শিরোনাম
◈ ১৯ বছর ধরে পালাতক ‘পিচ্চি হান্নানের’ সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার ◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ◈ শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে সিরিজ জয়ের পথে ভারত ◈ গ্রামের নিম্নবিত্তের সবজি কচু-লতি এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায় ◈ ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন মোড়, গ্রেপ্তার মোজাফফরকে নিয়ে হবে তদন্ত ◈ রিয়ালের পতনে দিশেহারা ইরান, ২০ লাখ রিয়ালে মিলছে না আগের অর্ধেকও ◈ ফ্লাইটে মায়ের মৃত্যু, ওমানের আইনে মরদেহ রেখেই দেশে ফিরতে হলো ছেলেকে ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে অন্তত ২০, শতাধিক ভারতীয়সহ নিখোঁজ ৪০০ ◈ লেনিন থেকে নেতানিয়াহু : লুকিয়ে দেশ ছাড়ার পর গোপনে ফিরেছেন যে বিশ্বনেতারা ◈ মার্কিন চাপে চরম অর্থনৈতিক সংকটে ইরান, ফের বিক্ষোভের শঙ্কা

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:০০ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্যবহৃত মোবাইল বিক্রির বিষয়ে নতুন নির্দেশনা বিটিআরসির

ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই নিবন্ধন বাতিল করতে হবে—এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)’ সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মোবাইল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর সিস্টেম পূর্ণরূপে কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে সচল থাকা সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে এবং অবৈধ বা চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিম পরিবর্তন, হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ হ্যান্ডসেটটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে অবমুক্ত করতে হবে। ডি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য সিম ক্রয়ের সময় ব্যবহৃত ডকুমেন্টের—জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে।

বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তাদের ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd থেকে পাওয়া যাবে। এছাড়া প্রয়োজন হলে বিটিআরসির কল সেন্টার ১০০ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকে সহায়তা নেওয়া যাবে।

 

  • সর্বশেষ