শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রে লিমন–বৃষ্টি হত্যা: তদন্তে বেরিয়ে এলো ভয়াবহ তথ্য ◈ আজ পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ ◈ চীনের ব্যাটারি বিপ্লবে বদলে যাচ্ছে ইভি বাজার, ১০ মিনিটেরও কম সময়ে চার্জ হবে ইলেকট্রিক গাড়ি ◈ বড় বাজেট, বড় চ্যালেঞ্জ: ২০২৬–২৭ অর্থবছর নিয়ে দুশ্চিন্তা ও আশা ◈ সরকারি চাপে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড থে‌কে সভাপ‌তিসহ সবাই পদত‌্যাগ কর‌লেন ◈ হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করায় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর গ্রেপ্তার ◈ পার্থের বক্তব্য ঘিরে সংসদ আবার উত্তপ্ত ◈ ইরানের হামলার জবাব কীভাবে দেওয়া হবে তার পরিপ্রেক্ষিতে বৈঠকে বসছে ৬ মুসলিম দেশ ◈ পাকিস্তান-আফগানিস্তান ভয়াবহ যুদ্ধের শঙ্কা, মধ্যস্থতার চেষ্টা চীনের ◈ চলমান যুদ্ধ বন্ধে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন শান্তি প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান

প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৭ দুপুর
আপডেট : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাসা উন্মোচন করলো সূর্যের শৈশব

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা এক তরুণ সূর্যসদৃশ তারার চারপাশে বিশাল গ্যাসের বুদবুদের স্পষ্ট ছবি প্রকাশ করেছে। এই তারার নাম এইচডি ৬১০০৫। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১২০ আলোকবর্ষ।

নাসার চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরি দিয়ে এই ছবি তোলা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানান, এই তরুণ তারা নিজের চারপাশে যে গ্যাসের খোলস তৈরি করেছে, তাকে বলা হয় ‘অ্যাস্ট্রোস্ফিয়ার’। তারার পৃষ্ঠ থেকে শক্তিশালী কণার ঝড় বা ‘পার্টিকল উইন্ড’ বের হয়। এই ঝড় চারপাশে গরম গ্যাস ছড়িয়ে দেয় এবং এক বিশাল বুদবুদ তৈরি করে। বুদবুদটি আশপাশের ঠান্ডা গ্যাস ও ধুলাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দেয়।

আমাদের সূর্যেরও এমন একটি খোলস আছে। সেটিকে বলা হয় ‘হেলিওস্ফিয়ার’। এটি সূর্যের বাতাসে তৈরি হয় এবং পৃথিবীকে ক্ষতিকর মহাজাগতিক রশ্মি থেকে কিছুটা রক্ষা করে।

গবেষণার নেতৃত্ব দেন জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের কেরি লিসে। তার গবেষণা ছাপা হয়েছে ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল’-এ। তিনি বলেন, এত দিন আমরা সূর্যের খোলস ভেতর থেকে বুঝেছি, বাইরে থেকে দেখা যায়নি। এবার এই নতুন তথ্য আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে, কোটি কোটি বছর আগে সূর্য কতটা সক্রিয় ছিল।

এইচডি ৬১০০৫ তারার বয়স প্রায় ১০ কোটি বছর। তুলনায় আমাদের সূর্যের বয়স প্রায় ৫০০ কোটি বছর। তরুণ হওয়ায় এই তারার কণার ঝড় সূর্যের চেয়ে প্রায় তিন গুণ দ্রুত এবং প্রায় ২৫ গুণ ঘন।

এই তারাকে বিজ্ঞানীরা ‘মথ’ নামেও ডাকেন। কারণ, ইনফ্রারেড টেলিস্কোপে এর চারপাশের ধুলার আকার মথ পোকা’র ডানার মতো দেখা যায়। নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপে দেখা গেছে, এই তারার আশপাশের পদার্থ আমাদের সূর্যের তুলনায় প্রায় এক হাজার গুণ বেশি ঘন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই আবিষ্কার আমাদের সূর্যের শৈশব ও ভবিষ্যৎ বুঝতে নতুন দিগন্ত খুলে দিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়