। আমি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।

দক্ষিণ গুণরাজদীর জাহিদুল ইসলাম ১২ আনা এবং শুভঙ্কর মজুমদার ১০ আনা স্বর্ণ পিন্টুর কাছে বন্ধক রাখার দাবী করে বলেন, মার্কেটটিতে প্রায় ৫/৬ মাস আগে একটি দোকান ভাড়া নেয় পিন্টু। তার মূল বাড়ী চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। কুমিল্লা এবং মুদাফফরগঞ্জে তাদের আত্মীয় রয়েছে। এখন তিনি উধাও নাকি নিখোঁজ তা জানা নেই।

এই পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা ও চাঁদপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন বলে জানা যায়।

তিনি দীর্ঘদিন চাঁদপুরে থাকার সুবাদে মানুষের মন জয় করে, তাদের সাথে ভালো ব্যবহার দেখিয়ে অনেক অর্থ সম্পদ হাতিয়ে নিয়ে এগুলি ফেরত দেওয়ার ভয়ে হয়তোবা এই প্রতারণা করতে পারেন বলে একটি সূত্র দাবি করছেন।  

চাঁদপুর সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস বলেন, পিন্টু দাস স্বপরিবারে নিজে আত্মগোপনে থাকলে তাকে খুঁজে পাবে কিভাবে?আমাদের কাছে কোন অভিযোগ কেউ করেছে কিনা তা এখনি বলতে পারছি না।

এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ বলেন,পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের ৪ জন নিখোঁজ এটা এই মাত্রই জানলাম। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে তাদের উদ্ধারে পদক্ষেপ নিবো।

  • সর্বশেষ